ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

শাহজাদপুরে মহিষের সঙ্গে ঘর-সংসার


মাহফুজুর রহমান মিলন, শাহজাদপুর photo মাহফুজুর রহমান মিলন, শাহজাদপুর
প্রকাশিত: ৪-৩-২০২৪ দুপুর ৪:৫৪

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার দুর্গম যমুনা নদীর চরে বিশাল এলাকায় গড়ে উঠেছে মহিষের বাথান। কৈজুরী ইউনিয়নের মোনাকোষা-ভাটদিঘুলিয়ার চরের তৃণভূমিতে রাখালেরা খোলা আকাশের নিচে সাড়ে তিনশত মহিষের বাথানে মহিষ পালন করে হচ্ছেন স্বাবলম্বী। মহিষের বাথানের পাশেই নদীঘেঁষা বালু চরে রাখালেরা কয়েকটি ঝুপড়ি ঘর তুলেছেন। মহিষগুলো লালন-পালন করাই তাদের কাজ। তারা ঝুপড়ি ঘর তুলে সেখানে কোনরকমে গাদাগাদি করে থাকছেন। মহিষের সঙ্গেই যেন তাদের ঘর-সংসার। মহিষ পালন ঘিরে চলছে তাদের জীবন-জীবিকা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যমুনার বিশাল এলাকা নিয়ে অবস্থিত এই বাথানের দুই প্রান্তে নদী রয়েছে, যা খামারিদের জন্য মহিষগুলোর পানি পান করা ছাড়াও গোসল করানোর সুবিধা পাচ্ছে। স্থানীয়রা জানান- কাক ডাকা ভোর থেকে শুরু হয় মহিষ ও রাখালদের কর্মযজ্ঞ। মহিষের দুধ দোহানো, নৌকায় করে গ্রাহকদের কাছে দুধ পাঠানো, আর দুপুর পর্যন্ত মহিষগুলোকে মাঠে চরানো। এরপর মধ্যাহ্ন ভোজ। বিকালে আবার মহিষ চরানো। রাখালদের সঙ্গে মহাজনের নিয়োগকৃত ঘোষালরাও থাকেন। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করেই চলছে এসব। খামারী, রাখালের শ্রমে মহিষ থেকে উৎপাদিত হচ্ছে দুধ। একটি মহিষ সকাল ও দুপুরে মিলে ৭ থেকে ১০ কেজি পর্যন্ত দুধ দেয়। প্রতি কেজি দুধ ফ্যাট অনুযায়ী ৫৫-৬০ টাকায় বিক্রি করা হয়। আর মহিষের বাথানে উৎপন্ন ও সংগ্রহিত বিপুল পরিমান দুধ বিক্রি করে তাদের ভাগ্যের চাকা সুপ্রসন্ন করছেন। ফলে বদলে যাচ্ছে মহিষ পালনকারীদেরও জীবনমান। বগুড়ার গাবতলীর কালাইহাটা গ্রাম থেকে আগত মহিষের মালিক আনন্দ ঘোষ জানান- ৭/৮ জন খামারীর মহিষ একত্রিত করে বাথান করা হয়েছে। আমাদের এলাকায় ঘাস কম থাকায় এখানে এসেছি। এই বাথানে আমার ৩৩০টি মহিষ রয়েছে। বছরের আট মাস ম্যোষের সাতে (সাথে) যমুনার চরে কাটাই। এ্যাটিই খাই, এ্যাটিই ঘুমাই, হগ্গলের সাতে গল্পগুজব হরে আনন্দেই সময় কাটে। শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. বিল্লাল হোসেন জানান- প্রতি বছরই যমুনার বুকে জেগে ওঠা চরাঞ্চলে সবুজ ঘাস খাওয়ানোর জন্য পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকে শত শত মহিষ নিয়ে আসে খামারীরা। চরের তৃণভূমিতে অস্থায়ী ঝাপুড়িঘর তুলে খোলা আকাশের নিচে চলে এই মহিষের লালন পালন। চারপাশে যমুনা নদীর অসংখ্য ক্যানেল আর সবুজ ঘাস থাকার কারণে খামার পরিচালনা সহজলভ্য হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে চরগুলোতে বন্যার পানি প্রবেশের আগেই তারা মহিষের বাথান গুটিয়ে নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যায় খামারীরা। তাদেরকে সার্বিক পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

এমএসএম / এমএসএম

ভারী বর্ষণে মাগুরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জলাবদ্ধতা, প্রশাসনিক কাজে ব্যাঘাত

ঘোড়াঘাটে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার রোধে জনসচেতনতামূলক সভা

মান্দায় পানিবন্দি ২৫০ পরিবারের পাশে 'ডার্মা ফ্যামিলি ফাউন্ডেশন'

বরগুনায় ৫০ টি দোকান অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই

খেলনা গাড়িতে লুকানো ছিল ১২ হাজার ইয়াবা, রায়গঞ্জে বাসযাত্রী গ্রেপ্তার

মাদারীপুরে প্রধানমন্ত্রীর বহরে ইট নিক্ষেপের খবর গুজব, চাকা থেকে ছিটকে আসা টুকরো বলছে পুলিশ

ঘোড়াঘাটে অবহেলায় অযত্নে নষ্ট হচ্ছে সাড়ে ৫০০ বছরের পুরনো সুরা মসজিদ

‎নবাবগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

চন্দনাইশে বিএনপির নেতার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

উশৃঙ্খল যুবকরা এখন বাংলাদেশে আইসা ক্ষমতায় বসেছে- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ভূরুঙ্গামারীতে কৃষকের রোপণ করা ধানের চারা নষ্ট করে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

আত্রাইয়ে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি, জেলেদের মাছ শিকারের ধুম

রেলের অবিক্রিত আসনের টাকা কার পকেটে?