তাড়াশে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করেছেন স্থানীয়রা। সোমবার (২৪ মে) সকালে হাসপাতালের তেতরে উপজেলার তাড়াশ পৌরসভার ভাদাশ ৫নং ওয়ার্ডের জনগণ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জামাল মিয়া শোভনের বিরুদ্ধে এ প্রতিবাদ সভা করেন।
জানা যায়, ভাদাশ গ্রামের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি সুলতাল মাহমুদ ,সাবেক সভাপতি আব্দুস সাত্তার, মাধইনগর ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি শিশির আহম্মেদ, সদস্য আব্দুল কুদ্দুস ও কৃষক লীগের সভাপতি খাইরুল ইসলাম গরম সহ্য করতে না পেরে হাসপাতালের ভেতরে গাছের ছায়ায় বসে পারিবািরক বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলেন। এমন সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জামাল মিয়া শোভন প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে তাদের বলেন আপনারা এখানে কী করছেন? সরকারবিরোধী কোনো আলোচনা করছেন, না হাসপতালের ক্ষতি হয় এমন কিছু করছেন? যান, বাইরে যান। আপনারা আসার কারণেই তো হাসপাতালের ভেতর থেকে অনেক কিছু হারিয়ে যায়। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে এখানে বসে আছেন, যান বাইরে যান।
তখন তারা বলেন, আপনি ভদ্রভাবে বললেই তো চলে যেতাম। আপনি কেন উত্তেজিত হয়ে আমাদের সাথে কথা বলছেন? এর আগেও তো এখানে বসে কথা বলেছি, কেউ বাধা দেয়নি। এর মধ্যে একজন বলেন, স্যার এই জায়গা-জমি তো আমার বাপ-দাদার সম্পত্তি। এ কথা শুনে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, তোর বাপ-দাদার সম্পত্তি হলে দলিল নিয়ে আয়, আমি টাকা দিয়ে দেব। পরে তারা দলীয় নেতাকর্মীদের ফোন করে বিষয়টি জানালে তারা কর্মকর্তার অফিসকক্ষে বসে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আবাসিক এলাকার মধ্যে বাইরের লোকজন প্রবেশ নিষেধ। তাই তাদের মানা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভাদাশ গ্রামের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা হাসপাতালের মধ্যে একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করছিলাম। এমর সময় ওই কর্মকর্তা এসে আমাদের অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করে আমাদের বের হয়ে যেতে বলেন। আমি অনুরোধ করার পরেও তিনি গরম দেখিয়ে বলেন, আপনাদের নামে লুটপাটের মামলা দেব।
ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুদ বলেন, একজন অফিসার ও ভালমানের ডাক্তারের মুখে এ রকম ভাষা শুনে মনে হলো যারা লেখাপড়া জানে না তারাই ভালো। ইনি আসার পর থেকেই সাধারণ জনগণের সাথে নানা বাকবিতণ্ডা হয়েছে, যা আগে কোনোদিন হয়নি।
ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি খাইরুল ইসলাম বলেন, এই কর্মকর্তার মুখের ভাষা এত খারাপ তা জানা ছিল না। হাসপাতালের প্রধানের মুখে এ রকম ভাষা শুনে আমরা মর্মাহত। তাই অতিবিলম্বে এই কর্তকর্তার বদলি না হলে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জামাল মিয়া শোভন বলেন, আমি তাদের কোনো খারাপ কথা বলিনি। আবাসিক এলাকার মধ্যে বাইরের লোকজন ঢুকে গ্যাদারিং করাটা শোভনীয় নয়, তাই হাসপাতালের প্রধান হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব থেকে তাদের ভালোভাবে বলে বাইরে যেতে বলেছি।
ঘটনাটি স্থানীয় সংসদ সদস্যকে জানালে তিনি বলেন, বিয়টি আমি দেখছি।
এমএসএম / জামান
পঞ্চগড়ের দুইটি আসনে ১৫ জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ
রায়গঞ্জে বিআরডিবির বার্ষিক সভা ও গণভোট প্রচারণা সভা
গোপালগঞ্জের তিন আসনে প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা
রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, আজমেরী বাসের দুই চালকসহ আটক-৩
কুমিল্লার ১১ সংসদীয় আসনে ৮০ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ
রাজশাহীতে সম্পন্ন হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ
অভয়নগরে বার্ষিক ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও বৃত্তি প্রদান
পায়গ্রাম কসবায় প্রভাতী সমাজ উন্নয়ন যুব সংঘের দুই দিনব্যাপী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
বাঁশখালীতে নির্বিচারে কাটছে চরের মাটি, ঝুঁকিতে বেরিবাঁধ
শান্তিগঞ্জে জালনোট প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত
কম দামের ফাঁদে কৃষক, রায়গঞ্জে ভেজাল সার-কীটনাশকে ফলন বিপর্যয়ের শঙ্কা
বাঙ্গালহালিয়া বাজারে বহু বছর ধরে জরাজীর্ণ ঝুঁকিতে গুরুত্বপূর্ণ একমাত্র যাত্রী ছাউনি