ঠাকুরগাঁওয়ে গণহত্যা ও গণকবরের অজানা বিষয়ে গবেষণা করছেন ফারজানা হক
বাংলাদেশের এমন কোন গ্রাম নেই যেখানে পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা, নির্যাতন চালায়নি। এসব গণহত্যা সংগঠিত হওয়ার পর শহীদদের গণকবর দেওয়া হতো। অনেক গণকবর পড়ে আছে অবহেলায়। মুক্তিযুদ্ধের পর বিভিন্ন সময় রাষ্ট্রীয় অবহেলার ধ্বংস হয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলার গণকবর বধ্যভূমি ও শহিদ মুক্তিযুদ্ধাদের কবর ও স্মৃতিময় স্থান। ফলে যেখানে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে কবর দেয়া হয়েছিল, সেখানে আজ কোন স্মৃতি চিহ্ন নেই। আর এ সকল স্মৃতিকে চিিহ্নত করতে গণহত্যা ও গণকবরের অজানা তথ্য খুজে বের করতে ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যতিক্রমী গবেষনা করছেন ফারজানা হক। যে সকল গণকবরের এখনও রাষ্ট্রিয়ভাবে সন্ধান মিলেনি সে সমস্ত গণকবর খুঁজে বের করতে কাজ করে চলেছেন তিনি।
ফারজানা হক স্বর্না পৌর শহরের সরকারপাড়া মহল্লার স্বনামধন্য এ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক ও গড়েয়া ডিগ্রী জলেজের উপধ্যক্ষ সাহানা জেসমিন আখতারের কন্যা। স্বর্নারা ৪ বোন। তার স্বামী সফিকুল ইসলাম হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। ২০০৬ সালে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। ২০০৮ সালে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। ২০১২ সালে ১ম বিভাগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও একই প্রতিষ্ঠান থেকে ১ম বিভাগে স্নাতকোত্তর পাশ করেন। বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে গবেষনারত। সেখানে বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার মুক্তিযুদ্ধের গণহত্যা ও গণকবর বিষয়ে এমফিল করছেন। তার কিছু লেখা ইতিমধ্যে জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। পেশাগত জীবনে তিনি জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার রতœাই বোগুলাবাড়ি স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক। স্বর্না ছোট বেলা থেকেই নাচ, গান, কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন। টিভিতে বেশ কিছু নাটক ও উপস্থাপনাও করেছেন। ২০০৯ সালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র থেকে সেরা সদস্য নির্বাচিত হন তিনি এবং ২০১১ সালে ২নং রমনা ব্যাটেলিয়নের আওতায় আয়োজিত ক্যাপসুল ক্যাম্পে বেস্ট ক্যাডেট হিসেবে পুরস্কৃত হন।
ফারজানা হক বলেন, বাঙ্গালি জাতীর ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ অধ্যায় হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। এই মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাংলার মাটিতে যে নৃসংশতম হত্যাকান্ড ঘটিয়েছিল তা ছিল বিংশ শতাব্দীর মধ্যে অন্যতম গণহত্যা। কবি সিকান্দার আবু জাফর তার রচিত কবিতায় লিখেছিলেন,‘গ্রামে গ্রামে আজ বধ্যভূমি’। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হচ্ছে, বই পত্র প্রকাশিত হচ্ছে। প্রকাশিত বই পত্রে মুক্তিযুদ্ধের গৌরব গাঁথা যতোটা আলোচিত হয়েছে সে তুলনায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা সম্পর্কে তেমন বিশেষ বইপত্র প্রকাশিত হয়নি। এমনটি চলতে থাকলে এমন একদিন আসবে যেদিন কেউ বিশ্বাসই করতে চাইবেনা এদেশে কখনও কোন গণহত্যা হয়েছিল। জাতীয় ইতিহাস রচনায় দেশ জাতি গঠনে গণহত্যার স্থান বধ্যভূমি গণকবর শহিদ ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের কবর চিহিৃত করে তা রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি তা স্থায়ী অবকাঠামো করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ধরে রাখতে হবে। এসব গনকরব চিহিৃত হলে একটি অঞ্চলের সাধারন মানুষের আতœত্যাগের বিবরণ উঠে আসবে। লিখিত হবে জন ইতিহাস।
এমএসএম / জামান
নাচোলে "প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায়" করণীয়, আর্থিক সহায়তা প্রদান ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত
রায়গঞ্জে জরাজীর্ণ ঘরের বাসিন্দা হাজেরা খাতুন পেলেন প্রশাসনিক সহায়তা
মৌলভী ধানাইড় সাইদুর রহমান নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত
বোদায় সরকারি সেবা প্রাপ্তিতে অনগ্রসরদের অধিকতর অন্তর্ভুক্তি শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
লামায় এনআইসি লেক গোল্ডকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের জমকালো উদ্বোধন
তেঁতুলিয়া থেকে পায়ে হেটে,টেকনাফে উদ্দেশ্যে টি এম খালিদ মাহমুদ প্রিজম
নন্দীগ্রামে সরকারী গাছ কাটা মামলার তদন্তকালে পুলিশের সামনেই বাদীকে হত্যা চেষ্টা
শতভাগ নিরপেক্ষ ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবেঃ গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক
আক্কেলপুরে গণভোটে উদ্বুদ্ধকরণে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত
শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চলের ৩৫টি গাছ প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি
সৌদি গিয়ে প্রাণ গেল পটুয়াখালীর প্রবাসী রফিকুলের
কেশবপুরে কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে খুলনার আদালতে যৌতুক ও নির্যাতনের মামলা