ইবি শিক্ষক সমিতির গুচ্ছতে না
গুচ্ছ পদ্ধতিতে যাওয়া, না যাওয়া নিয়ে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষক সমিতির সদস্যরা। শনিবার (২৩ মার্চ) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এই মতানৈক্য দেখা যায়।সভায় শিক্ষকদের একাংশ আসন্ন ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষা গুচ্ছে থেকে সম্পন্ন করার বিষয়ে মত দিয়েছেন। আবার অন্যপক্ষ গুচ্ছে না গিয়ে নিজস্ব পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়ে মতামত প্রদান করেন।সূত্র জানায়, গত ২৩ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে আসন্ন ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষে গুচ্ছ ভর্তি পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে এসে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষক সমিতি। এরপরেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গুচ্ছ পদ্ধতিতে গেলে ভর্তি কার্যক্রমে অংশ না নেয়ার ঘোষণাও দেয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) থেকে গুচ্ছ পদ্ধতিতেই ইবির ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। ইউজিসি ও সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় বিষয়টি এজেন্ডা আকারে আলোচনা করা হয়। এ সময় শিক্ষক সমিতির ১৫ সদস্যের কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক ছাড়া অন্যদের সাতজন গুচ্ছে না যাওয়ার পক্ষে এবং ছয়জন গুচ্ছের পক্ষে মত দেন। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে গুচ্ছে না যাওয়ার পক্ষে সিদ্ধান্ত হলে গুচ্ছে যেতে আগ্রহী পক্ষের ছয়জন ‘নোট অব ডিসেন্ট’ প্রদান করেন।নোট অব ডিসেন্ট প্রদানকারী শিক্ষকদের দাবি, যেহেতু গুচ্ছে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৫ হাজার ইবিকে কেন্দ্র হিসেবে পছন্দ দিয়েছে এবং শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে ইবিকে গুচ্ছে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনার বিষয় উল্লেখ করে গুচ্ছের আহ্বায়ক অনুরোধ করেছেন। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে গুচ্ছ থেকে বের হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মামুনুর রহমান বলেন, গত ২৩ জানুয়ারি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকেই সিদ্ধান্ত হয়েছে। অর্থাৎ গুচ্ছে না যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে শনিবার অনুষ্ঠিত সভায় ৬ জন নিজস্ব পদ্ধতিতে থাকার বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট তথা দ্বিমত পোষণ করেন।শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, গঠনতান্ত্রিক বাধ্যবাধকতা থাকায় সভাপতি হিসেবে আমি কোনো পক্ষে মত দিতে পারি না। নিয়ম সংখ্যাগরিষ্ঠ মতই সিদ্ধান্ত। তবে একজন শিক্ষক হিসেবে আমি মনে করি, বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবং গুচ্ছে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে গুচ্ছে অংশ নেওয়া উচিত। এখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে।উল্লেখ্য, এর আগে গত ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে নানা ভোগান্তির প্রেক্ষিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন মহল নিজস্ব পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছিল। পরে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি প্রথম দিকে গুচ্ছের বিপক্ষে অনড় অবস্থান নিলেও পরবর্তীতে শর্তসাপেক্ষে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে। পরবর্তীতে ২০২২-২৩ শিক্ষবর্ষে ইবির সিন্ডিকেট সভায় নিজস্ব পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচিও প্রকাশ করা হয়। তবে পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির আদেশের পর ফের গুচ্ছে অংশ নিয়েছিল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
এমএসএম / এমএসএম
জকসুর ২৩ কেন্দ্রের ফল, ফের ভিপি-জিএস-এজিএসেে এগিয়ে শিবির
জকসুর ৮ কেন্দ্রের ফল প্রকাশ, ভিপি পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
প্রধান শিক্ষককে অবৈধভাবে সাময়িক বহিষ্কারসহ অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
শেষ হলো জকসু নির্বাচন, শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস ছাড়ার নির্দেশ
জকসু নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী শিক্ষার্থীরা
জকসুর ভোটগ্রহণ শুরু
নতুন বইয়ে উচ্ছ্বাস প্রাথমিকের শিশুদের, অপেক্ষায় মাধ্যমিক শিক্ষার্থীরা
শেকৃবিতে নিয়োগের সিন্ডিকেট সভা ঘিরে মারামারি
বুধবারের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা স্থগিত, নতুন তারিখ ৫ জানুয়ারি
জকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
বাকৃবিতে আহকাবের উদ্যোক্তাবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
জকসু নির্বাচন: ভোটকেন্দ্রে ছাত্র সংগঠনের নেতাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা