শিবচরে তরমুজের দাম গত বারের তুলনায় বিক্রি নেমেছে অর্ধেকে

শিবচর উপজেলায় তরমুজের চাহিদা সাধারণ মানুষের কাছে বরাবরই ছিল শীর্ষে। একটি তরমুজ ৬/৭ জনের একটি পরিবারের চাহিদা বেশ ভালো ভাবেই মেটাতে পারে। মৌসুমী এ ফল ঘিরে সবসমই ছিল সাধারণ মানুষের বিশেষ আগ্রহ। তবে চলতি বছর অস্বাভাবিক দামের কারণে বাঙালির প্রিয় ফলটি অনেকেরই ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। অনেকে অস্বাভাবিক এ দামের কারণে সামর্থ থাকার পরও তরমুজ কেনা থেকে বিরত রয়েছেন। তাদের দাবি,'মাঝারি সাইজের একটি তরমুজ ৫/৬ শত টাকা দিয়ে কেনার কোন অর্থ নেই!'
এদিকে গত দুইদিন আগে দাম কিছুটা কমলেও বুধবার (২৭ মার্চ) পাইকারি বাজারে পিচ প্রতি ৫০/৬০ টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছে খুচরা বিক্রেতারা। তবে গত মৌসুমের তুলনায় চলতি মৌসুমে তরমুজ বিক্রি অর্ধেকে নেমেছে বলে শিবচর পৌর বাজারের একাধিক তরমুজ বিক্রেতা জানিয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রমজানের শুরু থেকেই বাজারে আকাশচুম্বী দাম নিয়ে হাজির হয় মৌসুমী ফল তরমুজ। বাজারে বিক্রি কম হলেও রমজানের প্রথম দিকে এক শ্রেনির মানুষের ইফতারে যোগ হয় ফলটি। তবে অস্বাভাবিক দামের কারণে সমাজের বড় একটি শ্রেণি ব্যর্থ হয় তরমুজ কিনতে। এর পর অনেকের মধ্যেই তরমুজের প্রতি অনীহা তৈরি হয়। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও দাম না কমায় কমে যায় বিক্রিও। গত ৪/৫ দিনে দাম কিছুটা কমে যায় তরমুজের। খুচরা বিক্রেতারা জানান,দুই সপ্তাহ আগে যে তরমুজ ৮শত টাকায় বিক্রি হয়েছে, তা ৪/৫ শতে নেমে এসেছে। তবে গত বছর এই তরমুজের দাম ছিল দুই শত পঞ্চাশ টাকার মতো। তরমুজের দাম বেশি হওয়ায় বিক্রি অনেক কমে গেছে।
রফিকুল ইসলাম রাজা নামের এক ক্রেতা জানান,'বাজারের বিভিন্ন দোকানে ঘুরে ফিরে শুধু দরদামই করছি। কেনার সাহস পাচ্ছিনা। দোকানিরা বলছে,দাম একটু কমেছে। কিন্তু তারপরও কম বলতে যা বুঝায় তা তো দেখছি না।'অপর ক্রেতা মিঠুন বিশ্বাস বলেন,'মাঝারি সাইজের একটি তরমুজ কিনেছি চারশত টাকা দিয়ে। গতবারের তুলনায় দাম দেড়গুণ বেশি।'বাজার ঘুরে ক্রেতাদের সাথে আলাপ করলে তারা জানান,'দাম অনেক বেশি। রমজানকে পুঁজি করে বিক্রেতারা দাম বাড়িয়েছে। সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে এখন তরমুজ! বাচ্চাদের জন্য মাঝে মধ্যে কিনতে হচ্ছে।'
বিক্রেতারা বলেন,'গত বারের তুলনায় চলতি বছর তরমুজ বিক্রি কমেছে অনেক। দাম বাড়ায় ক্রেতারা তেমন কিনছে না। গত কয়েকদিন আগে পাইকারী বাজারে পিচ প্রতি ১শত থেকে দেড়শত টাকা কমেছিল। তবে শনিবার আবার বেড়েছে। প্রতি পিচে ৫০/৬০ টাকা বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও বেড়েছে। শিবচরে তরমুজ আসে মস্তফাপুর, বরিশাল ও গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থান থেকে।পরিবহন খরচও বেশি। সব মিলিয়ে খুচরা বাজারে দাম তুলনা মূলক বেশি।
রোকন নামের এক ব্যবসায়ী বলেন,'আমরা বেশি দামে কিনে আনি। তাই বেশি দামেই বিক্রি করতে হয়। শনিবার বাজারে দাম বেশি। বিক্রি আগের চেয়ে কম। তবে রমজানে বিকেলের দিকে একটু বিক্রি বাড়ে।'
মো.শাহআলম নামের আরেক বিক্রেতা বলেন,'এ মৌসুমে দৈনিক ৫০/৬০ পিচের বেশি বিক্রি করতে পারছি না। গতবার দৈনিক ১শত পিচ বিক্রি হয়েছে এসময়। বিক্রি গতবারের তুলনায় অনেক কম হচ্ছে এখন।'শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,'বাজার নিয়ন্ত্রণে
আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করছি। বিক্রেতাদের দাম বাড়ানোর প্রবণতা রয়েছে এখানে। শুধু রমজান মাসই নয়। সব সময়ই আমাদের মনিটরিং থাকবে।
এমএসএম / এমএসএম

গুমে জড়িতদের ভোটের আগেই বিচার দাবি স্বজনদের

নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে কোটালীপাড়ায় বিক্ষোভ সমাবেশ, জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবি

পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে কাজ করেছে সেনাবাহিনী

ভিপি নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

শিবগঞ্জে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

বেনাপোল সীমান্তে গলায় ফাঁস দেয়া যুবকের পরিচয় মিলেছে

সিংগাইরে ভিপি নুরের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাটে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

নরসিংদীতে র্যাবের অভিযানে জেল পলাতক আসামি গ্রেফতার

রাণীনগরে সুতি ও কারেন্টজাল জব্দ করে ভস্মিভূত

মেহেরপুর জেলা বিএনপির সম্মেলন-২০২৫ অনুষ্ঠিত

নির্বাচনের আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে: রফিকুল ইসলাম খান
