পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত রায়গঞ্জের দর্জি ও কারিগররা
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ৯টি ইউনিয়নের দর্জি শ্রমিক ও মালিকরা। চলছে রমজান মাস। ঈদ আর আসছে পহেলা বৈশাখ। তাই দর্জিপাড়া আর নতুন কেনা পোশাক ফিটিং এবং তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন রায়গঞ্জের দর্জি ও কারিগররা। এই দুই উৎসবের সাজ ও পোষাকের জন্য এখন দিন-রাতের ব্যস্ততা সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের দর্জি দোকান গুলোতে। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন হাটে বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, গ্রাহকের রুচি আর পছন্দের সাথে তাল মেলাতে ব্যস্ত পোষাক কারিগররা। সময় আর আধুনিকতা এসবের সাথে তাল মিলিয়েই নিত্য নতুন পোষাক তৈরিতেই এখন তাদের মনোযোগ। কখনও সালোয়ার কামিজ বা কখনো পাঞ্জাবি তৈরিতে মেশিনে অবিরত চলছে খরখর শব্দ। দর্জি পাড়ার কর্মব্যস্ত নারী-পুরুষ কর্মীরা। জমছে নতুন নতুন পোশাকের সারি। গ্রাহকের হাতে সময়মত প্রিয় পোশাক তুলে দিতে ব্যস্ত দর্জি-কারিগররা।রোজার প্রথমদিক থেকে কাপড় তৈরির অর্ডার নেওয়া হয় এবং ২৫ রমজান পর্যন্ত কাজ করা হয় বলে জানিয়েছে দর্জি মালিকরা। তালুকদার মাকের্টের মুক্তার টেইলার্সের কারিগর জানান, আমাদের আয়ের একটা বড় অংশ পাই ঈদকে ঘিরে পোষাক তৈরি করে। কিছুদিন পর ঈদ। ঈদে এবার মানুষ অনেক কাপড় তৈরি করতে দিচ্ছে। আশা করছি এবার ঈদ আমাদের ভালোই কাটবে।উপজেলার দুলাল মাহাতো, নিরেন মাহাতো, পলাশসহ অনেকেই বলেন, হাতে প্রচুর কাজ । এখন নিত্য নতুন ডিজাইন এসেছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ১২টি কাপড় সেলাই করছি। দিনে স্বভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি সময় ধরে কাজ করতে হচ্ছে। প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৮০০ টাকা মজুরি পাচ্ছি। আশা করছি গত বছরের চেয়ে এবার আমরা পরিবার নিয়ে ঈদ ভালোই কাটাবো।ঈদ উৎসবকে ঘিরে শুধু যে নামি-মমি টেইলার্স হাইজ গুলোই যে ব্যস্ত সময় পার করছে তা নয়। ঈদকে সামনে রেখে পাড়া মহল্লার ছোট ছোট দর্জি দোকান গুলোতে এখন চলছে রাত দিনের ব্যস্ততা। গ্রামেও বিভিন্ন দর্জি দোকান ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র। প্রতিটি দোকানে সেলাই কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে দর্জিরা। প্রত্যেক দর্জি দিন রাতে সমান তালে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা প্রতিদিন তৈরি করছেন অর্ডার করা পোশাক। উপজেলার পাইকড়া ও পশ্চিম লক্ষিকোলা বাজারের মিডিয়া টেইলার্স এর মালিক আইয়ুব আলী বলেন, আমি নিজেই অর্ডার নেই এবং নিজেই কাপড় তৈরি করি। এখন প্রত্যেক দিনই অর্ডার পাচ্ছি। বেশি তৈরি করছি মেয়েদের সালোয়ার কুর্তি আর ছেলেদের কাবলি, শার্ট, প্যান্ট। ঈদের আগে ভীড় বেশি হয় তাই অতিরিক্ত কারিগর নিয়োগ দেই। তবে এবার অর্ডার এতো বেশি যা ভাবতেও পারিনি। গত বছরের তুলনায় এবার কাজ বেশি থাকায় এবারের ঈদটা আশা করি পরিবার নিয়ে ভালো কাটবে।
এমএসএম / এমএসএম
‘এই মাঠে মাকে দেখছি দুইবার, এবার পুতরে দেখুম’
বোরো আবাদে স্বপ্ন বুনছেন বারহাট্টার কৃষকরা
তারাগঞ্জে রাসায়নিক সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির দায়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা
রামুতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে বিপুল অস্ত্রসহ ২ ডাকাত গ্রেফতার
সাভারে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ৬ দফা দাবীতে শ্রমিক নেতাদের সংবাদ সম্মেলন
আত্রাইয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
শিবচরে প্রস্তুত হচ্ছে বর্জ্য ব্যবস্থপনা ইউনিট, তৈরি হবে জৈব সার
কুমিল্লায় তারেক রহমান আগমন উপলক্ষে সমাবেশ মাঠ পরিদর্শন
রাজস্থলীতে জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় প্রতিরোধ সচেতনতামূলক সভা
চাঁদপুরের পাঁচটি আসনের প্রার্থীদের মাঝে প্রতিক বরাদ্দ
রাজশাহী-১ আসনে লড়াই হবে বিএনপি জামায়াতের
টাঙ্গাইলে ৮ আসনে এমপি প্রার্থী ৪৬ জন