কাস্টম কর্মচারী আব্দুল কাদের সাগরের এতো সম্পদের উৎস কোথায়
নাম আব্দুল কাদের সাগর। সরকারি কোনো চাকরিতে কর্মরত না থকলেও ছোটখাটো ব্যবসা করতেন তিনি। কমলাপুর কাস্টম হাউসের কর্মকর্তা মামুনের সঙ্গে পরিচয় হলে ঘুরে যায় ভাগ্যের চাকা। আলো আধারের মাঝে বিত্তবানদের কাতারে নাম লিখিয়ে সাগর মিয়া হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। তবে কাস্টম কর্মকর্তা মামুনই এখন সাগরের ঘারে নিশ্বাস ছাড়ছেন। সাগরের রয়েছে নান্দনিক ডিজাইনের বাড়ি ও গাড়ি ছাড়াও এফডিয়ারসহ নামে বেনামে ব্যাংক হিসাবে অনেক জামানতসহ ২টি রিসোর্টের মালিক।
তাঁর পরিচয় জানতে চাইলে কখনো কাস্টম হাউসে চাকরি করেন আবার ইমপোর্ট ব্যবসা করেন বলে জানান। চায়না থেকে হার্ডওয়ারের পণ্য আমদানি কারক হিসেবে নিজেকে জাহির করলেও কোনো কাগজ পত্র দেখাতে পারেননি। কোন শ্রেণির লাইসেন্স তাঁর, গোডাউন কোথায় এসব তথ্য গোপন করে আসছেন প্রথম থেকে। রাজধানী ঢাকার মান্ডায় জামাইরট্যাক একটি নান্দনিক ৮তলা ডুপ্লেক্স বাড়ি যা দেখে সাধারণের নজর কাড়ে। কেরানিগঞ্জ পানগাঁওয়ে দশকাঠার ওপর নির্মিত ৯ তলার নকশায় ২টি বাড়ির ৫ তলার কাজ চলমান রযেছে। এছাড়াও পঞ্চাশ বিঘার ওপর নির্মিত ২টি রিসোর্ট রযেছে যার বর্তমান বাজার মূল্য পাঁচ’শ কোটি টাকা। এছাড়া ব্যাংকে নগত টাকাসহ সঞ্চয়পত্র কেনা আছে। তাঁর গ্রামের বাড়ি শার্শায় অনেক সম্পদ রয়েছে। রাজধানী ঢাকা এবং পানগাঁওয়ের তিনটি বাড়ির বর্তমান বাজারমূল্য হিসেবে একশত কোটি টাকা। আবার ২০২৩ সালে বাংলাদেশ সরকারকে ষাট কোটি টাকা ট্যাক্স দিয়েছেন বললেও কোনো কাগজ পত্র দেখাতে অস্বীকৃতি জানান। পানগাঁওয়ের একটি বিশ্বাস্থ সূত্র বলছে তিনি কাস্টমে চাকরি করেননা কিন্তু‘ পি এন এফ ব্যবসার সাথেও জড়িত। তথ্য সূত্র বলছে তিনি চোরাকারবারির সাথে জড়িত থাকার কারণে অবৈধ সম্পদ অর্জন করে আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন। একাধিক সূত্র বলছে মামুনের হাত ধরে কাস্টমে প্রবেশ করলেও মামুনকে টেক্ব¡াদিয়ে পঞ্চাশগুন সম্পদ বাড়িয়েছেন। কে সেই মামুন আসতেছে পরবর্তী সংখ্যায়।
জানা গেছে আব্দুর কাদের সাগর যশোরের শার্শায় পৈত্রিক আবাস হলেও মান্ডার জামাইর ট্যাক এলাকায় বসবাস করেন। তিনি কমলাপুর কাস্টম হাউসের কর্মকর্তা মামুন মিয়ার হাত ধরে কাস্টমে পদচারণা শুরু করেন। মামুন মিয়া চাকরি জীবনে যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তার চেয়ে অনেকগুণ বেশি সম্পদের মালিক আব্দুল কাদের সাগর। একজন আমদানিকারক হিসেবে চায়না থেকে হার্ডওয়ার্ডারের পণ্য আমদানি করে বাংলাদেশের সব জেলায় সরবরাহ করার কথা স্বীকার করলেও কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এছাড়াও ঢাকা শহরে নাই কোনো শোরুম বা গোডাউন। ইতোপূর্বে রাজধানীর কমলাপুর কাস্টম হাউসে যাতায়াত থাকলেও এখন পানগাঁও কাস্টম হাউসে তাঁর বিচরণ। তিনি সাংবাদিকের সাথে এক আলাপচারিতায় বলেন ,আমার বৈধ ব্যবসা আমি ২০২৩ সালেও সরকারকে ষাট কোটি টাকা ট্যাক্স দিয়েছি। তাঁর বৈধ কাগজপত্র দেখাতে অস্বীকৃতি জানান, এবং নবাবপুর গোডাউনের ঠিকানা জানতে চাইলে গণমাধ্যমকে বলেন আমি দুইদিন পর আমার গোডাউনের ঠিকানা বলব। তিনদিন পর তার মুঠো ফোনে একাধিকবার ফোন দিলে ফোনকর গ্রহণ করছেন বা ক্ষুদেবার্তা পাঠালেও কোনো উÍত্তর দি”চেছনা। আপরাধ বিচিত্রার অনুসন্ধান অব্যহত আছে। তার সকল অনিয়ম ও চোরাকারবারির তথ্য অচিরেই বেরিয়ে আসবে। আব্দুল কাদেরের রিসোর্টের ছবি যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও ভাইরাল করার প্রমাণ রয়েছে। যা তাঁর নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে রযেছে। এসব জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য জানতে চেয়ে একাধিকবার তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে সে ফোনকল গ্রহণ করছেন না,বা ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও কোনো জবাব দি”চেছন না।
এমএসএম / এমএসএম
স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়ন উপলক্ষে ড্যাবের গোলটেবিল বৈঠক কাল
যৌথ উদ্যোগেই পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত ঢাকা গড়ে তোলা সম্ভব: ডিএনসিসি প্রশাসক
সূত্রাপুরে রাজউকের অভিযানের পরও বহুতল ভবনের কাজ অব্যাহত, রফাদফার অভিযোগ
রাজউকের অভিযানে ১০ ভবনের আংশিক অপসারণ
শারীরিক ও মানসিকভাবে গুরতর অসুস্থ ব্যক্তিকে চাপে ফেলে সম্পদ-সম্পত্তি দখলের মহোৎসব
ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিংয়ে বিদেশি মালিকানা, কর্মবিরতির হুঁশিয়ারি
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে দুদকের এনফোর্সমেন্ট অভিযান
বিএমএসআরআই দখলের প্রতিবাদ ও হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়নের দাবি
ডিএনসিসিতে বর্জ্য পরিবহনে যুক্ত হলো ৫ নতুন ট্রাক
মুগদায় মাদকবিরোধী সমাবেশ ও দোয়া মাহফিল: দুই মাদক কারবারিকে এলাকা ছাড়া করল জনতা
হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর ধারাবাহিক হামলার প্রতিবাদে ড্যাবের নিন্দা ও আইন প্রণয়নের দাবি
দক্ষিণ ঢাকায় চাঁদাবাজি রোধে ইতিবাচক পরিবর্তনের দাবি ফুটপাত ব্যবসায়ীদে