ঢাকা মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

পানিবন্দি বাঘার চকরাজাপুর ইউনিয়ন


বাঘা প্রতিনিধি photo বাঘা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১-৮-২০২১ দুপুর ৪:৬

পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধিতে রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর ইউনিয়নের প্রায় সবকটি গ্রামসহ হাট-বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অপরদিকে নদীভাঙনের ফলে দুর্ভোগ বেড়েছে সেখানকার মানুষের। বাঘা উপজেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৩নং পাকুড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব-দক্ষিণের গোকুলপুর (হাজরাপাড়া) এলাকা থেকে শুরু করে চকরাজাপুর ইউনিয়নের উত্তর-পশ্চিম দিকে পলাশী ফতেপুর, হবিরচর পর্যন্ত প্রায় ২০ কি.মি এলাকাজুড়ে একটানা ভেঙে যাচ্ছে। বন্যা আর ভাঙনের সাথে প্রতিক্ষণ যুদ্ধ করে বসবাস করছেন এলাকার মানুষ। ভয়ংকর রূপ দেখে এলাকাবাসী আশঙ্কা করছে গত কয়েক বছরের তুলনায় পরিস্থিতি এ বছরে বেশি ভয়াবহ হতে পারে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রক্ষার চেষ্টা করছে। সেখানকার পানিবন্দি ও ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছে ।

চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আজিজুল আযম জানান, তার ইউনিয়নটি যোগাযোগ বিছিন্ন চরাঞ্চলে অবস্থিত। পদ্মা নদীর পানি বাড়ার কারণে ইউনিয়নের কালিদাসখালী, পলাশী ফতেপুর, লক্ষ্মীনগর ও দিয়াড়কাদিরপুর, আতারপাড়া, চৌমাদিয়া, উদপুর, দাদপুর, চকরাজাপুর বাজার, দুটি উচ্চ বিদ্যালয়, ৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ চর এলাকার অধিকাংশ এলাকায় এখন বন্যার পানি। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার পরিবার। তলিয়ে গেছে ইউনিয়নের প্রায় ৬০ ভাগ জমির ফসল ও গাছপালা। ভাঙনে অনেকে হারিয়েছে বাপ-দাদার বসতভিটা। চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ভাঙনের দূরত্ব ৫০ মিটার। এছাড়া চকরাজাপুর কমিউনিটি ক্লিনিক পদ্মার ভাঙনে হুমকির মধ্যে পড়েছে। উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার দিলরুবা ইয়াসমিন চর‍াঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোর বর্তমান অবস্থা স্বচক্ষে দেখার জন্য পরিদর্শন করেছেন।

সরেজমিন বৃহস্পতি ও শুক্রবার (১৯ ও ২০ আগস্ট) ভাঙন ও বন্যাকবলিত এলাকায় দেখা গেছে, পানিবন্দি হয়ে পড়া মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। কিছু এলাকায় রান্নার চুলাও জ্বলছে না। ভেঙে পড়েছে স্যানিটেশন ব্যবস্থা। বেড়েছে সাপ ও ইঁদুরের উপদ্রব। গবাদিপশুর খাদ্য সংকটে ভুগছেন পশু পালনকারীরা। ডুবে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা। এসব স্থানে দাঁড়িয়ে অনেককে খেপলা জাল দিয়ে মাছ ধরতে দেখা যায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা জানান, চরাঞ্চলের পানিবন্দি পরিবারগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছে। আমি সরেজমিন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় ১০ টন চাল ও নগদ ২ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। শুক্রবার চকরাজাপুর ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের ৫০০ পরিবারের মাঝে ৫০০ ব্যাগ চালসহ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চলমান থাকবে।

রাজাশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম শেখ এই প্রতিবেদককে বলেন, পদ্মা নদীর পানি এখনো বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার বাকি সব নদীর পানি অন্য বছরের তুলনায় এবার এখনো কম আছে। তবে তিস্তার পানি চলে ‍এলে বিপজ্জনক হতে পারে।

এমএসএম / জামান

শ্রীমঙ্গলে শ্রীশ্রী প্রভু জগদ্বন্ধু আশ্রম ও মিশন পরিদর্শনে ভারতের সহকারী হাই-কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস

৩১৫ কেজি পলিথিন জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

মাদকসেবনের দায়ে যুবকের জেল-জরিমানা

সমবায়ের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান, কাউনিয়ায় বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়া সঙ্গীত নিকেতন এর বার্ষিক সঙ্গীত সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

শিবচরের পাঁচ্চর বাজারে অভিযান, ১৬ হাজার টাকা জরিমানা

মাদারীপুরে ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেফতার

রাণীশংকৈলে ৩দিন ব্যাপি কৃষি-প্রযুক্তি মেলা

বটিয়াঘাটা সালেহা হত্যা মামলার পলাতক আসামি সিজার গ্রেফতার

মাগুরায় ১৫০ মিটার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন, মনোয়ার হোসেন

শেরপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'চেষ্টা'র উদ্যোগে দুই গৃহহীন নারী পেলেন বাড়ি

নওগাঁ জেলা এ্যাডভোকেট বার এ্যাসোসিয়েশন নির্বাচন

নন্দীগ্রামে মাদক ও ওয়ারেন্ট মূলে গ্রেফতার ৭