বাকলিয়া সৎসঙ্গ বিহারের স্টেট অফিসারকে অপহরণ করে চাঁদা দাবির অভিযোগ
চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া সৎসঙ্গ বিহারের স্টেট অফিসার পলক ধরকে জিম্মি করে চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। সূত্রে জানা গেছে, ১৬২১ রেজিস্ট্রািকৃত বায়না দলিলের ভুলের কথা বলে মোহাম্মদ আলী নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে ডেকে নিয়ে একটি অপরাধ চক্র সৎসঙ্গ বিহার বাকলিয়া চট্টগ্রামের স্টেট অফিসার পলক ধরকে অপহরণ করে ।
অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী মিয়া, সাং মাদাশা হাটহাজারী, মোহাম্মদ সেলিম, সাং বাকলিয়া, মোঃ শওকত সাং বাকলিয়া, মোঃ লাভু সাবেক কাউন্সিলর অপহৃত পলক ধরের কাছ থেকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ছয়টি নন জুডিশিয়াল খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে সোনালী ব্যাংক লালদীঘি শাখার দুইখানা বত্রিশ লাখ টাকার চেক নেন এবং নগদ এক লক্ষ টাকা মুক্তিপণ নিয়ে অপহরণকারীদের জিম্মি দশা থেকে পলকধরের স্ত্রীর সহযোগিতায় ঘটনার দিন রাত ৭টা ৫০ মিনিটে মুক্তি পান। গত ৫ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন কবি নজরুল ইসলাম সড়কের রাজ হোটেল সংলগ্ন কথিত আলি বিল্ডিং নামীয় বিল্ডিংয়ের নিচ তলার একটি রুমে এই ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদ আলী মিয়া, মোহাম্মদ সেলিম মোঃ শওকত মো. লাভু এই ৪ জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাত নামা ব্যক্তিগনের বিরুদ্ধে অপহৃত পলক ধর মামলা করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী ও বিচারিক আদালত-১ সি. আর মামলা নং ১৩৭১/২০২৪ (কোতোয়ালি থানা)।বিজ্ঞ আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)কে এক মাসের মধ্যে তদন্তের নির্দেশ দেন। নগরীর বাকলিয়ার স্থায়ী বাসিন্দা এজাহার মিয়া আর এস পিএস এবং বি এস খতিয়ানের রেকর্ডিয় মালিক ছিলেন, তার জীবদ্দশায় তার পাঁচ পুত্রের নামে প্রায় তেত্রিশ কানি ভূমি রেজিস্ট্রিকৃত দান পত্র দলিল মুলে হস্তান্তর করেন। পরবর্তীতে তার পাঁচ পুত্র তাহাদের নামে নামজারি খতিয়ান নং ১৭২০ সৃজন করিয়া ভোগ দখলে থাকা অবস্থায় তাদের অপর ভাই নুরুল হুদার টাকার বিশেষ প্রয়োজনে জনৈক জাবেদ বিন মাহমুদ থেকে সাত কোটি টাকার চেক জমা রেখে রেজিস্ট্রিকৃত ১৪১০২ নং আমমোক্তারনামা দলিল মূলে তার প্রাপ্য অংশ হস্তান্তর করেন। মামলার বাদীর খরিদা মালিকানাধীন জায়গা বিক্রয় করার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তির বরাবরে জায়গার কাগজের ফটোকপি প্রদান করেন। অনুরূপভাবে এজাহারভুক্ত দুই নং আসামী মোহাম্মদ সেলিম ও ৩ নং আসামি মোহাম্মদ শওকতের মারফৎ ১নং আসামী মোহাম্মদ আলী মিয়ার বরাবরে বাদী তার জায়গার কাগজ পত্র প্রদান করেন। এক পর্যায়ে গত ৫ জুন সন্ধ্যায় বাদীকে জায়গার মূল কাগজপত্র নিয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলিলে বাদী ১-৪নং আসামীগণের কথামত ১নং আসামীর বর্তমান ঠিকানায় উপস্থিত হন। এক পর্যায়ে ১-৪নং আসামীগণ বাদীর মূল কাগজপত্র দেখে জায়গার দরদাম নির্ধারণ করার জন্য বলে। বাদী জায়গার পূর্ব নির্ধারিত দাম ব্যতিত বিক্রী করিবে না বলিলে ১-৪নং আসামীগণ পূর্বক নির্ধারিত দাম ব্যতিত তাহাদের নির্ধারিত নামমাত্র মূল্যে সম্পত্তি বিক্রী করিবার জন্য বাদীর খরিদা গত ২৮ মার্চ ১৬২১ নং বায়না দলিলের বায়ানো ২০১২ সালে রেজিষ্ট্রীকৃত ১৪১০২ নং দলিলের তপশীলের বি. এস. দাগ ভুলের বেআইনি অজুহাত সৃষ্টি করে ১নং আসামী বাদীর প্রতি অমানসিক নির্যাতন ও চাপ প্রয়োগ করেন এবং খালি নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর দিতে বাঁদিকে বাধ্য করেন।
এমতাবস্থায় বাদী ১-৪নং আসামীগণের নিকট সম্পত্তি বিক্রী করিবে না বলিয়া জায়গার মূল কাগজপত্র ১নং আসামীর নিকট ফেরত চাহিলে উপরোক্ত ১-৪নং আসামীগণ বাদীকে অমানসিক নির্যাতন করাসহ রাখিয়া ৩৩,০০,০০০/- (তেত্রিশ লক্ষ) টাকা চাঁদা সকল আসামীগণকে প্রদান করার জন্য মামলার বাদীকে চাপ প্রয়োগ করিয়া এক পর্যায়ে বাদীর স্ত্রীকে ফোন করিতে বাধ্য করেন। বাদী নিরুপায় হয়ে বাদীর নিজ ব্যবহৃত ০১৮১৮৯৯১১০৭ মোবাইল নাম্বার থেকে তার স্ত্রীর ব্যবহৃত ০১৮২৪৯২২৪৪৪ নং মোবাইল নাম্বারে ফোন করিয়া বাদী তাহার স্ত্রীকে চেক বই ও নগদ ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা নিয়ে ঘটনাস্থলে আসিতে বলেন।
এক পর্যায়ে ১-৪নং আসামীগণ বাদীর ব্যবহৃত মোবাইল সহ জায়গা জমির অপরাপর সকল কাগজপত্র জোরপূর্বক চিনিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম গ্রহণ করেন। ১নং আসামী ধারালো একখানা ছুরি বাদীর গলা বরাবর তাক করিয়া বাদীর নিকট রক্ষিত দুইটি বাদীর নামীয় সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, লালদিঘী শাখা, চট্টগ্রাম এর হিসাব নং- ১০০৯০২৪০০০৪৭৯ এর চেক নং- ১) ঈঊ ৫০৯৯১৭৯৫৬, ২) ঈঊ ৫০৯৯১৭৯৫৭ নম্বরের ২টি চেক অধীন বাদীকে প্রাণে হত্যার হুমকি দেখাইয়া জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেন। এক পর্যায়ে ১ ও ২নং আসামীগণ তাহাদের নিকট রক্ষিত ৬টি নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প যাহার প্রতিটি ১০০/- টাকা মূল্যমানের, তার ২নং আসামী বাহির করিয়া লয় এবং ১নং আসামী পুনরায় ধারালো ছুরি বাদীর গলায় চাপিয়া ধরিয়া উক্ত ৬টি ১০০/- টাকার নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে বাদীকে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করেন এবং ১নং আসামী বলিতে থাকেন যে, যদি ষ্ট্যাম্পে বাদী স্বাক্ষর প্রদান না করে তাহলে ১নং আসামী বাদীর শিরচ্ছেদ করিবে মর্মে হুমকি প্রদান করায় বাদী বাধ্য হয়ে প্রাণ ভয়ে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য হন। এবং নগদ টাকা চেক নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিয়ে অপহৃত সংখ্যালঘু পুলকধর অবশেষে মুক্ত হন বলে দাবি করেন মামলার বাদী। বিষয়য়ে বক্তব্য জানার জন্য সাবেক কাউন্সিলর লাভুর সাথে যোগাযোগ করা হলে মোবাইলে পাওয়া যায়নি।
এমএসএম / এমএসএম
ঐক্যবদ্ধ বিএনপিকে কেউ পরাজিত করতে পারবে না: মনোহরগঞ্জে মো. আবুল কালাম
কসবায় ‘বি-স্ট্রং’ প্রকল্পের আওতায় উন্নতমানের বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণের লক্ষ্যে সীড ভিলেজ প্রদর্শনী স্থাপন
৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কুষ্টিয়ায় সরকারি কর্মচারীদের টানা তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
বিলাইছড়ি ও কেংড়াছড়ি ইউনিয়নে ভিডব্লিউবি বিতরণ
রাজশাহী-১ (তানোর–গোদাগাড়ী) আসনে দ্বিমুখি লড়াইয়ের আভাস
ভোট একটি পবিত্র আমানত, এটিকে আমরা পবিত্র জায়গায় রাখবো: মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম
রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়ায় সূর্যব্রত মেলায় অনিয়ম অতিরিক্ত সিন্ডিকেট চাঁদাবাজি চলছে
সাভারের হেমায়েতপুর বাস স্ট্যান্ড এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক।*
কুড়িগ্রামে নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ে দুই দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদপত্র বিতরণ
দ্বিতীয় বিয়ের প্রতিবাদ করায় স্ত্রীর মুখে ছুরিকাঘাত, সেই যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সাটুরিয়ায় মানববন্ধন
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে সেনাবাহিনী প্রধানের ময়মনসিংহে মতবিনিময়