থানায় পুলিশ থাকলেও মাঠপর্যায়ের সংখ্যাটা কম
গত ৫ আগস্টের আগে বিভিন্ন সড়কে ও মহল্লায় মহল্লায় যেমন টহলে পুলিশ দেখা যেতো এখন আর তেমন দেখা যাচ্ছে না। পুলিশের মনোবল ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আগের মতো আবারো পুলিশের সেবা পেতে চায় সচেতন নাগরিকরা। একটি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকে সবার আগে পুলিশ। নাগরিক সেবায় এর অন্যকোনো বিকল্প নেই বলেও জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশের মনোবল বৃদ্ধির জন্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ বলে মনে করেন সচেতন মহল।
৫ আগস্ট মোহাম্মদপুর থানায় হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের বিষয়ে এখনো কোনো মামলা হয়নি। পুড়ে যাওয়া থানায় নেই কোনো আসবাবপত্র। পোড়োবাড়ির ভিতর থেকে এখনো পোড়া গন্ধ বের হচ্ছে। এরমধ্যেই চলছে পুলিশের সেবা। এই পরিস্থিতিতেও প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টি জিডি অভিযোগসহ ও মামলা হয়ে থাকে।
থানায় হামলা, ভাঙচুর, অস্ত্রলুট ও অগ্নিসংযোগের মামলার বিষয়ে কয়েকজন পুলিশ সদস্যর সাথে আলাপকালে জানা যায়, এ বিষয়ে এখনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশ আসেনি।
আওয়ামী লীগ সরকারের বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে দলের সভাপতি যখন দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই কিছু দুষ্কৃতকারীরা ঝাঁপিয়ে পড়ে থানাপুলিশের উপর। চলে হত্যা, লুটপাট, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ। এতে অনেক পুলিশ সদস্যকে জীবন দিতে হয়েছে। আহত অবস্থায় হাসপাতালের বিছানায় অনেক সদস্য।
৫ আগস্ট সন্ধ্যা থেকে রাতভর মোহাম্মদপুর থানায় ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। সেই সাথে পুলিশের মোটরসাইকেল গাড়িসহ কয়েকশো অস্ত্র লুটপাট করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পুলিশ সদস্য বলেন, এই থানার প্রায় ৫ কোটি টাকার কমবেশি ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত পুলিশের বসার তেমন কোনো ব্যবস্থা হয়নি। তার মধ্যেও ১৫০ থেকে ২০০ নিয়মিত জিডি এবং অভিযোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
এই থানাটি রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ থানা। কর্তৃপক্ষের এই থানাটি দ্রুত সংস্কার করা দরকার। পুলিশের ডিউটি করার জন্য যেমন সংস্কার দরকার তেমনি দরকার কর্ম পরিবেশ। মোহাম্মদপুর থানার জরুরী ডিউটি করার ৮টি গাড়ির মধ্যে ৪ টি গাড়িই জ্বালিয়ে দেয়া হয়।
এ ছাড়াও অগ্নি সংযোগ করা হয় পুলিশের বিভিন্ন দপ্তরের কয়েকটি গাড়িতে। পুলিশের জরুরী ৮ টি গাড়ির মধ্যে সেদিন ৪ টি গাড়িই পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বাকি ৪ টি গাড়িও ব্যাবহারের অনুপযোগী। এ অবস্থাতেও থেমে নেই পুলিশের সেবা।
বিজলি মহল্লার এক ব্যবসায়ী অভিযোগের সুরে বলেন, আমার অফিসে কয়েকদিন আগে কয়েকজন যুবক ঢুকে পড়ে। অফিসে ঢুকে তারা তাদের মতো মিটিং করলো, সবারই কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। এটা দেখার পর আমি ভয়ে বাহিরে গিয়ে দাড়িয়ে ছিলাম। তবে তারা আমাকে কিছু বলেনি। তারা তাদের মতো মিটিং করে বের হয়ে গেছে। এই ব্যবসায়ী বলেন, গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি ওই এলাকায় পুলিশের গাড়ি দেখেননি। তিনি বলেন, আমার অফিসের সামনে দিয়ে প্রতিদিন একবার না একবার পুলিশের যাতায়াত দেখতাম। তবে এখন আর দেখিনা।
সাধারণ মানুষের অধিকাংশ চাচ্ছেন আগের মতো পুলিশের সরব উপস্থিতি। ৫ ই আগস্টের পর থেকে পুলিশের অভাব প্রায় প্রতিটি নাগরিকই অনুভব করছে। স্থানীয়রা বলছেন পুলিশ থাকায় নিশ্চিন্তে রাতে ঘুমাতে পারতাম। জীবনের একটা নিরাপত্তা ছিলো। কিন্তু আজকাল ঘুমতো দুরের কথা, নিশ্চিন্তমনে কর্মক্ষেত্রে কাজও করতে পারছিনা। সব সময় আতঙ্কে থাকতে হয় বাসায় স্ত্রী-সন্তানদের নিরাপত্তার কথা ভেবে।
জামিল আহমেদ / জামিল আহমেদ
রহমত উল্লাহ কলেজের শিক্ষক প্রতিনিধি হলেন ওয়ালিয়ার রহমান
সেন্টার ফর সিটিজেনস রাইটস (সিসিআর)-এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন
রাজধানীতে আনসারের তৎপরতায় ভোররাতে অটোরিক্সা ছিনতাই প্রতিরোধ; তিন ছিনতাইকারী আটক
রূপায়ণ সিটি ও ঢাকা স্পেশালাইজড হাসপাতালের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
রাজধানীর তুরাগে বস্তিতে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট
ঢাকায় বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস উদযাপিত হয়েছে
সেলিম প্রধানের মুক্তির দাবিতে এবার নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন
করের বোঝা ও খাদ্যের আকাশচুম্বী দাম: ধ্বংসের মুখে ৫০ হাজার কোটি টাকার পোল্ট্রি শিল্প
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিল পুনর্গঠন ঘিরে আলোচনা, চেয়ারম্যান নিয়োগে মতভেদ
রূপায়ণ হাউজিং এস্টেটের সিইও সাব্বির হোসেন খান
মিরপুরে ভূমি সেবা সহজ করতে তথ্য সংগ্রহ ক্যাম্পের উদ্বোধন
উত্তরায় ফুটপাত দখলমুক্তে ডিএমপির অভিযান, আটক ৫