ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬

বেনাপোলে কাগজপত্রবিহীন বিপুল পরিমাণ ফেব্রিক্স আটক


সুমন হোসাইন, শার্শা photo সুমন হোসাইন, শার্শা
প্রকাশিত: ৩০-৯-২০২৪ রাত ৯:২৭

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের ১৭নং পণ্যাগার হতে শেড ইনচার্জ মতিনুল হকের যোগসাজশে শুল্ক ফাঁকি চেষ্টায় পণ্য পাচারকালে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ফেব্রিক্স জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

বেনাপোল বন্দর সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদীন ধরে একটি অসাধু চক্র বেনাপোল স্থলবন্দরের কতিপয় অসাধু কাস্টমস ও বন্দর কর্মকর্তার সাথে যোগসাজশে কোনো ধরনের ঘোষণা ছাড়াই ভারত হতে পণ্য আমদানি করে ও বিশেষ সুবিধায় বন্দর, কাস্টমস, শুল্ক গোয়েন্দাদের ম্যানেজ করেই দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্য পৌঁছে দিয়ে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে বন্দরের ১৭নং শেড হতে বাংলাদেশি খুলনা মেট্রো ট-১১-২১৬৭ নাম্বার ট্রাকে পণ্য লোডকালীন বেনাপোল কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার অথেলা চৌধুরীর নেতৃত্বে কাস্টমসের শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা চালানটি জব্দ করেন। ওই চালানে শার্টে রপিস, থ্রিপিস, শাড়ি ও প্যান্টের পিস রয়েছে বলে জানা গেছে। সংবাদ লেখাকালীন কাস্টমস কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে জব্দকৃত মালামালের ওজন নির্ধারণের কাজ চলছিল।

অভিযুক্ত শেড ইনচার্জ মতিনুল জানান, সোমবার সকালে মিয়াম সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের আব্দুল্লাহ নামে একজন বর্ডারম্যান পরিচয়ে আমার উপস্থিতিতে পণ্যাগারে কাস্টমস কর্তৃক জব্দকৃত চালানটি ঢোকান। চালানটি এন্ট্রির পূর্বেই বাংলাদেশি ট্রাকে লোডরত অবস্থায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আটক করে। গণমাধ্যমকর্মীদের জব্দকৃত পণ্যের চালান সম্পর্কের বিষদ জানাতে তিনি অনীহা প্রকাশ করেন।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বেনাপোল স্থলবন্দরের পণ্য চালান আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) আজহারুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে তিনি পণ্যাগারটি পরিদর্শন করেছেন ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ মাল গণনার কাজ করছে। সাংবাদিকদের তথ্য দিতে অনীহা ও নিয়মবহির্ভূত কাজে শেড ইনচার্জ জড়িতের প্রশ্নে তিনি বলেন, এহেন কাজের দায়ভার শেড ইনচার্জ কোনো ভাবেই এড়াতে পারেন না।

উল্লেখ্য, বেনাপোল স্থলবন্দরের সাবেক ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রেজাউল ইসলামের দায়িত্ব পালনকালীন থেকে স্থলবন্দরে চাঁদাবাজি, পণ্য চুরি, ঘোষাণাবহির্ভূত আমদানি পণ্য পাচার কার্যক্রম বহুগুণ বেড়ে যায়। কিছুদিন পূর্বে শেড ইনচার্জ তাপস স্থলবন্দরের ২২নং শেড হতে ২২ লাখ টাকার কেমিক্যালপণ্য পাচারপূর্বক বিক্রি করেছেন বলে নিলাম ক্রেতা অভিযোগ জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে সরকার পতনের পর হতেই বেনাপোল স্থলবন্দর এলাকায় সরকারি রাজস্ব ফাঁকিতে জড়িতরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। 

বন্দরের বিভিন্ন পণ্যের শুল্ক ফাঁকি রোধে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) চৌকস কর্মকর্তাদের নজরদারি বৃদ্ধির কারণে বেনাপোল স্থলবন্দরে অনেক বড় শুল্ক ফাঁকির চালান আটক হচ্ছে। যেখানে কাস্টমস, শুল্ক গোয়েন্দা ও বিজিবি বা বিএসবি- এ ধরনের শুল্ক ফাঁকির চালান আটক করতে অক্ষম, সেখানে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের কর্মকর্তারা সক্ষম হচ্ছেন বা সফলতা দেখাচ্ছে এবং রাষ্ট্রের চালিকাশক্তি রাজস্ব আহরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। 
 

এমএসএম / জামান

লোগাংয়ে এম এন লারমা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

রৌমারীতে ফাঁসিতে ঝুলে এক নারীর আত্মহত্যা

লাকসামে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদ্যাপন

আদমদীঘিতে রাতভর উচ্চ শব্দে গান-বাজনা প্রতিকার করবে কে

মোরেলগঞ্জে আইডিয়াল জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন: ৬ নভেম্বর থেকে পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু

মনোহরদীতে এ্যাব মহাসচিবের উদ্যোগে নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত

গাজীপুরে জোড়া খুনের আসামি বরিশালে গ্রেপ্তার

রাজারহাটের ইউএনওর ছুটি নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ: সাংবাদিক ও সচেতন মহলে তীব্র সমালোচনা

যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা পালিয়ে গেল বাড়ির লোকজন

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে পিতা ও শিশুপুত্র নিহত

রাজশাহীতে উদীচীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন প্রগতিশীল সংস্কৃতির শক্তিতে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার প্রত্যয়

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গোরস্থানের ভেতর থেকে ১ কেজি ৩৩ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার

উল্লাপাড়ায় পানি সরবরাহ শুরুর আগেই পানির মিটার চুরি, শঙ্কায় গ্রাহক