নানামুখী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে লালমনিরহাটে প্রধান শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ ঘনেশ্যাম স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিন তার বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র হচ্ছে দাবি করে ষড়যন্ত্রের নিন্দা ও যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেল করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে প্রধান শিক্ষক মনির উপজেলার দক্ষিণ ঘনেশ্যামে তার নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দক্ষিণ ঘনেশ্যাম স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিন বলেন, গত ২২ অক্টোবর আমার প্রতিষ্ঠানে ঘটে যাওয়া সেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, যা আমার ৩৩ বছরের চাকরি জীবনে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে বড় দুঃখজনক ঘটনা। একদল স্বার্থলোভী ব্যক্তি এবং কিছুসংখ্যক শিক্ষক তাদের নিজ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কিছু সাধারণ শিক্ষার্থীকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আমার প্রতি, তাদের উগ্র আচরণ আমাকে ব্যথিত করেছে। ওই দিন সকালে আমি বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় কিছু কাগজ, নথিপত্র ও তথ্য সংগ্রহের নিমিত্তে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে আমার কার্যালয়ে ডাকি।
তিনি বলেন, তার সাথে কথাবার্তা চলাকালে হঠাৎ আমার প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক অধর চন্দ্র রায় কক্ষে প্রবেশ করেন এবং আমাকে অকথ্যভাষায় অপমান ও গালিগালাজ শুরু করেন। আমি এর প্রতিবাদ করলে আমার গায়ে হাত তুলে রুম থেকে বেরিয়ে যান। ওই সময় প্রতিষ্ঠানে এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষা ও অন্যান্য ক্লাস চলমান ছিল। অধর চন্দ্র ওই মুহূর্তে শিক্ষার্থীদের ডেকে আমার বিরুদ্ধে উস্কে দেন এবং আমার ওপর চড়াও হতে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তিনি (অধর) বহিরাগত কিছু গুণ্ডা খালেক, বারেক, আনোয়ার, রাজুকে নির্দেশ দেন আমাকে আক্রমণ করতে। ওই সময় আমাকে চেয়ার থেকে ধাক্কা দিয়ে মারতে উদ্যত হয়। আমার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নথীপত্রসহ আমার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।
তিনি আরো বলেন, আমি সাহায্যোর জন্য চিৎকার করলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী মোখলেসুর রহমান ও ল্যাব অ্যাসিস্টেন্ট আশরাফুল ইসলাম আমাকে সাহায্য করতে আসেন। ইতোমধ্যে বহিরাগত লোকদের বিভ্রান্তমূলক কথায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের নেতৃত্বে আমার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা আমার কার্যালয়ের দিকে তেড়ে আসে পরীক্ষা ও ক্লাস বর্জন করে। প্রতিষ্ঠানের একজন নারী কর্মচারীকে মারধর ও লাঞ্ছিত করে ও আমাকে সাহায্য করতে আসা মোখলেসুর রহমান ও আশরাফুল ইসলামকেও বেধড়ক মারা শুরু করে। ওই অবস্থা দেখে আমাদের চিৎকার শুনে আশপাশের কয়েকজন আমাদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন। কিন্তু আক্রমণকারীরা তাদের ওপরও চড়াও হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সেনাবাহিনীর সহায়তায় পরিস্থিতি শান্ত হয়।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ওই ঘটনার পর আমাকে আমার কক্ষে তালা দিয়ে আবরুদ্ধ করে রাখা হয়। কিছু সময় পরই বহিরাগতদের উদ্বুদ্ধ করে অধ্যক্ষের কার্যালয় ভাংচুর করে। বহিরাগতদের উস্কানিতে কোমলমতি কিছু শিক্ষার্থীও অংশ নেয়। ভাংচুর করা হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নানা সরঞ্জামও। এ সময় কয়েকজন আহত হয়। পরে ওই ঘটনাকে মিথ্যাভাবে প্রচার করার উদ্দেশ্যে সেই স্বার্থান্বেষী লোকেরা গল্প সাজিয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে এবং আমাকে নানাভাবে দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এছাড়া নানা ধরনের হুমকি দেয়া হচ্ছে বলেও বক্তব্যে বলেন তিনি।
দক্ষিণ ঘনেশ্যাম স্কুল অ্যান্ড কলেজের কিছু শিক্ষার্থীকে ব্যবহার করে একদল দুষ্কৃতকারী তাদের স্বার্থ হাসিলের প্রচেষ্ঠা করে যাচ্ছে জানিয়ে অধ্যক্ষ মনির উদ্দিন সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
T.A.S / জামান
আত্রাইয়ে ট্রেন-ট্রাক সংঘর্ষে অল্পের জন্য শত শত যাত্রী প্রাণে রক্ষা
আমার উপজেলা আমার দায়িত্ব—শিশুর জীবন হোক বাল্যবিবাহ মুক্ত
রূপগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া
নেত্রকোনার মদনে লাহুত হত্যা মামলার আট মাসেও মিলেনি চার্জশীট
দেয়াল পত্রিকা ইভেন্টে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজের লাবিবা
তানোরে ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে নির্বিচারে হাঁস মুরগী মেরে ফেলার অভিযোগ
বাংলাদেশ একটা আধুনিক রাষ্ট্র হতে হবে, সুপ্রদীপ চাকমা
ভূরুঙ্গামারীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
গোপালগঞ্জে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ইমাম সম্মেলন
জয়পুরহাটে এতিম, অসহায় ও হতদরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
বোদায় সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি স্থাপনা দখলের অভিযোগ
ক্রান্তিলগ্নে পরিত্রাণকারী হিসেবে রাজনীতিতে জিয়ার আবির্ভাব: দীপ্তি-শাহেদ