সবকিছুর দাম বাড়লেও বাড়েনি মানুষের দাম
মধ্যবিত্ত পরিবাররা সংসার চালাতে হিমসিম খাচ্ছে। বেতনের সাথে দৈনন্দিন সামঞ্জস্য না থাকায় বাড়ছে ঋণের বোঝা। পরিবার পরিজন নিয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন এরা, অনেকেই টিসিবির পণ্য সংগ্রহ করতে মুখে মাক্স পরে দাড়াচ্ছেন লাইনে। বন্ধুবান্ধবদের কাছে টাকা ধার নিয়ে চলতে হচ্ছে। অনেকেই সুদে টাকা নেওয়ার জন্য ছুটছে ধারে ধারে।
সরেজমিনে কয়েকজনের সাথে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া যায়। ঢাকা উদ্যান এলাকার একজন বলেন,যে বেতন পাই, তা দিয়ে এখন আর চলছে না। তার উপর অনেকেই দুই তিন মাস ধরে বেতম বকেয়া থাকায় আরো বিপদে রয়েছে এরা। অন্যা এক বেসরকারি চাকুরিজীবী বলেন, সব কিছুর দাম বাড়লেও বাড়েনি বেতন, এমতাবস্থায় ছেলে মেয়ের স্কুল কলেজের বেতনআদী জোগাড় করতেও হিমসিম খেতে হচ্ছে। মধ্যেবিত্তদের সব থেকে বড় সমস্যা যাচ্ছে বর্তমান সময়, এর দায়ী করা হয়েছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিকে, অনেকের বাসা ভাড়া ঠিকঠাক দিতে পারলেও দৈনন্দিন জীবন চালাতে কষ্টকর হয়ে পড়েছে এমনটাই দাবি করছেন কয়েকজন চাকুরীজীবিরা। অনেকে আবার সুদের টাকা নেওয়ার জন্য বিভিন্ন এনজিও সমিতির দারস্থ হচ্ছেন।
প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দৈনন্দিন জিনিসপত্রের দাম, এতে করে বাড়তি খরচ হওয়ায় মাস শেষে আর টাকা থাকছে না। এতে করেই বিপাকে পড়তে হচ্ছে নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারেকে। বর্তমানে এক মাসের বেতন দিয়ে ১৫ দিনের মতো চলা যায় বাকি ১৫ দিন কষ্ট করে চলতে হচ্ছে। অনেকে বলেন, কয়েকমাস আগেও এমনটা ছিলো না। বর্তমান যে পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
যদি কারো বেতন মাসে ২০ হাজার হয়ে থাকে সেই বেতনের সিংহভাগ চলে যায় বাজার করতে, এরপর ঘর ভাড়া, ঔষধ, ছোট সন্তানদের স্কুল খরচ, স্কুল ফিস এই সব মিলিয়ে তেমন ভালো নেই মধ্যবিত্তরা। মুলত এদের খোঁজ কেউ রাখে না, এরা সমাজে না খেয়ে থাকলেও কারো কাছে বলতেও পারেন না। দুর্বিষয় জীবনযাপন করে থাকেন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। প্রতিনিয়ত দৈনন্দিন জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও বাড়েনি মানুষের দাম।
কামরাঙ্গীরচরের এক কারখানার শ্রমিকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আগে যে বেতন পেতাম এখনো তাই পাই কিন্তু সবকিছুর দাম বাড়ার কারণে পূর্বের বেতনে আর চলছে না। রায়েরবাজার এলাকার এক দিনমজুরের সাথে কথা বলে জানা যায় সবকিছুর দাম বাড়ার কারণে এখন আর আগের মতো স্বাচ্ছন্দ জীবনযাপন করতে পারছে না। তিনি বলেন, বর্তমান সময় আয়ের চাইতে ব্যায় বেশি।
এমএসএম / এমএসএম
*পেশাদারিত্ব ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়েই সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হবে: আনসার মহাপরিচালক*
ড্রাইভার কনস্টেবল মো. সোহাগ হোসেনকে নিটোরে দেখতে গেলেন অতিরিক্ত আইজিপি মো. রেজাউল করিম
বিশ্ব রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশের পোশাক কারখানা: LEED Platinum-এ ১১০-এর মধ্যে ১০৮ স্কোর অর্জন HAMS Garments Ltd.-এর
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালনা পর্ষদের এক বছর পূর্তি উদযাপন
রাজধানীর সায়েদাবাদে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান: অস্ত্র, মাদক ও বিপুল অর্থসহ ৬ জন আটক
এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলকে সকালের সময় পরিবারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন
নকশার বহির্ভূত ব্যক্তিগত জমিতে অবৈধ সড়ক নির্মাণের অভিযোগে তুরাগে মানববন্ধন, আদালতে মামলা
শিশু রোগীদের খোঁজখবর নিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার
উত্তরায় চালু হলো আধুনিক ‘কাজী ড্রাইভিং ট্রেনিং স্কুল
লালবাগে মৃত্যুর মুখে শত শত মানুষ: হেলে পড়া ভবনেও 'নিস্পৃহ' রাজউক!
গেন্ডারিয়ায় রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান: নকশাবহির্ভূত অংশ ভাঙা, জরিমানা ও মিটার জব্দ
তুরাগে অবৈধ সড়ক নির্মাণের অভিযোগ, ন্যায়বিচারের দাবিতে আদালতে মামলা