সিংগাইরে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট সিলগালা খুলে ফটোকপি করার অভিযোগ
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পরীক্ষার আগেই সিলগালা করা প্যাকেট খুলে ফটোকপি করার অভিযোগ উঠেছে এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষক ২৫ নং জৈল্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুল ওহাব। তিনি প্রশ্নপত্র ফটোকপি করার জন্য সিলগালা খোলার কথা স্বীকার করে বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে ছাত্র অনুযায়ী প্রশ্ন কম হওয়ায় কিছু প্রশ্ন ফটোকপি করা হয়। এদিকে পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র ফটোকপি করায় তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক শিক্ষক। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।
জানাগেছে, উপজেলার ৯৭ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ ডিসেম্বর। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর মোট ১০ টি পরীক্ষা চলবে আগামী ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরীক্ষা শুরুর আগের দিন গত ১ ডিসেম্বর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রত্যেক স্কুলে সিলগালা করে পরীক্ষার প্রশ্ন দেওয়া হয়। গোপনীয়তা রক্ষার্থে পরীক্ষা শুরুর দিন প্রতিটি প্যাকেট শিক্ষকদের সামনে খুলে শিক্ষার্থীদের কাছে দেওয়ার নিয়ম। এদিকে পরীক্ষার প্রশ্ন পেয়ে ঐদিনই প্রতিটি সিলগালা প্যাকেট খুলে একাধিক ফটোকপি করার অভিযোগ সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুল ওহাব।
জৈল্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোশাররফ হোসেন বলেন, আমি ব্যস্ততার কারনে যেতে না পারায় সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুল ওহাব প্রশ্নপত্রগুলো নিয়ে আসে। পরীক্ষার আগেই সিলগালা খুলে প্রশ্নপত্র ফটোকপি করা ঠিক হয়নি। যদি ছাত্রদের প্রশ্নপত্র কম হয় সেক্ষেত্রে পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর ফটোকপি করা যেত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক বলেন, মোঃ আব্দুল ওহাব ওই প্রশ্নপত্র ফটোকপি করে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করেছেন। যেসব শিক্ষক ছাত্রদের প্রাইভেট পড়ান তারা টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র আব্দুল ওহাবের কাছ থেকে ক্রয় করেছেন। প্রতিবছরই তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁস করেন। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।
ঘোনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সারোয়ার হোসেন সোহেল বলেন, পরীক্ষার আগেই যদি প্রশ্নপত্র ফটোকপি করা হয়, তাহলে সেই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অবশ্যই ফাঁস হয়েছে। যে শিক্ষক এই প্রশ্নফাসের সাথে জড়িত তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুল ওহাব বলেন, ছাত্র অনুযায়ী প্রতি শ্রেণীর প্রশ্নপত্র কম হওয়ায় সিলগালা খুলে প্রশ্নপত্র ফটোকপি করি। তবে এটি আমার ঠিক হয়নি। এবিষয় সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান তিনি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুলতানা আসমা খান বলেন, পরীক্ষার আগে সিলগালা প্রশ্নের প্যাকেট খুলার নিয়ম নেই। যদি প্যাকেট খুলে ফটোকপি করেন সেক্ষেত্রে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
T.A.S / T.A.S
বিলাইছড়িতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত
ঝিনাইদহে সার ডিলারশিপ নিয়োগে সীমাহীন দুর্নীতি
সুবর্ণচরে ভূয়া চিকিৎসক রাসেলের অপচিকিৎসায় প্রাণ হারাতে বসেছে ১ শিশু
শিবগঞ্জে কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ
তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৪ জনের কারাদণ্ড
মধুখালীতে কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে রেলি ও আলোচনা সভা
কুড়িগ্রামে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, নিয়োজিত ১ হাজার ৭১ কর্মী
বকশীগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর ঝোপে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
নরসিংদীতে সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
তেঁতুলিয়ায় ১০ কেজির বার্মিজ অজগর উদ্ধার
কামরুজ্জামান সিকদার কামালকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কথা বলার আহ্বান
জয়পুরহাটে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে জেলা বিএনপির মতবিনিময়