ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে রাতের আধারে বেশি দামে সার বিক্রি


সোহেল পারভেজ, কেশবপুর photo সোহেল পারভেজ, কেশবপুর
প্রকাশিত: ২৩-১২-২০২৪ দুপুর ১:৫৮
যশোরের কেশবপুর উপজেলায় এবছর ভয়াবহ বন্যা ও জলাবদ্ধতায় কৃষি জমিতে সার ব্যবহার না হলেও মৎস্য ঘেরে নিয়ম না মেনে ব্যবহার করা হয়েছে সার। চার ফলে আসন্ন রবি মৌসুমের শুরুতে বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে রাসায়নিক সার। ডিলাররা কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে রাতের আধারে বেশি দামে এ সার বিক্রি করে দিচ্ছেন ঘের মালিকদের কাছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া, বিসিআইসি সার ডিলার নিয়োগে নীতিমালা উপেক্ষা করে একই পরিবারে একাধিক ব্যক্তির নামে ডিলারশিপ প্রদান, অধিকাংশ ডিলার পৌর শহরে দেয়া, খুচরা সার বিক্রেতাদের সময় ও প্রয়োজন মতো সার প্রদান না করাসহ নানাবিধ অভিযোগ রয়েছে পাইকারী সার বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে। এতে খুচরা সার ব্যবসায়ীদের পরিবহণ খরচ বেশি দিতে হচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে প্রান্তিক কৃষকদের ওপর। কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে, পৌরসভাসহ উপজেলায় ১৩ জন বিসিআইসি ডিলার, ২৬ জন বিএডিসি ও প্রতি ওয়ার্ডে ১ জন করে সরকার অনুমোদিত খুচরা সার বিক্রেতা রয়েছেন। চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিসিআইসি, বিএডিসি ও আমদানি মিলে পাইকারি সারের ডিলাররা ৩৭৭০ টন ইউরিয়া, ৯০৭ টন টিএসপি, ২০৫০ টন ডিএপি ও ৯৬০ টন এমওপি সার দুই কিস্তিতে উত্তোলন করেন। সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রতিকেজি ইউরিয়া ২৭ টাকা, টিএসপি ২৭ টাকা, ডিএপি ২১ টাকা ও এমওপি ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করার কথা শুধু কাগজে কলমে। প্রশাসনিক ব্যবস্থা একেবারে নেই বললেই চলে। বাংলাদেশ ক্যামিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০০৯ এর ৩.২ উপধারায় উল্লেখ রয়েছে,নিজ মালিকানায় অথবা ভাড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভায় বিক্রি কেন্দ্রসহ কমপক্ষে ৫০ টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন গুদামঘর থাকতে হবে। সরকার কর্তৃক নীতিমালা উপেক্ষা করে কেশবপুরে বিসিআইসি সারের ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বিসিআইসি ডিলারদের মধ্যে ৫ জনের দোকানসহ বিএডিসি ৮ জন ডিলারের দোকানই পৌর শহরে। ১৩ জন বিসিআইসি ডিলারের ভেতর নামে-বেনামে একই পরিবারে রয়েছেন ১২ জন। এলাকার প্রান্তিক কৃষকদের সুবিধার্থে আরো ১৭ জন বিএডিসি ডিলার ও কৃষি বিভাগ প্রতিটি ওয়ার্ডে ১জন করে খুচরা সার বিক্রেতা নিয়োগ দেয়। সরকারি মতে, আমদানি করা মোট সারের অর্ধেক খুচরা ডিলারদের মাধ্যমে গ্রাম পর্যায়ে ও বিসিআইসি এবং বিএডিসি ডিলারদের মাধ্যমে বাজার এলাকার কৃষকদের কাছে সরাসরি বিক্রির কথা। 
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস দৈনিক সকালের সময়কে জানান, সাধারণত ঘেরে শতকে ২০০ গ্রাম করে সার ব্যবহারের নীতিমালা থাকলেও ঘের মালিকরা তা না মেনে ১ থেকে দেড় কেজি বা তারচেয়ে বেশী করে ঘেরে প্রয়োগ করেন। একারণে তাদের চড়া দামে সার কিনতে হয়। এতে সারের সংকট হতে পারে। 
উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদা আক্তার বলেন, সারের কোনো সংকট নেই। কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সার ডিলারদের গুদামে মজুদ রয়েছে।

এমএসএম / এমএসএম

আদমদীঘিতে বিবাদমান জমিতে আদালতের বিজ্ঞপ্তি টাঙ্গানো নিয়ে মারধরে আহত-৫

আ.লীগ নেতার বাড়িতে ভূরিভোজ, সেনবাগের ওসি প্রত্যাহার

ধামরাইয়ে বিএনপি'র নেতার বিরোদ্ধে আদালতে চাঁদা দাবির মামলা

বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত, আইফোনের জন্য অপ্রিতমকে হত্যা - পুলিশ সুপার

নেত্রকোণায় ধারের টাকা ফেরত চাওয়ায় নারীকে হত্যার হুমকি প্রধান শিক্ষকের-থানায় অভিযোগ

রাণীনগরে কলেজের বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষের ওপর হামলা,মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ

‘মব’ সৃষ্টি করে কেশবপুর প্রেসক্লাব দখল ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ

কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী নদীতে নেমে পর্যটক নিখোঁজ

বাউফলে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলো বাউফল উপজেলা ছাত্রদল

সাটুরিয়ায় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও সেচ্ছাসেবক লীগের ৫ নেতাকর্মী গ্রেফতার

শান্তিগঞ্জেে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আত্রাইয়ে যুবদলের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান

লোহাগড়ায় মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ তিন যুবক আটক