সীমান্তের আগুনের কুন্ডলী, ফের রোহিঙ্গা ঢলের শঙ্কা
মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধের জেরে নতুন করে বাংলাদেশে টেকনাফ সীমান্তে রাখাইনে আগুনের কুন্ডলী ও ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। পাশাপাশি গোলার বিকট শব্দও শোনেছে সীমান্তের বাসিন্দারা। এতে নতুন করে রোহিঙ্গা ঢল অনুপ্রবেশের আশংঙ্কায় নাফনদীর পাশাপাশি উপকুল এলাকায়ও টহল জোরদার করেছে বিজিবি।
সোমবার সকাল থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যং পাড়াসহ তিনটি জায়গায় ওপারে আগুনের কুন্ডলী ও ধোঁয়া উড়তে দেখছে সীমান্তের বাসিন্দারা।
নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের আশংঙ্কায় সীমান্তে আমাদের টহল জোরদার রয়েছে বলে স্বীকার করেন টেকনাফ ২ বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর ইশতিয়াক আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছেও খবর রয়েছে ফের রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করতে পারে। কিন্তু আমরা নতুন করে কাউকে ঢোকতে দিচ্ছি না। বিশেষ করে বিজিবির তৎপরতার কারনে নাফনদীর সীমান্তে অনুপ্রেবেশ বন্ধ রয়েছে। তবে অনেক ক্ষেত্রে গভীর সাগরপথে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে থাকে। আমরা সেখানেও তাদের প্রতিহত করছি।’
তিনি বলেন, ‘অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে আমরা নাফনদীর পাশাপাশি উপকূল এলাকায় টহল জোরদার রেখেছি। যাতে নতুন করে কেউ বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে না পারে।’
সীমান্তের বাসিন্দারা বলছে, বিকেল ৩টা পর্যন্ত টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যং পাড়া, কেরুনতলী পূর্বে নাফনদীর ওপারে রাখাইনে মংডুর পেরাংফুরে আগুনের ধোঁয়া দেখা গেছে। এছাড়া গতকাল দুপুরে বরইতলী এলাকায় ওপারে ব্যাপক গোলাগুলি শব্দও পাওয়া গেছে। তবে আগের তুলনায় গুলি বর্ষণের শব্দ কমলেও কমেনি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ।
সীমান্তের বাসিন্দা হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘সকাল থেকে ওপারে আগুনের কুন্ডলী ও ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। তবে ঠিক ওপারে এখন কি হচ্ছে-এপার থেকে বলা মুশকিল। আমরা শুনেছি সেদেশের এখনো যুদ্ধ বন্ধ হয়নি, যার কারনে এখনো বিভিন্নভাবে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করছে। গতকালও ৩৬ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে। তাঁরা আকিয়াব থেকে পালিয়ে এসেছে।’
এদিকে ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে গেল বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত সাড়ে ১৭ হাজার রোহিঙ্গা পরিবারের ৬৪ হাজার ৭১৮ সদস্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে বলে জানায় সরকারের শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়। এরপরও এখনো বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ থামেনি।
মিয়ানমারে থাকা এক স্বজনের বরাত দিয়ে উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ জোবাইয়ের বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের রাখাইন রাজ্যের মংডু কয়েকটি গ্রামে থাকা অর্ধলাখ রোহিঙ্গাদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আরাকান আর্মি। আবার অনেককে ধরে নিয়ে অন্য গ্রামে নিয়ে যাচ্ছে। সেদেশে রোহিঙ্গাদের কোথাও চলাফেলা করতে দিচ্ছে না। এতে রোহিঙ্গাদের অভাবে দুর্দিন যাচ্ছে। বলতে গেলে সেখানে থাকা রোহিঙ্গারা ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ফলে এবার আকিয়াব থেকেও রোহিঙ্গারা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে পালানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।’
সাগরে চারদিন ভাসমানের পর গতকাল রোববার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সৈকত দিয়ে মো. নাছির। তিনি মিয়ানমারের আকিয়াবের লম্বাদিয়ার বাসিন্দা।
তাঁর ভাষ্য, 'সাগরে তিন দিন ভাসমান পর টেকনাফে সাগরে পাড়ে পৌছি। আমরা বোটে ৩৬ জন ছিলাম। সেখানে আরাকান আর্মি (মগরা) রোহিঙ্গাদের ঘিরে রেখেছে। কাউকে চলাফেলা করতে দিচ্ছে না। যার কারনে মানুষ অনাহারের দিন কাটছে। ফলে মানুষজন অভাবে যেদিকে পাচ্ছে-সেদিকে পালিয়ে যাচ্ছে।’
এমএসএম / এমএসএম
বোরো আবাদে স্বপ্ন বুনছেন বারহাট্টার কৃষকরা
তারাগঞ্জে রাসায়নিক সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির দায়ে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা
রামুতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে বিপুল অস্ত্রসহ ২ ডাকাত গ্রেফতার
সাভারে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ৬ দফা দাবীতে শ্রমিক নেতাদের সংবাদ সম্মেলন
আত্রাইয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
শিবচরে প্রস্তুত হচ্ছে বর্জ্য ব্যবস্থপনা ইউনিট, তৈরি হবে জৈব সার
কুমিল্লায় তারেক রহমান আগমন উপলক্ষে সমাবেশ মাঠ পরিদর্শন
রাজস্থলীতে জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় প্রতিরোধ সচেতনতামূলক সভা
চাঁদপুরের পাঁচটি আসনের প্রার্থীদের মাঝে প্রতিক বরাদ্দ
রাজশাহী-১ আসনে লড়াই হবে বিএনপি জামায়াতের
টাঙ্গাইলে ৮ আসনে এমপি প্রার্থী ৪৬ জন
শান্তিগঞ্জে ইরা’র উদ্যোগে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক প্রকল্প অবহিত করণ কর্মশালা