গাছ কেটে জমি দখলের পাঁয়তারা: খানসামায় ভূমিসংক্রান্ত বিরোধে প্রাণনাশের হুমকি!

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের আরাজী জাহাঙ্গীরপুর (পাঠানপাড়া) গ্রামে পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক কৃষকের ইউক্লিপটাস গাছ কেটে ফেলা, চুরি, এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে সাতজন নামীয় ও অজ্ঞাত ৪–৫ জনের বিরুদ্ধে।
অভিযুক্তরা হলেন,সিরাজুল ইসলাম (৬৫), এজাবুল ইসলাম (৫০),এন্দাদুল ইসলাম (৫৩),মাহাবুর ইসলাম (২১), মুসা (৬৫), সাবেক ব্যাংকার এমদাদুল হক,(৬২), সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক (৫২)। সবাই একই এলাকার বাসিন্দা, এবং অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে পূর্ব থেকেই জমি দখলের পাঁয়তারা ও হুমকির ইতিহাস রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গোলাম হোসেন (৫৬) খানসামা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।দায়েরকৃত অভিযোগপত্রে বাদী গোলাম হোসেন (৫৬) এজাহারে উল্লেখ করেন, ৩০ মে সকালে নিজস্ব জমিতে ৫০০টি ইউক্লিপটাস চারা রোপণের পর সন্ধ্যায় সংঘবদ্ধভাবে অস্ত্রসজ্জিত হয়ে আসামিরা চারা কেটে ও ভেঙে নষ্ট করে প্রায় ১১ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে এবং ১৮৫টি চারা চুরি করে নিয়ে যায়।
লিখিত অভিযোগে গোলাম হোসেন উল্লেখ করেন, তিনি তার পিতা মৃত কছিম উদ্দিনের সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে প্রায় ৩০ বছর ধরে চাষাবাদ করে আসছিলেন। শুক্রবার (৩০ মে) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি ও তার শ্রমিকরা জমির চারপাশে প্রায় ৫০০টি ইউক্লিপটাস গাছের চারা রোপণ করেন।
তিনি আরও জানান, ওই দিন সন্ধ্যায় অভিযুক্ত মো. সিরাজুল ইসলাম, এজাবুল ইসলাম, এন্দাদুল, মাহাবুর ইসলাম, মো. মুসা, এমদাদুল হক, আব্দুল মালেকসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ১৭৫টি গাছ কেটে ফেলে, ৮৫টি গাছ ভেঙে ফেলে এবং ৫৫টি গাছ উপড়ে ফেলে দেয়। এ ছাড়া তারা প্রায় ১৮৫টি গাছ চুরি করে নিয়ে যায়। এতে তার আনুমানিক ১৭ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
গোলাম হোসেন আরও বলেন, “সংবাদ পেয়ে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে তারা আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং লোহার রড, দা, লাঠি নিয়ে ধাওয়া করে। আমরা প্রাণভয়ে পালিয়ে আসি।”এছাড়া অভিযুক্তরা এলাকায় প্রকাশ্যে বলছে, কেউ থানায় বা আদালতে মামলা করলে তাদের খুন-জখম করবে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে স্থানীয় মোঃ মজনু মিয়া, সোয়েব আহম্মেদ, মোঃ পিয়েল মাহমুদ ও মোঃ আলতাফ হোসেনসহ অনেকেই সাক্ষ্য দিয়েছেন। ওই ঘটনায় গ্রামে এখন উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
ঘটনার সত্যতা জানতে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, অভিযুক্ত মুসার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হয়। তবে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়, ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
অন্যান্য অভিযুক্তদের কারো সঙ্গেও ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজমুল হক বলেন, "আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
এমএসএম / এমএসএম

গাজীপুরে অন্তহীন অভিযোগে অভিভাবকদের তোপের মুখে প্রধান শিক্ষক!

ভূঞাপুরে টাইফয়েড টিকাদান বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন সভা

রাণীশংকৈলে পুলিশের ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠিত

সবুজে ঢেকে যাক কালকিনি: পরিবেশ রক্ষায় আনসার-ভিডিপি’র অঙ্গীকার

অভয়নগরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

শ্রীমঙ্গলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত -১

তানোরে ব্যাক ডেট ও জালিয়াতি নিয়োগের তদন্তে হাজির হননি ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষ

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে স্কুল শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন

চট্টগ্রামে নেক্সাস ফেস্ট-২০২৫ সম্পন্ন

পিআর পদ্ধতিতে ভোট হলে মনোনয়ন বাণিজ্য বন্ধ হবে: জামায়াতের অধ্যাপক মজিবুর রহমান

শ্রীপুরে পরিবেশ বিপর্যয় রোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা

অনার্সের খাতা দেখেন কলেজ হোস্টেলের গার্ড !
