ঢাকা সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬

খানসামায় প্রতিবেশী চাচার বাড়িতে গিয়ে নৃশংস নির্যাতনের শিকার শিশুকন্যা


জসিম উদ্দিন, খানসামা photo জসিম উদ্দিন, খানসামা
প্রকাশিত: ১০-৬-২০২৫ দুপুর ২:৪১

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ভেড়ভেড়ি ইউনিয়নের টংগুয়া (কছিরপাড়া) গ্রামে ঈদের পরের দিনে ৯ বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশি এক চাচার বিরুদ্ধে। শিশুটি বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন শিশুটির মা।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিশুটির মা নিজেই বাদী হয়ে খানসামা থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে উল্লেখ করেন—তার মেয়ে তানিয়া (ছদ্মনাম) (৯), স্থানীয় টংগুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। ঘটনার দিন ৮ জুন ২০২৫ (ঈদুল আযহার পরের দিন) বিকাল ৪টার দিকে সে খেলার এক পর্যায়ে প্রতিবেশী ঘরে পানি খেতে যায়। সাথে ছিলো তার চাচার মেয়ে রিমা (ছদ্মনাম)- (৮)।
পানি পান শেষে জান্নাতি বাড়ির বাইরে বের হয়ে এলেও, অভিযোগে বলা হয়—প্রধান অভিযুক্ত নূরন্নবী ইসলাম (২১) মুখ চেপে ধরে শিশুটিকে জোরপূর্বক তার শয়নঘরে নিয়ে যায়। এরপর দরজা বন্ধ করে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে পড়লে অভিযুক্ত যুবক পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যরা (তার বাবা-মা ও ভাই) অজ্ঞান শিশুটিকে বাইরে ফেলে রাখে। পরে রিমা (ছদ্মনাম) বিষয়টি শিশুটির মাকে জানালে তিনি দ্রুত সেখানে গিয়ে মেয়েকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করেন। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় শিশুটিকে মোটরসাইকেলে করে তড়িঘড়ি করে নেওয়া হয় নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর শিশুটি জ্ঞান ফিরে পায়। জ্ঞান ফিরে পেয়ে সে মায়ের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয়। এরপর শিশুটির পরিবার আইনগত ব্যবস্থার আশায় খানসামা থানায় চারজনকে আসামি করে এজাহার দায়ের করেন। এজাহারে অভিযুক্তরা হলেন—নূরন্নবী ইসলাম (২১), তার ভাই জুয়েল ইসলাম (২৫), বাবা শফিকুল ইসলাম (৫৫), এবং মা লাকী বেগম (৪০)। এদের সবাই একই এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। অভিযুক্তরা মূলত শিশুটির প্রতিবেশী এবং আত্মীয়স্বজন হওয়ায় বিষয়টি আরও বেদনাদায়ক হয়ে উঠেছে।

অভিযোগকারীনি অভিযোগ করেন যে, আসামীরা আগে থেকেই তার মেয়ে ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আচরণে অশোভনতা ও হয়রানি করতো। এ ঘটনায় তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত এবং কার্যকর হওয়া প্রয়োজন, যাতে অপরাধীরা শাস্তি পায় এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের নৃশংস ঘটনা পুনরায় না ঘটে। এ ধরনের অপরাধ সমাজের নৈতিক অবক্ষয় ঘটায় এবং শিশুদের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।

শিশুটির মা বলেন," তার মেয়ে এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে"।
তিনি আরও জানান, “আমার মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। কীভাবে এভাবে তাকে শেষ করে দিলো! আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

এ বিষয়ে খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ নজমুল হক বলেন, “ এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। শিশুটি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মামলা প্রক্রিয়াধীন।
খুব দ্রুত সময়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এমএসএম / এমএসএম

ডিসেম্বরের মধ্যে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টির গভীর ষড়যন্ত্র চলছে: পটুয়াখালীতে আলতাফ হোসেন চৌধুরী

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ, ওএমএসের চাল ও পাসপোর্ট সেবায় অনিয়ম বন্ধের নির্দেশ এমপি মানিকের

টাঙ্গাইলে বক্স কালভার্টে বাঁশ ব্যবহার করায় ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদারকে শোকজ : প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি গঠন

আশুগঞ্জে বৈদ্যুতিক কেবল চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

মিরসরাইয়ে অগ্নিকান্ডে দুই দোকান পুড়ে ছাই

নোয়াখালীতে প্রবাসীর পরিবারকে হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

পত্নীতলায় ১৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক ১

টানা ৮ দিন বন্ধ বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য

কাপ্তাইয়ে হাতির আক্রমণে নিহত পরিবারের মাঝে ৩ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ চেক হস্তান্তর

কোনাবাড়ীতে মাদক বিরোধী অভিযান আটক -১

বিটেশ্বর ইউনিয়নকে আধুনিক মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় বাবুল খন্দকারের, নাগরিক সেবা ফ্রি করার ঘোষণা

নেত্রকোনার কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে সাংবাদিক আলিফ ফকিরের হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

ধামরাইয়ে পিভিসি ইন্ডাস্ট্রিজের পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন