ঢাকা শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

খানসামায় প্রতিবেশী চাচার বাড়িতে গিয়ে নৃশংস নির্যাতনের শিকার শিশুকন্যা


জসিম উদ্দিন, খানসামা photo জসিম উদ্দিন, খানসামা
প্রকাশিত: ১০-৬-২০২৫ দুপুর ২:৪১

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ভেড়ভেড়ি ইউনিয়নের টংগুয়া (কছিরপাড়া) গ্রামে ঈদের পরের দিনে ৯ বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশি এক চাচার বিরুদ্ধে। শিশুটি বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন শিশুটির মা।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিশুটির মা নিজেই বাদী হয়ে খানসামা থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে উল্লেখ করেন—তার মেয়ে তানিয়া (ছদ্মনাম) (৯), স্থানীয় টংগুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। ঘটনার দিন ৮ জুন ২০২৫ (ঈদুল আযহার পরের দিন) বিকাল ৪টার দিকে সে খেলার এক পর্যায়ে প্রতিবেশী ঘরে পানি খেতে যায়। সাথে ছিলো তার চাচার মেয়ে রিমা (ছদ্মনাম)- (৮)।
পানি পান শেষে জান্নাতি বাড়ির বাইরে বের হয়ে এলেও, অভিযোগে বলা হয়—প্রধান অভিযুক্ত নূরন্নবী ইসলাম (২১) মুখ চেপে ধরে শিশুটিকে জোরপূর্বক তার শয়নঘরে নিয়ে যায়। এরপর দরজা বন্ধ করে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে পড়লে অভিযুক্ত যুবক পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যরা (তার বাবা-মা ও ভাই) অজ্ঞান শিশুটিকে বাইরে ফেলে রাখে। পরে রিমা (ছদ্মনাম) বিষয়টি শিশুটির মাকে জানালে তিনি দ্রুত সেখানে গিয়ে মেয়েকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করেন। মায়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় শিশুটিকে মোটরসাইকেলে করে তড়িঘড়ি করে নেওয়া হয় নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর শিশুটি জ্ঞান ফিরে পায়। জ্ঞান ফিরে পেয়ে সে মায়ের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয়। এরপর শিশুটির পরিবার আইনগত ব্যবস্থার আশায় খানসামা থানায় চারজনকে আসামি করে এজাহার দায়ের করেন। এজাহারে অভিযুক্তরা হলেন—নূরন্নবী ইসলাম (২১), তার ভাই জুয়েল ইসলাম (২৫), বাবা শফিকুল ইসলাম (৫৫), এবং মা লাকী বেগম (৪০)। এদের সবাই একই এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। অভিযুক্তরা মূলত শিশুটির প্রতিবেশী এবং আত্মীয়স্বজন হওয়ায় বিষয়টি আরও বেদনাদায়ক হয়ে উঠেছে।

অভিযোগকারীনি অভিযোগ করেন যে, আসামীরা আগে থেকেই তার মেয়ে ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আচরণে অশোভনতা ও হয়রানি করতো। এ ঘটনায় তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত এবং কার্যকর হওয়া প্রয়োজন, যাতে অপরাধীরা শাস্তি পায় এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের নৃশংস ঘটনা পুনরায় না ঘটে। এ ধরনের অপরাধ সমাজের নৈতিক অবক্ষয় ঘটায় এবং শিশুদের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।

শিশুটির মা বলেন," তার মেয়ে এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে"।
তিনি আরও জানান, “আমার মেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। কীভাবে এভাবে তাকে শেষ করে দিলো! আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

এ বিষয়ে খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ নজমুল হক বলেন, “ এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। শিশুটি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মামলা প্রক্রিয়াধীন।
খুব দ্রুত সময়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এমএসএম / এমএসএম

গাজীপুরে অন্তহীন অভিযোগে অভিভাবকদের তোপের মুখে প্রধান শিক্ষক!

ভূঞাপুরে টাইফয়েড টিকাদান বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন সভা

রাণীশংকৈলে পুলিশের ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠিত

সবুজে ঢেকে যাক কালকিনি: পরিবেশ রক্ষায় আনসার-ভিডিপি’র অঙ্গীকার

অভয়নগরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

শ্রীমঙ্গলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত -১

তানোরে ব্যাক ডেট ও জালিয়াতি নিয়োগের তদন্তে হাজির হননি ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষ

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে স্কুল শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন

চট্টগ্রামে নেক্সাস ফেস্ট-২০২৫ সম্পন্ন

পিআর পদ্ধতিতে ভোট হলে মনোনয়ন বাণিজ্য বন্ধ হবে: জামায়াতের অধ্যাপক মজিবুর রহমান

শ্রীপুরে পরিবেশ বিপর্যয় রোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা

অনার্সের খাতা দেখেন কলেজ হোস্টেলের গার্ড !

মানিকগঞ্জে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারী আটক