অবশেষে কোস্টগার্ডে হাতে ধরা সাগরে পথের রাজা বার্মাইয়া মান্নুরু
দীর্ঘদিন ধরে মহেশখালীর তাজিয়াকাটা ঘাট ব্যবহার করে মাদক ও নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন, মোহাম্মদ নুর ওরফে বার্মাইয়া মান্নুরু।সাগর পথে ট্রলারে করে সিমেন্ট,ইউরিয়া সার, বিভিন্ন ব্রান্ডের কোল ড্রিংকস ও অকটেন পাচার করতো তিনি।বিনিময়ে মায়ানমার থেকে নিয়ে আসতেন ইয়াবা ও নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল। তার ধরেই দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে যেত এসব অবৈধ পণ্য।
স্থানীয়রা বলেন, সাদা শার্ট, ভদ্র চেহারা—আড়ালে ভয়ংকর এক অন্ধকার জগতের সম্রাট! মোঃ নুর ওরফে বার্মাইয়া মান্নুরু, ওরফে ইয়াবা সম্রাট, ওরফে পাচারকারী মান্নুরু—এরকম অহরহ বিশেষণে বিশেষায়িতের সুনাম আছে তার অহরহ। টাকার জোরে আর সেটেলমেন্ট সিস্টেমে বছরের পর বছর ধরে পার পেয়ে যাচ্ছিল।টাকার জোর এবং তার সেটেলমেন্ট সিস্টেমের কারণে লোকটার কনফিডেন্স লেবেল এবং ডেসপারেডনেস এতোই বেড়ে গিয়েছিলো যে, হেসে হেসে সাংবাদিকদের বলতো—
সব করি, সব মানি, কিন্তু ধরা না পড়লে কেউ কিছু করতে পারবে না!
এই ছিলো তার দাম্ভিকতা!
দেশের পটপরিবর্তনের পর অপরাধ জগতে তার দাপট হঠাৎ বেড়ে যায় কয়েক গুণ! ঘটিভাংগা, তাজিয়া কাটা ঘাট হয়ে প্রতিদিন নিত্যপণ্য পাচার হতো মায়ানমারে।সংবাদ প্রকাশ পেলেও তার গায়ে লাগতো না কিছুই—বরং আরও বেপরোয়া হয়ে উঠতো!
বরাবরই কুতুবজোমের সচেতন সমাজ দাবী করে আসছিলো, কুতুবজোম ঘাট গুলোকে অঘোষিত করিডোর কিংবা নিরাপদ চ্যানেল হিসেবে বছরের পর বছর যাবত অবৈধ চোরাচালানের ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে আসছে বেশ কয়েকটি সিন্ডিকেট।
নির্ভরযোগ্য সূত্র মতে, চট্টগ্রাম থেকে সার, সিমেন্টসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য নিয়ে লোড করে নোঙর করে ঘটিভাংগা ও সোনাদিয়ার পশ্চিম সাগরে।সেই বোটে ডিজেল আর অকটেন লোড নিয়ে মাঝি বদলে পাড়ি দেয় বার্মার উদ্দেশ্যে।বার্মায় মালামাল নামিয়ে ইয়াবা, কারেন্ট জাল ও মদের বোতল নিয়ে আসে কুতুবজোম ঘাটে।তারপর দেশ জুড়ে চালান করে এইসব সামগ্রী।ইদানীং আবার শুরু করেছে মানবপাচার। সেই বোটে পাচারের জন্য মানুষও নিয়ে যাওয়ার তথ্য জানালেন নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র।
মান্নুরুর এসব ককর্মকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিকরা বেশ কিছু লেখালেখি করলেও তার গায়ে লাগতো না কিছুই—বরং আরও বেপরোয়া হয়ে উঠতো!শেষমেশ সেই দাম্ভিকতা গেলো ধরা পড়ার বক্সে!
কোস্ট গার্ড এর অভিযানে ২৯১ বস্তা ইউরিয়া সার, ৯,০৭২ পিস রয়েল টাইগার (এনার্জি ড্রিংকস) সহ বার্মাইয়া মান্নুরু, খায়রুল আমিন মাঝি সহ ৬ পাচারকারী কোস্ট গার্ডের হাতে ধরা পড়লো।
স্থানীয়দের ধারণা, আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে হয়তো-বা দ্রুত জেল ফেরত হবে। কিন্তু ধরাছোঁয়ার বাইরে আছে ও থাকবে তার সাথের মাফিয়া চক্র!
এমএসএম / এমএসএম
রাজশাহীতে দৈনিক বার্তার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন
বাগেরহাট টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে মাদকাসক্তির কুফল ও এর প্রতিকার ইস্যুতে কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা
গোদাগাড়ীতে নদীভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
জিয়ানগর সুধীজনদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা
সিংড়ায় ৫ টি বক অবমুক্ত করলো ইউএনও
শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির ৮ প্লাটুন মোতায়েন
কালিয়ায় অনলাইন প্রতারনায় দুইজন আটক, নগদ টাকা জব্দ
মনপুরায় পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু
ইট ভেঙে জীবিকা চলে শতবর্ষী ছব্দুলের, পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে সেবার মানউন্নয়নে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান নবাগত তত্বাবধায়ক ডাঃ আলী আশরাফ
শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির নতুন কমিটি, সভাপতি মানিক লাল সম্পাদক সুধা রঞ্জন
আত্রাইয়ে বান্দাইখাড়া টেকনিক্যাল কলেজে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন