ক্ষমতার দম্ভে প্রলাপ বকছেন চট্টগ্রামের ডিসি : আইনজীবী সমিতি

চট্টগ্রাম পরীর পাহাড়ে অবস্থিত আইনজীবী ভবনকে অবৈধ আখ্যায়িত করে উচ্ছেদ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক যে প্রচার করছেন তাকে ‘আমলাতান্ত্রিক’ ক্ষমতার দম্ভে পাগলের প্রলাপ বকছেন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী নেতারা। জেলা আইনজীবী সমিতি ও জেলা প্রশাসকের মধ্যকার বিরোধ সম্পর্কে জানতে চাইলে বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এএইচএম জিয়া উদ্দীন এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসক ষড়যন্ত্রমূলক আমলাতান্ত্রিক কূটকৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে গোপনীয় প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে পরীর পাহাড় এলাকা থেকে অবৈধ ভবন উচ্ছেদের সম্মতি নিতে পারে, যার সূত্র ধরে জেলা প্রশাসক যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নির্মিত আইনজীবী ভবনগুলোকে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করে সেগুলো উচ্ছেদ করবেন বলে যে আস্ফালন করছেন তাকে বেআইনি ও ক্ষমতার দম্ভ হিসেবে মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত অন্য আইনজীবীরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী আইনজীবীবান্ধব একজন জননেত্রী। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ছিলেন আইনের ছাত্র। আইনজীবীদের সাথে নিয়ে রাজপথে লড়াই-সংগ্রাম করে আজ সরকার গঠন করছেন। জেলা প্রশাসকের সাথে আইনজীবীদের ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে প্রধানমন্ত্রীর নাম কৌশলে ব্যবহার করে সরকারকে বিব্রত অবস্থার ফেলে আইনজীবীদের মুখোমুখি করা হচ্ছে, যার থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
অ্যাডভোকেট এএইচএম জিয়া উদ্দীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী একজন আইনজীবীবান্ধব নেত্রী। ১৯৮৮ সালে স্বৈরশাসক এরশাদের শাসনামলে নেত্রী চট্টগ্রাম লালদিঘী ময়দানে জনসভা করতে আসলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহায়তায় পুলিশি হামলার স্বীকার হয়, তখন চট্টগ্রাম আইনজীবীরাই নেত্রীর ভ্যানগার্ড হয়ে নেত্রীকে উদ্ধার করে এই জেলা আইনজীবি ভবনে নিয়ে এসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছিল। এই নেত্রী জেনে শুনে কখনো এধরনের গোপনীয় প্রতিবেদন অনুমোদন দিতে পারেন না, এখানে তথ্য গোপন করে কি অনুমোদন এনেছে তা দেখার বিষয় রয়েছে, এখানে আদালত ও আইনজীবি পরস্পর অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাছাড়া আইনজীবী ভবনগুলো আইনজীবী সমিতির নামে বরাদ্দকৃত লিজ নেয়া সম্পত্তি, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সঠিক নিয়ম মেনে ভবনগুলো নির্মাণ করা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনে উঠে এসেছ। আইনজীবী সমিতির ভবন ফুটপাতের কোনো দোকান নয় যে, জেলা প্রশাসক চাইলেই ভেঙ্গে ফেলতে পারবে। ডিসি প্রধানমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করছেন, যা নেত্রীকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াস। ১২৫ বছর ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির ইতিহাস সম্পর্কে এই জেলা প্রশাসকের কোনো ধারণা নেই, তাই উনি চট্টগ্রামে যোগদান করার পর থেকে আইনজীবীদের সম্পর্কে নানা ধরনের ভিত্তিহীন বিষোদ্গার করে যাচ্ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও মানহানিকর। বরং জেলা প্রশাসনের লোকজন এ এলাকায় নানা ধরনের অবৈধ দোকান বসিয়ে তাদের থেকে নিয়মিত ভাড়া আদায় করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন এই আইনজীবী নেতা।
সরকারের নির্দেশনার পর পরীর পাহাড়ে চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় থাকা অবৈধ স্থাপনার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য সিডিএ তালিকা করবে। যেহেতু সিডিএ অনুমোদন দেয়, তালিকা করে আমাদের দেবে। আমরা উচ্ছেদ নোটিস সৃজন করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার জন্য উদ্যোগ নেব।
এমএসএম / জামান

গাজীপুরে অন্তহীন অভিযোগে অভিভাবকদের তোপের মুখে প্রধান শিক্ষক!

ভূঞাপুরে টাইফয়েড টিকাদান বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন সভা

রাণীশংকৈলে পুলিশের ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠিত

সবুজে ঢেকে যাক কালকিনি: পরিবেশ রক্ষায় আনসার-ভিডিপি’র অঙ্গীকার

অভয়নগরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

শ্রীমঙ্গলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত -১

তানোরে ব্যাক ডেট ও জালিয়াতি নিয়োগের তদন্তে হাজির হননি ভারপ্রাপ্ত অধ্যাক্ষ

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে স্কুল শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন

চট্টগ্রামে নেক্সাস ফেস্ট-২০২৫ সম্পন্ন

পিআর পদ্ধতিতে ভোট হলে মনোনয়ন বাণিজ্য বন্ধ হবে: জামায়াতের অধ্যাপক মজিবুর রহমান

শ্রীপুরে পরিবেশ বিপর্যয় রোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা

অনার্সের খাতা দেখেন কলেজ হোস্টেলের গার্ড !
