ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

ফরিদপুরে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার


এহসান রানা, ফরিদপুর photo এহসান রানা, ফরিদপুর
প্রকাশিত: ১৯-৯-২০২১ বিকাল ৫:৩১

সংঘবদ্ধভাবে মোটরসাইকেল ছিনতাই করত ওরা। সাথে নগদ টাকা ও মালামাল। টার্গেট ছিল দামি ও নতুন মোটরবাইকের দিকে, যেটায় চালক একাই থাকত এবং গন্তব্য থাকত দূরবর্তী কোথাও। দলের সবাই সাভারের আশুলিয়া এলাকায় গাড়ি চালাত। সামনের গাড়িতে পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাই করার সময় পেছনে থাকত আরো একটি প্রাইভেটকার। সাথে থাকত ওয়াকিটকি, হ্যান্ডকাপ ও পুলিশের বিশেষ পোশাক। কাজ শেষে প্রাইভেটকারে করে পালাতো ওরা। এমন একটি ঘটনার অভিযোগ পেয়ে সংঘবদ্ধ এই ছিনতাইকারী চক্রের ৫ সদস্যকে অবশেষে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ হতে ছিনতাইকাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারসহ হ্যান্ডকাপ, ওয়াকিটকি, পুলিশের বিশেষ পোশাক ও লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও তদন্ত) জামাল পাশা। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন সরকার ও কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ সুমন সরকার উপস্থিত ছিলেন।

আটককৃতরা হলো, মধুখালীর বাগাটের জাকির হোসেন বিশ্বাসের ছেলে জুয়েল রানা (৩১), তার ভাই আল আমীন (৩০), আলফাডাঙ্গার কামারগ্রামের রবিউল আলমের ছেলে বাবুল আক্তার (৪৩), বালিয়াকান্দির আড়পাড়া গ্রামের বাল্লুক মৃধার ছেলে আশিক মৃধা (৩৭) এবং আশুলিয়ার রফিকুল ইসলামের ছেলে ইমরান হোসেন (২৩)। 

প্রেস ব্রিফিংয়ে জামাল পাশা জানান, মুন্নু শেখ (৩৫) নামে এক এনজিওকর্মী গত ৯ সেপ্টেম্বর মোটরসাইকেলে ঢাকার বাড্ডা থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত ৯টার দিকে ৫ ছিনতাইকারী কানাইপুরের করিমপুর হাইওয়ে ব্রিজের ওপর থেকে তাকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে চোখ বেঁধে ফেলে। তারপর প্রথমে তার সাথে থাকা বেতনের ৩৫ হাজার টাকা ও বিকাশ অ্যাকাউন্টে থাকা সাড়ে ১৯ হাজার টাকাসহ তার মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে তাকে মাইক্রোবাস থেকে নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ঘটনার শিকার মুন্নু শেখ বলেন, ছিনতাইকারীরা প্রথমে তার মোটরসাইকেলের চাবি কেড়ে নিতে গেলে তার সাথে ধস্তাধস্তি হয়। পরে তাকে পা‍ঁজাকোলা করে গাড়িতে তুলে চোখ বেঁধে ফেলে। তার সাথে থাকা টাকা-পয়সা কেড়ে নেয়ার পর তাকে বাড়ি থেকে ফোন করে ২ লাখ টাকা পাঠানোর জন্য বলতে বলে। এরপর তিনি বাড়িতে ফোন করে যত টাকা পারে পাঠাতে বলেন। তিনি বলেন, টাকা-পয়সা নেয়ার পর ছিনতাইকারীরা চোখ বেঁধে তাকে গাড়ি থেকে ফেলে দিতে চাইলে তিনি তাদের চোখ খুলে নামিয়ে দেয়ার অনুরোধ করেন।

উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, এই চক্রের মূল মাস্টার মাইন্ড হচ্ছে জুয়েল রানা। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ১৬টি মামলা রয়েছে। একটি মামলায় সাড়ে চার বছর সাজা খেটে কোরবানির ঈদের আগে সে জেল হতে বেরে হয়। তার ভাই আল আমীন ছিনতাইকৃত টাকার ব্যবস্থাপনা করত। চক্রের কেউ গ্রেফতার হলে তাকে টাকা-পয়সা খরচ করে বের করার দায়িত্বও ছিল আল আমীনের ওপর। এই চক্রের অপর সদস্য বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা রয়েছে। সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতুতে একটি ডাকাতির ঘটনায় গ্রেফতার হয়ে জুয়েল ও বাবুল জেলে যায়। সেখান থেকে তাদের সাথে অন্যদের পরিচয় হলে গত বছর জেলে বসেই তারা সংঘবদ্ধ এই দল গঠন করে। 

এমএসএম / জামান

টাঙ্গাইলে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

শরণখোলায় আমগাছে মিললো দিনমজুরের ঝুলন্ত লাশ

বিশ্ব দৃষ্টি দিবসে অভয়নগরে চক্ষু চিকিৎসাসেবা ও সচেতনতামূলক র‍্যালি

পল্লীবিদ্যুতের খুঁটি বাসনো নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ব্যক্তির মৃত্যু

ধামরাইয়ে দুই অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, দেড় লাখ টাকা জরিমানা

চাপাইনবাবগঞ্জে ৫ উপজেলায় বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন।

ভূমি ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের জরুরী হস্তক্ষেপ কামন। শ্যামনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, কর্তৃপক্ষ নীরব

‎দলীয় সমর্থনে জীবন বৃত্তান্ত জমা দিলেন রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশী ইসমাইল বিন মনির

কোনাবাড়ীতে বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

মেঘনায় মা ইলিশ শিকার করায় ১০ জেলে আটক, জাল ও ইলিশ জব্দ

রাজারহাটে পৃথক অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার

দেশীয় প্রজাতির মাছের সংকটে আত্রাইয়ের শুঁটকি পল্লীতে নেই প্রাণচাঞ্চল্যতা

টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেপ্তার, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা