সোনার চোরাচালান, ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ
দায়মুক্তির নামে বিমানকে বেহাল করার অভিযোগ পরিচালকের বিরুদ্ধে
রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রুদের সোনা চোরাচালানে যুক্ত থাকার বিষয়টি নতুন নয়। এ ধরনের ঘটনায় বারবার কেবিন ক্রু আটক হলেও রহস্যজনকভাবে তাদের দায়মুক্তি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিমানেরই প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, প্রতিটি দায়মুক্তির জন্য তিনি ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিচ্ছেন। এতে বিমানের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং পুরো সংস্থাটির অভ্যন্তরে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি শাহজালাল বিমানবন্দরে কাস্টমসের হাতে স্বর্ণসহ আটক হন কেবিন ক্রু মর্জিনা আক্তার এলিন। কাস্টমসের কাছে লিখিতভাবে তিনি নিজেই স্বর্ণ বহনের কথা স্বীকার করেন। এরপর কাস্টমস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিমানের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি পাঠানো হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর এলিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও, দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ২৭ আগস্ট তাঁকে সম্পূর্ণ নির্দোষ আখ্যা দিয়ে দায়মুক্তি দিয়েছে বিমানের প্রশাসন বিভাগ। কাস্টমস যেখানে আটকের পর স্বয়ং অভিযুক্তের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পেয়েছে, সেখানে বিমানের এই তদন্ত রিপোর্ট সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
একইভাবে, চলতি বছরের ১৩ মে রিয়াদ থেকে ফেরার পর কাস্টমসের কাছে তিনটি সোনার চুড়ি নিয়ে ধরা পড়েন কেবিন ক্রু হোসনে আরা। তাঁকে সাময়িকভাবে গ্রাউন্ডেড করা হলেও, অভিযোগ উঠেছে যে তদন্তে প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের বিশেষ তদবিরে তাঁকে ‘নির্দোষ’ বানানোর প্রক্রিয়া চলছে। সর্বশেষ ৪ আগস্ট শাহজালাল বিমানবন্দরে সোনা ও আইফোনসহ আটক হন কেবিন ক্রু রুদাবা। তাঁকে বরখাস্ত করা হলেও, তাঁকেও দায়মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে একাধিক প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
একাধিক সূত্রের দাবি, আটক ক্রুদের দায়মুক্তি পাইয়ে দেওয়ার মূল হোতা হলেন বিমানের প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম। তাঁর বিরুদ্ধে জনপ্রতি ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে মমিনুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করতে মুঠোফোনে বার বার ফোন দেয়া হলেও মমিনুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি ।
বিমানের একাধিক কর্মকর্তা জানান, মমিনুল ইসলাম শুরু থেকেই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৯ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলায় চাকরি হারিয়ে তিনি দীর্ঘদিন বেকার ছিলেন। পরবর্তীতে ক্ষমতাসীন দলের এক শীর্ষ নেতার আশীর্বাদে তিনি আবারও চাকরিতে ফিরে আসেন। তখন অভিযোগ ছিল, ক্যাডেট পাইলট নিয়োগের সময় তিনি ঘুষ বাণিজ্য করেন। জানা যায়, আগামী অক্টোবরেই অবসরে যাচ্ছেন মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম। শেষ মুহূর্তে তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন এবং কেবিন ক্রুদের দায়মুক্তির নামে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে, যা বিমানের সুনাম ও ভাবমূর্তি দুটোই নষ্ট করছে।
এমএসএম / এমএসএম
বৃহত্তর উত্তরা সর্বোচ্চ উলামা আইম্মা পরিষদের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত
শহীদ মডেল স্কুল এন্ড কলেজ কামারপাড়া তুরাগের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
রাজউকের মোবাইল কোর্ট অভিযানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তিন ভবনে ব্যবস্থা, মিটার জব্দ
জন্মনিয়ন্ত্রণে ‘ভূতের বাতি’ সামগ্রীর তীব্র সংকটে সেবা ব্যাহত, বঞ্চিত কোটি কোটি দম্পতি
ফায়ারের ডিজির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত ফায়ার ফাইটার কামাল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে মালামাল চুরির ঘটনায় গ্রেফতার ২
সাংবাদিকের ওপর হামলা হোটেল বায়ান্ন ইন্টারন্যাশনাল কর্মচারীদের
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে ফরেস্ট গার্ডদের মামলা পদোন্নতির সমাধান আদালতে
‘সংরক্ষিত আসনের জন্য আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, ফিরিয়ে দিয়েছি’
সন্ত্রাসী ভাড়া করে ক্যান্সার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে ছুরিকাঘাত
পোড়া তেল ব্যবহার না করার আহ্বান বিএফএসএ চেয়ারম্যানের