ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

সোনার চোরাচালান, ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ

দায়মুক্তির নামে বিমানকে বেহাল করার অভিযোগ পরিচালকের বিরুদ্ধে


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩০-৮-২০২৫ দুপুর ১২:১৩

রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রুদের সোনা চোরাচালানে যুক্ত থাকার বিষয়টি নতুন নয়। এ ধরনের ঘটনায় বারবার কেবিন ক্রু আটক হলেও রহস্যজনকভাবে তাদের দায়মুক্তি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিমানেরই প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, প্রতিটি দায়মুক্তির জন্য তিনি ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিচ্ছেন। এতে বিমানের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং পুরো সংস্থাটির অভ্যন্তরে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি শাহজালাল বিমানবন্দরে কাস্টমসের হাতে স্বর্ণসহ আটক হন কেবিন ক্রু মর্জিনা আক্তার এলিন। কাস্টমসের কাছে লিখিতভাবে তিনি নিজেই স্বর্ণ বহনের কথা স্বীকার করেন। এরপর কাস্টমস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিমানের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি পাঠানো হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর এলিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও, দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ২৭ আগস্ট তাঁকে সম্পূর্ণ নির্দোষ আখ্যা দিয়ে দায়মুক্তি দিয়েছে বিমানের প্রশাসন বিভাগ। কাস্টমস যেখানে আটকের পর স্বয়ং অভিযুক্তের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পেয়েছে, সেখানে বিমানের এই তদন্ত রিপোর্ট সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

একইভাবে, চলতি বছরের ১৩ মে রিয়াদ থেকে ফেরার পর কাস্টমসের কাছে তিনটি সোনার চুড়ি নিয়ে ধরা পড়েন কেবিন ক্রু হোসনে আরা। তাঁকে সাময়িকভাবে গ্রাউন্ডেড করা হলেও, অভিযোগ উঠেছে যে তদন্তে প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের বিশেষ তদবিরে তাঁকে ‘নির্দোষ’ বানানোর প্রক্রিয়া চলছে। সর্বশেষ ৪ আগস্ট শাহজালাল বিমানবন্দরে সোনা ও আইফোনসহ আটক হন কেবিন ক্রু রুদাবা। তাঁকে বরখাস্ত করা হলেও, তাঁকেও দায়মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে একাধিক প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

একাধিক সূত্রের দাবি, আটক ক্রুদের দায়মুক্তি পাইয়ে দেওয়ার মূল হোতা হলেন বিমানের প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম। তাঁর বিরুদ্ধে জনপ্রতি ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে মমিনুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করতে মুঠোফোনে বার বার ফোন দেয়া হলেও মমিনুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি । 

বিমানের একাধিক কর্মকর্তা জানান, মমিনুল ইসলাম শুরু থেকেই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৯ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি মামলায় চাকরি হারিয়ে তিনি দীর্ঘদিন বেকার ছিলেন। পরবর্তীতে ক্ষমতাসীন দলের এক শীর্ষ নেতার আশীর্বাদে তিনি আবারও চাকরিতে ফিরে আসেন। তখন অভিযোগ ছিল, ক্যাডেট পাইলট নিয়োগের সময় তিনি ঘুষ বাণিজ্য করেন। জানা যায়, আগামী অক্টোবরেই অবসরে যাচ্ছেন মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম। শেষ মুহূর্তে তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন এবং কেবিন ক্রুদের দায়মুক্তির নামে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে, যা বিমানের সুনাম ও ভাবমূর্তি দুটোই নষ্ট করছে।

এমএসএম / এমএসএম

মিরপুর কলেজের দেয়াল ধস: তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস ফেরদৌসী আহমেদ এমপির

মিরপুরে দেয়াল ধসে ২ জন নিহত

ন্যায্যভিত্তিক সমাজ গঠনে বিভাজনের বদলে ঐক্যের আহ্বান

নলতায় ফারজানার লাশ দেখে অজ্ঞান হন হত্যা মামলার সাক্ষী হামিদুল মোড়ল

টেন্ডার শেষ হওয়ার আগেই বরাদ্দ, নাফরিজা শ্যামার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

১৬ ডিসেম্বর তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের প্রস্তুতি: ORAT কার্যক্রম শুরুর তাগিদ

বিশ্ব প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবসে ঢাকায় দ্বিতীয় মিয়াওয়াকি আরবান ফরেস্ট উদ্বোধন

খিলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী পাগলা সোহেল গ্রেফতার পর এলাকায় স্বস্তি মিলেছে

রাজউকের জোন-৭/১ এলাকায় মোবাইল কোর্ট: ১২ ভবনে অভিযান, ১৮টি বিদ্যুৎ মিটার জব্দ

অন্যায্যভাবে চাকরিচ্যুত ৫৬২ পুলিশ সদস্যের পুনর্বাহাল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি মানববন্ধন

স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচারের শিকার হচ্ছে জাতীয়তাবাদীর আদর্শের সৈনিক ওসি কামরুল হাসান

রাজধানীর ভাটারায় ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীর কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবী

উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসাসেবা পেলেন নারী-পুরুষ ও শিশু