আলোচনায় আওয়ামী ঘরানার বিতর্কিত কৃষিবিদ ড. আব্দুছ ছালাম
বিএআরসিতে নতুন নির্বাহী চেয়ারম্যান নিয়োগে জোর লবিং
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) নতুন নির্বাহী চেয়ারম্যান নিয়োগকে ঘিরে জোর আলোচনা ও তদবির শুরু হয়েছে। আগামী নভেম্বর মাসে বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজমুন নাহার করিম নিয়মিত অবসরে যাচ্ছেন। তাঁর বিদায়ের আগেই কৃষি মন্ত্রণালয় নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বুধবার ২৯ অক্টোবর এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব তথ্য পাওয়া যায়। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিএআরসি দেশের কৃষি গবেষণার কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গবেষণা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা দেয়। তাই নেতৃত্বের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে দক্ষ, সৎ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহল থেকে। সূত্র জানায়, চেয়ারম্যান পদে বর্তমানে চারজন জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানীর নাম আলোচনায় রয়েছে— ড. মো. বক্তিয়ার হোসেন (সদস্য পরিচালক, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা), ড. মো. আব্দুছ ছালাম (সদস্য পরিচালক, শস্য বিভাগ), ড. ছায়ফুল্লাহ (সদস্য পরিচালক, প্রশাসন ও অর্থ), এবং ড. কবির উদ্দিন আহমেদ (মহাপরিচালক, বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট)। এর মধ্যে ড. মো. আব্দুছ ছালাম সিনিয়রিটির কারণে আলোচনায় থাকলেও তাঁর অতীত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ও নৈতিকতার প্রশ্নে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদের আজীবন সদস্য এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকার আমলে তিনি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগ ব্যবহার করে দ্রুত পদোন্নতি, বিভাগ পরিবর্তন এবং একাধিক বিদেশ সফরের সুযোগ পেয়েছেন। ফলে তাঁর সম্ভাব্য নিয়োগ নিয়ে মন্ত্রণালয়ের ভেতরে ও বাইরে সমালোচনা চলছে। বিএআরসির এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, “ড. আব্দুছ ছালাম অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে নানা সুবিধা নিয়েছেন। যদি আবারও এমন ব্যক্তি কৃষির গুরুত্বপূর্ণ পদে বসেন, তবে তা দেশের গবেষণা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলার জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।” অন্যদিকে, ড. মো. বক্তিয়ার হোসেনের অবসরের সময়সীমা স্বল্প হওয়ায় তাঁর সম্ভাবনা কম। ড. ছায়ফুল্লাহ বিএআরসির প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনার জন্য সহকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচকভাবে পরিচিত। ড. কবির উদ্দিন আহমেদও যোগ্যতার দিক থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুধু বিএআরসি নয়— কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই), বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা), কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) এবং বিএডিসির মতো আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব পদও শূন্য বা মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এসব সংস্থায় নতুন নেতৃত্ব নিয়োগে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও সততার পাশাপাশি রাজনৈতিক চাপও বিবেচনায় আসছে। কৃষি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই কৃষি গবেষণার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এসব প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বের উপর। তাই এবার রাজনৈতিক প্রভাব নয়, পেশাদার ও নিরপেক্ষ নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়াই সময়ের দাবি।
এমএসএম / এমএসএম
বৃহত্তর উত্তরা সর্বোচ্চ উলামা আইম্মা পরিষদের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত
শহীদ মডেল স্কুল এন্ড কলেজ কামারপাড়া তুরাগের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
রাজউকের মোবাইল কোর্ট অভিযানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তিন ভবনে ব্যবস্থা, মিটার জব্দ
জন্মনিয়ন্ত্রণে ‘ভূতের বাতি’ সামগ্রীর তীব্র সংকটে সেবা ব্যাহত, বঞ্চিত কোটি কোটি দম্পতি
ফায়ারের ডিজির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত ফায়ার ফাইটার কামাল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সঙ্গে বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে মালামাল চুরির ঘটনায় গ্রেফতার ২
সাংবাদিকের ওপর হামলা হোটেল বায়ান্ন ইন্টারন্যাশনাল কর্মচারীদের
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে ফরেস্ট গার্ডদের মামলা পদোন্নতির সমাধান আদালতে
‘সংরক্ষিত আসনের জন্য আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, ফিরিয়ে দিয়েছি’
সন্ত্রাসী ভাড়া করে ক্যান্সার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে ছুরিকাঘাত
পোড়া তেল ব্যবহার না করার আহ্বান বিএফএসএ চেয়ারম্যানের