স্ত্রী পমির করা মামলায় যৌতুকলোভী স্বামী হারুন জেলে
যৌতুকলোভী স্বামীর নির্যাতন ও শ্বশুরবাড়ির লোকের টাকার চাপ সইতে না পেরে ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার পমি। গত ১৮ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ফেনী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করা হয়। উক্ত মামলায় প্রধান আসামি স্বামী হারুন অর রশীদকে পুলিশ গ্রেফতার করেন। আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে। বাকি তিনজন পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায, ২০০৮ সালের ২৩ জুন হারুন অর রশিদ, পিতা আবদুল গোফরান পূর্ব বাকমারা পাটোয়ারী বাড়ি খন্ডলহাই পরশুরাম ফেনীর সাথে ইয়াছমিন আক্তার পমি ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। নতুন বরের সন্মান রক্ষার্থে একটি মোটরসাইকেল ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার প্রায় ৪ লাখ টাকা, ফার্নিচার বাবদ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অজুহাতে প্রায় ১৬ লাখ টাকা আদায় করেন হারুন তাদের সংসার জীবনে। সংসারে তিনটি সন্তানের কথা বিবেচনায় স্বামীর অত্যাচার সইতে না রেরে বিভিন্ন ধাপে উক্ত টাকাগুলো দিতে বাধ্য হন।
বাদী ইয়াছমিন আক্তার পমি দাগনভূঞায় একটি ইলেকট্রনিক সিটি (আকাই) কোম্পানিতে চাকরি করেন। অফিসের লোক প্রয়োজন থাকায় তার ননদের স্বামী ৩নং আসামি মিজানুর রহমানকে (৪৮) অফিস সহকারীর চাকরি দেন। পরবর্তীতে ইয়াছমিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করে তার কর্মস্থলে পাঠায়। অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে মিথ্যা প্রমাণিত হলে মিজানুর রহমান চাকরিচ্যুত হন।
এতে ইয়াছমিনের স্বামী ক্ষিপ্ত হয়ে ১নং আসামি হারুন অর রশিদ (দাগনভূঞা সিঙ্গার শোরুমের ম্যানেজার), বোন চাঁনধন আক্তার (৩৭), মিজানুর রহমান (৪৮) ও সালমান এম রহমানসহ (২১) বাদীর বসতবাড়ি ফেনীর আলোকদিয়া ৬নং সদর কালিদাহ ইউনিয়ন, ফেনীতে গিয়ে পূর্বের ন্যায় গত ১৫ ও ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় যৌতুক দাবি করেন। অন্যথায় তালাক দেবেন বলে স্ত্রীকে হুমকি, মারধর, ননদ চুলের মুঠি ধরে কিলঘুষি, কানের ছিদ্র করা, বেল্ট দিয়ে পেটানোসহ মারাত্মক জখম করেন চারজন। ইয়াছমিন আক্তার ফেনী সদর হাসপাতাল চিকিৎসা গ্রহণ করেন এবং আইনের আশ্রয় নেন।
তিনি আরো জানান, উস্কানিদাতা তার স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা অর্থলোভী। তার ভাইদের নারী কেলেঙ্কারি বিষয়ে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। তার মেজো জা রিনা আক্তারের স্বামীর বিরুদ্ধে করা মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। ইয়াছমিনের বিয়ের পর থেকে তার স্বামী হারুন চাকরির কথা, ব্যবসা-বাণিজ্য করাসহ নানা কৌশল অবলম্বন করে আসছে টাকার জন্য। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অজুহাতে মিথ্যার আশ্রয়ে প্রায় ১৮ লাখ টাকা নগদ হাতিয়ে নেয়। ইয়াছমিন আক্তার পমির পিতা কাজী নজরুল ইসলাম মেয়ের সুখ-শান্তির কথা চিন্তা করে মেয়ে ইয়াছমিনের নামে ৬ শতক জমি লিখে দেন। ওই জমিটিও স্বামী হারুনকে হেভা দলিল রেজিস্ট্রি করে দিতে বাধ্য হন।
বাদী ইয়াছমিন আক্তার পমি স্বামী হারুনের অমানুষিক নির্যাতন ও অর্থ হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন। তিনি আইনের সু্বিচার ও পলাতকদের আইনের আওতায় আনার অনুরোধ জানান।
এ বিষয়ে ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নিজাম উদ্দিন জানান, ১নং আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এমএসএম / জামান
টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজে নবীনবরণ, দেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জিলানীর
দৌলতপুরের ধর্মদহে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক কারবারের অভিযোগ, আলোচনায় রাজু মালিথা
কোনাবাড়ীতে গ্যাস সংকটে ভোগান্তির স্বীকার ৩ শতাধিক পরিবার
কোটা মাদরাসার অধ্যক্ষকে অপসারণের দাবি, মাঠে গ্রামবাসী-অভিভাবকেরা
রায়গঞ্জে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন
মেঘনায় জেলেদের ধাওয়ায় ডুবল নৌ-পুলিশের স্পিডবোট, নিখোঁজ শটগান
ধনবাড়ীতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের ব্যতিক্রমী হাডুডু খেলা, দর্শকদের ভিড়
আনোয়ারায় বিএনপির সমর্থন পেতে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিলেন দিল মোহাম্মদ মঞ্জু
বাঘায় উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
নেত্রকোণায় রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের বিশেষ সাধারণ সভা ও দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত
বিদ্যুৎ সংকটেও মাসব্যাপী মেলার আয়োজন, -মাঠের মালিক আত্মগোপনে থাকা আ. লীগ নেতা
মেহেরপুরে সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ খাতে ১১৩ জনের মাঝে চেক বিতরণ