মনপুরায় বেড়িবাঁধ নির্মাণে লবণ পানি ব্যবহার: বাড়ছে ভাঙনের আশঙ্কা
ভোলার মনপুরায় ৫০.৭০০ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ উন্নয়নের কাজ শুরু হয় ২৩-২৪ অর্থ বছরে । ভোলা জেলা মুজিব নগর মনপুরা উপকূলীয় বাঁধ পূর্ণবাসন নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এই প্রকল্প টি শুরু করা হয়। এই কাজের শুরুথেকে ৬ টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান (১)এন.বি.ই(২)ওটি.বি.এল(৩)জি.সি.এল(৪)এল.এ.কে.এস.এস.এ(৫)পি.ডি.এল, এবং ওয়েস্টান শুরু করে।
এরপর স্থানীয় বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সাব ঠিকাদার নিয়োগ করে ৬ টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান । তারপরই শুরু হয় নানা অনিয়ম, ওঠে বিস্তর অভিযোগ। স্থানীয়রা জানান , উপকূলের রক্ষাকবজ বেড়িবাঁধ নির্মাণে স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বালুর পরিবর্তে মাটি ব্যবহার করছে। এমনকি বালু মিশ্রিত মাটি আনা হচ্ছে মনপুরার আশেপাশের চরগুলো থেকে । যার ফলে হুমকির মুখে পড়তেছে মানুষের জানমাল রক্ষাকবচ সংরক্ষিত চর। এ ছাড়াও নদী ও মনপুরা উপকূলীয় এলাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজে লবণাক্ত পানি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনই বাঁধের মাটি কাটাসহ সুরক্ষা বলয় তৈরির কাজে নোনাপানি ঢেলে মাটি ভেজাতে দেখা যাচ্ছে শ্রমিকদের। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাজের মান, প্রকৌশল নীতি এবং টেকসই নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে জনমনে ।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)-এর বাঁধ নির্মাণ নীতিমালায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে, মাটি কম্প্যাকশন ও বাঁধ শক্ত করার কাজে অবশ্যই স্বাদুপানি ব্যবহারের নির্দেশনা রয়েছে। কারণ -লবণ পানি মাটির প্রাকৃতিক বন্ধন কমিয়ে দেয়,দীর্ঘমেয়াদে মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি করে,বাঁধের স্থায়িত্ব কমে যায়,দ্রুত ধসের ঝুঁকি বাড়ে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান,
“নোনাপানি ব্যবহার করলে মাটি শক্ত না হয়ে বরং ভেঙে পড়ার প্রবণতা বাড়ে। নিয়মমানা ছাড়া এ ধরনের কাজ উচ্চঝুঁকিপূর্ণ।”স্বাদুপানির বদলে লবণ পানি ঢালা হচ্ছে,নিম্নমানের মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে,পর্যাপ্ত তদারকি নেই,জনগণকে কোনো তথ্য না দিয়ে প্রকল্প এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় এক কৃষক জানান, এই বেড়িবাঁধ মনপুরার রক্ষা কবজ বেড়িবাঁধের কাজ ভালো না হলে প্রথম আঘাতটা আমাদেরই নিতে হবে। এই বেড়িবাঁধ নির্মাণে আমাদের পুরানো বাপ-দাদার বিটা মাটি হারাইছি এখন অনিয়মের কারণে বাড়িঘর, ফসল-সব ঝুঁকিতে থাকবে।
সিমেন্ট বালু মিশ্রিত জিও ব্যাগ এ পানি দিতে থাকা ব্যাক্তি বলেন, এই পানি লবণাক্ত কিন্তু এ ছাড়া কোন পানির ব্যাবস্থা না থাকায় এই পানি বস্তায় দেওয়া হচ্ছে। এই পানি বড় বড় ইঞ্জিনিয়ার পরিক্ষা করে আমাদেরকে দিতে বলেছে।
এ বিষয়ে জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো:আসফাউদদৌলা সকালের সময় কে বলেন,পুকুর থেকে মিষ্টি পানি বস্তায় দেওয়ার কথা । যদি লবণ পানি ব্যাবহার করা হয়ে থাকে তাহলে আমি এখনই ব্যাবস্তা গ্রহণ করছি।
এমএসএম / এমএসএম
নওগাঁয় মৌসুমে নষ্ট হয় ৩০০ কোটি টাকার আম, শিল্পায়নের দাবি চাষিদের
ইউটিউব দেখে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার স্কুলছাত্রের তৈরি বিমান উড়ল আকাশে
বাকেরগঞ্জে দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের টাকা বিতরণ করলেন এমপি আবুল হোসেন খান
দেবীগঞ্জে মামলা থেকে ভাই ও স্বজনদের বাঁচাতে ডিএসবি সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ
মেহেরপুরে গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত
পার্বত্যমন্ত্রী এ্যাড. দীপেন দেওয়ানকে পদত্যাগের প্রতিবাদে কাপ্তাইয়ে মানববন্ধন
বোয়ালমারীতে যুবক খুন,পাট ক্ষেত থেকে মরদেহ উদ্ধার
নিজের জীবন বাজি রেখে যাত্রীদের বাঁচানো দুলালের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ইউএনওর
কুড়িগ্রামে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২
রায়গঞ্জে প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
রাণীনগরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে দুই ভাইয়ের বসতবাড়ি পুড়ে ছাই
মনপুরায় জমি বিরোধের জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, মাছ নিধনের অভিযোগ