মান্দায় স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ
নওগাঁর মান্দা উপজেলার বিজয়পুর এলাকায় নির্মাণাধীন উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়) বাস্তবায়নে অনিয়ম ও ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হয়নি। বালুর পরিবর্তে লাল মাটি দিয়ে চলছে মাঠ ভরাটের কাজ।
স্থানীয় প্রশাসনের তদারকি না থাকায় নির্মাণ কাজের শুরু থেকেই নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ উঠে। প্রকল্পটির বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
তবে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট একটি সাইনবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ এই মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। কাজের নির্ধারিত মেয়াদ ছিল ৯ মাস। চুক্তি মূল্য ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৮৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মাধ্যমে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। কয়েক দফা মেয়াদ বাড়ানোর ফলে এর নির্মাণ ব্যয় বেড়েছে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাঠের পশ্চিম ও দক্ষিণ পাশে ৩টি গ্যালারি এবং একটি অফিস কাম ভিআইপি গ্যালারি নির্মাণ করা হয়েছে। পুরাতন রড, সিমেন্ট আর বালুর ঢালাই দিয়ে অবকাঠামো দাঁড় করানো হলেও পুরো কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি। স্টেডিয়াম এলাকায় কোনো নির্মাণ শ্রমিককেও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
বিজয়পুর গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান বলেন, মিলন নামের একজন লোককে মাঝে মধ্যে দেখা যায়। তিনি ট্রাক্টর দিয়ে মাঠ ভরাটের কাজ করছেন। সেই কাজটিও থমকে আছে র্দীঘদিন ধরে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মাঠ ভরাট কাজে বালুর পরিবর্তে লাল মাটি ব্যবহার করা হলে তাতে পানি জমে থাকবে। এ কারণে বর্ষা মৌসুমে মাঠটি খেলাধূলার জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়বে। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মিনি স্টেডিয়ামটি কোনো কাজেই আসবে না।
স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, প্রকল্প শুরুর দুই বছর পার হলেও কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। এখনো স্টেডিয়ামের অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হয়নি। তদারকি না থাকায় নির্মাণ কাজের শুরু থেকেই নিম্নমানের পুরাতন রড, ইটের খোয়া ও উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। মাঠ ভরাট কাজেও সিডিউল বহির্ভূতভাবে বালুর পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে লাল মাটি। স্থানীয়ভাবে ইউএনও কিংবা উপজেলা প্রকৌশলী কেউ কিছুই বলতে পারেন না এই নির্মাণ কাজ সর্ম্পকে।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জাকিউল্লাহ এন্ড ব্রাদার্সের ম্যানেজার মিলন হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘সিডিউল সম্পর্কে আমার কিছুই জানা নেই। উপর থেকে যেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয় সেভাবেই কাজ করছি। এর বাইরে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের মোবাইল নম্বর দিতেও অপারগতা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মকলেছুর রহমান বলেন, মেয়াদ বাড়ানোর ফলে ব্যয় বেড়েছে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা। আগামি জুন মাসের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, মাটি দিয়ে মাঠ ভরাটের কোনো সুযোগ নেয়। এ ধরণের কাজ হয়ে থাকলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রকল্প সম্পর্কে জানতে চাইলে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেন, ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাজ এটি। এর বাইরে আমার কিছুই জানা নেই।
এমএসএম / এমএসএম
ভারতের চোরাই মালসহ গ্রেফতার -১
ধামইরহাট উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে সমাবেশ ও মিছিল
কুড়িগ্রামে ৭ম কাব ক্যামপুরি অনুষ্ঠিত
বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার বিতরণ
গাসিকে নাগরিক সেবা ডিজিটালাইজেশন: হোল্ডিং ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স অটোমেশনের সফটওয়্যার চালু
টাঙ্গাইল বন বিভাগের ১২ একর জমি দখলের অভিযোগ দুর্নীতির বরপুত্র শিক্ষা কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ এর বিরুদ্ধে
ঠাকুরগাঁওয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ভূল্লীতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
ভূরুঙ্গামারীতে ‘স্পেস টু লিড’ প্রকল্পের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা
উলিপুর সরকারি কলেজে নবীন বরন অনুষ্ঠিত
জামিনে বের হয়ে এসে মাদকব্যবসায়ি ফের গ্রেপ্তার
পাবনায় মাদকাসক্তির ক্ষতিকর প্রভাব ও করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
লাকসামে নওয়াব ফয়জুন্নেচ্ছা সরকারি কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত