ঢাকা সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

মনোহরগঞ্জে উপজেলায় নেই খাদ্য গুদাম, ২৩ বছর থেকে জন দুর্ভোগ


আবদুর রহিম, মনোহরগঞ্জ photo আবদুর রহিম, মনোহরগঞ্জ
প্রকাশিত: ১০-৫-২০২৬ দুপুর ২:১৯

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় খাদ্য গুদাম নেই । সরকারের ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না, ধান সংগ্রহসহ সরকারি সেবা ব্যাহত,ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা। কাবিকা, ওএমএস, ভিজিভি,ভিজিএফ,জিআর,টিয়ার সহ মনোহরগঞ্জের সকল কার্যক্রম লাকসাম উপজেলা খাদ্য গুদাম থেকে পরিচালিত হওয়ায় জনদুর্ভোগ বাড়ছে। ধানের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের কৃষকরা। উপজেলায় খাদ্যগুদাম না থাকায় পার্শ্ববর্তী লাকসাম উপজেলায় গিয়ে ধান বিক্রয় করতে নানা বিড়ম্বনায় পড়ছেন এ এলাকার কৃষকরা। সরকারিভাবে ধান মনপ্রতি( ১৪৪০) টাকা নির্ধারণ করা হলেও বাজারে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির ধান। এতে ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন এখানকার কৃষকরা। স্বল্পমূল্যে মধ্যস্বতভোগীদের হাতেই যাচ্ছে কৃষকের এ ধান। স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ এলাকায় একমাত্র ফসল বোরোর উপর নির্ভরশীল তারা। সারা বছরের খোরাকির ধান ব্যবস্থা করে মজুরি খরচ ও আর্থিক সংকটে পড়ে ধান কাটার সঙ্গে সঙ্গেই বিক্রি করে ফেলেন অধিকাংশ কৃষক। বীজ  রোপন থেকে শুরু করে ঘরে তোলা পর্যন্ত সবকিছু উচ্চ মূল্যে পরিশোধে এ এলাকার কৃষকরা ধানের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিয়ে হতাশ। কৃষকরা জানান স্থানীয় হাটে নেই ন্যায্যমূল্যের প্রভাব, যেখানে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে মনপ্রতি প্রায় (৫০০) টাকা কমমূল্যে বিক্রি করতে হয় ধান। এক মন ধান বিক্রি করে একজন শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করতে হিমশিম খাওয়ার কথা জানান তারা। উপজেলার হাটিরপাড়, দিশাবন্দ, ঝলম,লৎসর সহ কয়েক গ্রামের কৃষক  ফারুক, আবুছায়েদ, জিরাজুল ইসলাম,আবুল কালাম, ইউনুস আলীর সাথে এ বিষয়ে কথা হলে তারা বলেন ডিজেল, বিদ্যুতের দামের পাশাপাশি বেড়েছে সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি। সবমিলিয়ে বেড়েছে বোরো ধান উৎপাদনের খরচ। এবার ফলন ভালো হলেও কালবৈশাখী ঝড় বৃষ্টিয়ে ধানের ফসল লন্ডভন্ড হয়ে যায়।কিন্তু হাটে পাওয়া যাচ্ছেনা ধানের ন্যায্যমূল্য। সরকারের  নির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রি হয় না, মধ্যস্বত্তভোগীদের নিকট স্বল্পমূল্যে ধান ছেড়ে দিতে হয় কৃষককে। তাছাড়া এ উপজেলায় ২৩ বছরেও খাদ্যগুদাম না থাকায় ১১কি.মি. দুরে  লাকসাম উপজেলায় খাদ্যগুদামে গিয়ে ধান বিক্রয় করতে যাতায়াত, আর্থিক সময়, নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। ফলে তৃণমূলের অধিকাংশ কৃষক এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়।  মনোহরগঞ্জ বাজার ধান ব্যবসায়ী মোঃ আবদুল কাদের মোল্লা বলেন - ধানে ন্যায্য মূল্য না থাকায় কৃষকরা ক্ষতির  সম্মুখীন,২০০৪ সালে বৃহত্তর লাকসাম থেকে ১১ টি ইউনিয়ন নিয়ে এ উপজেলা গঠিত হয়। ২৩ বছরেও এ উপজেলায় একটি খাদ্য গুদাম হয় নাই। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার তুষার এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, এবার এ উপজেলায় ৯ হাজার ৬০০শ ৯৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে। আবাদকৃত জমির ৯৫ শতাংশই হাইব্রিড জাতের ধান। এ উপজেলায় প্রায় ৭২ হাজার ৩শ ৯০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হওয়ার কথা জানান তিনি। এবার সরকারিভাবে প্রতি কেজি ধানের মূল্য ৩৬ টাকা ও প্রতিমণ ধানের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৪শ ৪০ টাকা।উপজেলা নির্বাহী অফিসার গাজালা পারভীন রুহি বলেন -  এখানে খাদ্য গুদাম নেই, উদ্যতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে এউপজেলায় খাদ্যগুদাম করা হবে, কৃষকরা তখন তাদের ন্যায্য মূল্যে ধান বিক্রয় করতে পারবে । 

এমএসএম / এমএসএম

গজারিয়ায় ৯ই মে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

পটুয়াখালী বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলে হুইলচেয়ার দিয়ে স্বর্গীয়া মা'র অসিহত পূরন...

ধুনটে অসহায়দের স্বপ্নে নতুন আলো, মিলল গবাদিপশু ও অর্থ সহায়তা

মনপুরায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে মাছ জব্দ, বিক্রির অভিযোগে তোলপাড়

চুনারুঘাটে সেতুর অভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে  চলছে পারাপার

শ্যামনগরে সুন্দরবন সুরক্ষায় আর্থস্কাউট স্কুল ক্যাম্পেইন

গাংনী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদের নাম ঘোষণা

শ্রীমঙ্গলে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ শুরু, বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও চেকপোস্ট কার্যক্রম শুরু

উলিপুরে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন

ধামরাইয়ে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

৫ বছরে দেশে ২০ কোটি গাছ রোপণ করা হবে ত্রানমন্ত্রী

তিস্তার চর থেকে হারিয়ে যাচ্ছে কাউনের সবুজ মাঠ

যশোরে অরক্ষিত ক্রসিংয়ে ফের দুর্ঘটনা, ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ট্রাকচালক