আদাবরে বিএনপি নেতা বাদশা হত্যা: দ্রুত বিচারের দাবিতে সন্ত্রাসবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল
রাজধানীর আদাবরে বিএনপি নেতা আবুল বাশার বাদশা হত্যা মামলার দ্রুত বিচার ও জড়িত সকল আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সন্ত্রাসবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সেখানকার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন যুবদল ছাত্রদল স্থানীয় বাসিন্দারা।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে আদাবরের শাহাবুদ্দিন প্লাজার সামনে জাতীয়তাবাদী যুবদল ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করেন।
এতে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী এবং এলাকার বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন। বিক্ষোভ মিছিলটি আদাবরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, আবুল বাশার বাদশা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত বিচারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তাদের অভিযোগ, বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হলে অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হবে এবং সমাজে এ ধরনের নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।
বক্তারা জানান, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বেশ কয়েকজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে এখনও পলাতক এবং নেপথ্যে থাকা সব আসামিকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, "বাদশা হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ব্যক্তি এবং এ ঘটনায় যারা ইন্ধন জুগিয়েছে, তাদের কাউকেই আইনের আওতার বাইরে রাখা যাবে না। দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।"
তারা আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের বিচার দৃশ্যমান না হলে আদাবরের সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
উল্লেখ্য নিহত আবুল বাশার বাদশা রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গত ১ জুলাই রাতে আদাবর থানার নবোদয় হাউজিংয়ের চার রাস্তার মোড়ে জাপান ও ব্রাজিলের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখা নিয়ে বিরোধের জেরে সালিশ বৈঠকের সময় দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বাদশা ও একই ইউনিটের সভাপতি মো. সাদ্দাম হোসেন গুরুতর আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাদশার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একাধিক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে র্যাব জানিয়েছে, হত্যা মামলার প্রধান আসামি পারভেজের কাছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন আদাবর থানা বিএনপির বহিষ্কৃত যুগ্ম আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন লেদু ওরফে লেদু হাসান। মামলার অন্য আসামিদের আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতেও তার নাম উঠে এসেছে।
র্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরের মোহাম্মদিয়া হাউজিং সোসাইটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে লেদু হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এমএসএম / এমএসএম
মানুষের অধিকার ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাংলাদেশ জনতা পার্টির (বিজেপি)
উত্তরায় ১৮ লাখ টাকার মদ-বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ২
পরিকল্পিত অপপ্রচার চালিয়ে আমাকে হেয় করার চেষ্টা চলছে: এডিসি শামীম
বায়তুল মোকাররমে শুরু মাসব্যাপী ইসলামী বইমেলা
রাজউকের মোবাইল কোর্টে ৪ ভবনে অভিযান, জব্দ ৪ বৈদ্যুতিক মিটার
ডাকসুর সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ছাত্রনেতা আবু তৈয়ব
উত্তরা ১১ নং সেক্টর সোসাইটির উদ্যোগে মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু
লিডস করপোরেশন ও বশির সিন্ডিকেটের হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ !
রাখি বাদ, আ: লীগের আইন সহায়ক কমিটিতে জামায়াত পরিবারের হিরণ!
উত্তরায় মাদকবিরোধী অভিযান: ১৩ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো অভিভাবক সমাবেশ ও স্বপ্নসভা
ড্যাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান মোল্লার ইন্তেকাল