নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ এবং গুপ্ত বাহিনীর সদস্যদের নিয়োগ দিতে দুদকের তৎপরতা’
আবু হানিফ গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহে। ছিলেন সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের পদধারী নেতা। কোটা আন্দোলন ও সরকার পতনের বিরুদ্ধে ছিল তার অবস্থান। বর্তমানে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-সহকারী পরিচালক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত।
শুধু আবু হানিফই নয় আওয়ামীলীগের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত সাবেক কমিশন একাধিক সহকারী পরিচালক ও উপ-সহকারী পরিচালক পদে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও গুপ্ত ছাত্রশিবিরের সদস্যদের তড়িঘড়ি করে নিয়োগ দিয়েছে।
বিগত সময়ে কমিশনের কর্মকর্তা পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কঠোরভাবে নিয়ম অনুসরণ করা হলেও ওই সময় কোনো ধরনের নিয়মের তোয়াক্কা করা হয়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো প্রকার ভেরিভিকেশন ছাড়াই এসব নিষিদ্ধঘোষিত ও গুপ্ত ছাত্রশিবিরের সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এই নিয়োগের ক্ষেত্রে দুদকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এডি এবং ডিএডি পদে চিহ্নিত নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ এবং গুপ্ত ছাত্রশিবিরের সদস্যরা রয়েছে যা বিগত কমিশন তড়িঘড়ি করে নিয়োগ দিচ্ছিলো।
বিগত সময়ে এসবি এবং এনএস আই ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক থাকলেও কোন প্রকার জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা(এন,এস,আই) বা ডিজিএফ আই এর ভেরিফিকেশন ব্যতীত নামেমাত্র এসবি ভেরিফিকেশন দিয়ে নিয়োগ দেয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।
নিয়োগের সাথে জড়িত পরিচালক(প্রশাসন) এর নিকট আত্মীয়কে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে বলে জানা যায়।
অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে প্রিলিমিনারী, রিটেন এবং ভাইবা পরীক্ষা নেয়ার কারণে অনেকের ধারণা হয়েছে যে, পূর্বে নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী কেবল রোল নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, সহকারী পরিচালক ও উপ-সহকারী পরিচালক পদে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও গুপ্ত ছাত্রশিবিরের সদস্যরা রয়েছেন। এসব কর্মকর্তাদের বিগত কমিশন তড়িঘড়ি করে নিয়োগ দিয়েছে।
বিগত সময়ে এসবি, এনএসআই, ডিজিএফআই দ্বারা চাকরি প্রার্থীকে ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক থাকলেও ওই সময় তা অনুসরণ না করে শুধুমাত্র এসবি ভেরিফিকেশন দিয়ে নিয়োগ দেওয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। নিয়োগের সাথে জড়িত পরিচালক (প্রশাসন) এর নিকট আত্মীয়কে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমেও নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রিলিমিনারী, রিটেন এবং ভাইবা পরীক্ষা নেয়ার কারণে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন যে এবার শুধু পূর্বে নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী কেবল রোল নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, সাবেক কমিশনের শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে যেসব সহকারী ও উপ-সহকারী পরিচালকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের সিংহভাগই নিষিদ্ধঘোষিত ও গুপ্ত বাহিনীর সদস্য।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে এদের সঠিক ভেরিফিকেশন করা হলে তাদের আসল চরিত্র বেরিয়ে আসবে। এতে করে স্বাধীন সংস্থাটির ভাবমূতি অটুট থাকবে। নয়তো এরা নিয়োগ পেলে ভবিষ্যতে দুদকের যে কোনো কার্যক্রমকে শঙ্কায় ফেলে দিতে পারে। তাদের কাছে কোনো তথ্যই নিরাপদ ও সংরক্ষিত থাকবে না। তারা দেশে ও বিদেশে তথ্য পাচার করবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।
অভিযোগের বিষয়ে তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।
এমএসএম / এমএসএম
নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ এবং গুপ্ত বাহিনীর সদস্যদের নিয়োগ দিতে দুদকের তৎপরতা’
স্বাস্থ্যখাতে ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা, অধিকার ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা সভা
শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব দাখিল
ঢাকা কলেজে থ্যালাসেমিয়া বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও সেমিনার
দৈনিক আলোর বার্তা’র প্রকাশক ও সম্পাদক রফিক উল্লাহ সিকদারের ইন্তেকালে জাতীয় সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতির শোক
বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা(ট্রাঃ)এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত
ভারসাম্যহীন স্বামীর সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ আপন ননদের বিরুদ্ধে!
ওসি কামরুলের দূরদর্শী নেতৃত্বে শাহজালালে পুলিশের অভিযান, আটক ৪০ ভবঘুরে ও ভিক্ষুক
বেবিচকে সপ্তাহে একদিন অফিস করবেন বিমানমন্ত্রী
কুচক্রী মহলের অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন ইকবাল হোসেন
ঢাকা বিভাগ ও বাড্ডা থানা প্রেসক্লাবের উদ্বোধন