ধুনটে নার্সের পারিবারিক বিরোধে চিকিৎসককে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ
বগুড়ার ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক নার্স ও তাঁর সাবেক স্বামীর পারিবারিক বিরোধের জেরে এক চিকিৎসককে জড়িয়ে ‘অনৈতিক সম্পর্কের’ অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও নার্সদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তথ্য-প্রমাণ ছাড়া এমন অভিযোগ ছড়ানোর নিন্দা জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ধুনট উপজেলার এলাঙ্গী পশ্চিমপাড়া গ্রামের হাফিজুর রহমানের মেয়ে তাসমিয়া সুলতানার সঙ্গে ২০১৪ সালে সাজ্জাদ হোসেন শাহিনের বিয়ে হয়। ২০১৬ সালে তাসমিয়া ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নার্স হিসেবে যোগ দেন। তাঁদের সাত বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তাসমিয়া তাঁর স্বামীকে তালাক দেন বলে জানা গেছে।
গত ২২ আগস্ট সাজ্জাদ হোসেন শাহিন ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে সাবেক স্ত্রী তাসমিয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোন নিয়ে কথা-কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় কয়েকজন তাঁকে আটক করেন। এ সময় তিনি তাসমিয়ার সঙ্গে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সুমনুল হকের ‘পরকীয়া সম্পর্ক’ রয়েছে বলে অভিযোগ করেন।
তবে সংশ্লিষ্টরা জানান, ওই অভিযোগের পক্ষে ঘটনাস্থলে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ডা. সুমনুল হককে জড়িয়ে একই ধরনের অভিযোগ ছড়ানো হয়। চিকিৎসকের অভিযোগ, তাঁর ছবি সম্পাদনা করেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।
ডা. সুমনুল হক বলেন, “আমি এখানে মাত্র দেড় বছর আগে যোগদান করেছি। নার্স ও তাঁর সাবেক স্বামীর পারিবারিক বিরোধের মধ্যে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমার ছবি এডিট করে হয়রানিও করা হচ্ছে। এতে আমার সামাজিক ও পেশাগতভাবে সম্মানহানি হচ্ছে।”
নার্স তাসমিয়া সুলতানা বলেন, “ডা. সুমনুল স্যারের সঙ্গে আমার কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। রোগীর চিকিৎসার প্রয়োজনে একজন নার্স হিসেবে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলতে হয়। এ বিষয়টি নিয়ে আমার স্বামী আমাকে সন্দেহ করতেন। এ কারণে আমি তাঁকে তালাক দিয়েছি।”
ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ কাদির বলেন, “দায়িত্বে অবহেলার কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
চিকিৎসকেরা বলছেন, ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিরোধের ঘটনায় কোনো তৃতীয় ব্যক্তিকে জড়িয়ে গুরুতর অভিযোগ করার আগে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা জরুরি। অন্যথায় এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশও বিঘ্নিত হতে পারে।
এমএসএম / এমএসএম
চরভদ্রাসন স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে হটাৎ উপস্থিত স্বাস্থ্যমন্ত্রী
গলাচিপায় মাদ্রাসাছাত্র অপহরণ, ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি
জয়পুরহাটের ৬ জন হকি খেলোয়াড় যাচ্ছেন চীনে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়া কাপে
মনপুরা ইউপি নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী জিয়াউর রহমান
বাঘায় মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে ৬ জন আটক, চরাঞ্চলে রাতভর অভিযান
ফসলের জমি থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার
আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছে রোদেলা টাওয়ারের কাজ
ধুনটে নার্সের পারিবারিক বিরোধে চিকিৎসককে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ
অষ্টগ্রাম রাস গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের পলাতক প্রধান শিক্ষক আব্দুস শহিদের অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন
মহেশখালী থেকে অস্ত্রের চালান ঠেকাল পুলিশ:গ্রেফতার ২ জন
মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের
দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
বাগেরহাটে টেকসই বেড়ী বাঁধের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন
Link Copied