ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নোমান গ্রুপের সুনাম নষ্ট ও ক্ষতি করতে সংঘবদ্ধ চক্র মাঠে


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৩-৯-২০২৬ রাত ১১:০

দীর্ঘদিন যাবত একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যদের দ্বারা সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্টানের প্রধান এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের বরাবর মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, অভিযোগ উত্থাপন করে নোমান গ্রুপের সুনাম নষ্ট, ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতি সাধন, রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বাধাগ্রস্থ হয়ে ব্ল্যাক মেইলিং এর শিকার হয়ে আসছে নোমান গ্রুপ কর্তৃপক্ষ। সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে যথাযত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ দাবি জানানো হয়েছে। 

জাবের এন্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লি. (নোমান গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান) দেশের টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস সেক্টরে শীর্ষ স্থানীয় রপ্তানিকারক এবং মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান। ২০০০ সাল হইতে ৯০৩টি আন্তর্জাতিক ক্রেতার সাথে নোমান গ্রুপ সুনামের সাথে রপ্তানি বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছে। গ্রুপের বার্ষিক টার্ন ওভার প্রায় ১.৩ বিলিয়ন ইউএস ডলার এবং নোমান গ্রুপে প্রায় ৮০,০০০ শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তা কর্মযজ্ঞে নিয়োজিত আছে। জাতীয় অর্থনীতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ নোমান গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জাবের এন্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেড বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে টানা ১২ (বার) বার দেশের সেরা রপ্তানিকারক হিসেবে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি (গোল্ড) অর্জন করেছে। দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকার সমস্যা সমাধান, মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে রিজার্ভ বৃদ্ধি ও শিল্পায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখায় গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জাবের এন্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেড ও নোমান টেরিটাওয়েল মিলস লিমিটেডকে শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক একাধিবার রাষ্ট্রপতির শিল্পোন্নয়ন পুরুষ্কারে ভূষিত হয়েছে। অত্র গ্রুপের চেয়ারম্যান ও পরিচালকবৃন্দ এবং একাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠান ২০০৭ সাল হতে ধারাবাহিকভাবে সি.আই.পি নির্বাচিত হয়ে আসছেন। 

দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ অসাধু চক্র তথা মো. কাজল সরকার, পিতা মৃত- ইয়ারিশ সরকার সাং-হাসন্নগর, পোষ্ট- জীবননগর বাজার, থানা-বাঞ্চারামপুর, জেলা ভ্রাম্মনবাড়িয়া মোবাইল- ০১৬২০১০১৯৯৮ মো. হারুন অর রশিদ ওরফে বডি বিল্ডার হারুন(৩৭), মোবাঃ ০১৮১৫৯৪৭৪৪৯, ০১৩১২৫১৮১৮১, ০১৮৩৬৫১৮১৮১, ০১৮৭৮৫০৬১১৩, জাতীয় পরিচয়পত্র নং-১৯৮৬১৫১৪৭১৩৫১৭৪৯২ মো. আনোয়ার হোসেন (২৭), মোবাঃ ০১৮১৪৪৯৩৫৮০, ০১৭১৩২৫৯৮৭৪, ০১৮৬৭৮৫৯১০৫, ০১৮১৪০৫৩১৯৫৪, ০১৮৭৭২২৬১৫৬, ০১৮১৫১১৮৩৫৪, মো. দেলোয়ার হোসেন মোবাইল নং-০১৮১৪৪৯৩৫৮০, +৯১৮৪৪৮৫৮৪৩৬২ মো. হেলাল উদ্দিন মোবাইল-০১৬৯০১০৯৪০৩, মো. বেলাল উদ্দিন সর্বপিতা ও ঠিকানাঃ মৃত সিদ্দিক আহম্মেদ, সাং-আধুনগর সর্দারনীপাড়া, থানা- লোহাগাড়া, জেলা- চট্টগ্রাম ও তার অপরাপর ভাইদের সাথে নোমান গ্রুপ থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রতারণা, অনিয়ম ও চুরির দায়ে চাকুরিচ্যুত কিছু অকৃতজ্ঞ কর্মকতা-কর্মচারী, হলুদ সাংবাদিকতার জন্য অখ্যাত কিছু নামসর্বস্ব পত্রিকা, তথাকথিত কয়েকজন হলুদ সাংবাদিক এবং মানবাধিকার সংগঠন ও কতিপয় আইনজীবীর সমন্বয়ে গঠিত এই কুচক্রী মহল নোমান গ্রুপ ও এর সম্মানিত চেয়ারম্যান এবং পরিচালকবৃন্দদের পারিবারিক, সামাজিক, ব্যবসায়িকভাবে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার মাধ্যমে ব্ল্যাক মেইলিং করার ঘৃণ্য অপপ্রয়াসে লিপ্ত রয়েছে।

যেভাবে হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইলের শুরু: বিগত ২৫/০৫/২০১৮ ইংরেজি তারিখে হারুন অর রসিদ ওরফে বডি বিল্ডার্স হারুন স্বাক্ষরিত মজলুমের খোলা চিঠি নিয়ে ব্যবসা করার সুযোগ চেয়ে নোমান গ্রুপের চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করলে মানবিক বিবেচনায় হারুনের ভাই মো. আনোয়ার হোসেনকে ওয়েষ্টিজ ব্যবসা ও সিএন্ডএফ এর কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়। ব্যবসার পুঁজি না থাকাতে নোমান গ্রুপের চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত হিসাব হতে হারুন বিভিন্ন সময়ে নগদে ও চেকের মাধ্যমে ধার হিসাবে ৯৩ লাখ টাকা নেয়। ব্যবসা চলাকালীন সময়ে নোমান গ্রুপের বিভিন্ন ফ্যাক্টরি থেকে আনোয়ার ও হারুনের বিরুদ্ধে ওয়েষ্টেজ ডেলিভারির বিষয়ে অনিয়ম, প্রতারণা এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালত ও থানায় অগণিত ফৌজদারী মামলার খবর জানতে পেরে তাদের সাথে সমস্ত ব্যবসায়িক লেনদেন গত ২৮/১১/২০২০ ইংরেজি তারিখে বন্ধ করে দেওয়া হলে হারুন গং ক্ষুব্ধ হয়ে সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যদের সাথে নিয়ে বিভিন্ন প্রকার প্রতারণা ও ব্ল্যাক মেইলিং এর মাধ্যমে হয়রানি শুরু করে। প্রতারণা ও হয়রানির উদ্দেশ্যে গত ১০/০১/২০২১ ইংরেজি তারিখে মো. হারুন অর রসিদ ওরফে বডি বিল্ডার্স হারুন ১টি ফাইল নিয়ে চেয়ারম্যানের ভাগিনা আবু হানিফের অফিসে এসে বলে এই ফাইলটি আপনার মামার কাছে পাঠিয়ে দিন এবং ফাইল থেকে হিউম্যান রাইটস পিস ফর বাংলাদেশের আইনজীবির লেখা কিছু দরখাস্ত, পেপার কাটিং, লিগ্যাল নোটিশ ও রীট পিটিশন এর কপি বাহির করিয়া বলেন যদি আপনার মামা নোমান গ্রুপের চেয়ারম্যান আমার (হারুনের) কাছ থেকে ৯৩ লাখ টাকা ফেরত চায় তাহলে হিউম্যান রাইটস পিস ফর বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে উক্ত দরখাস্তগুলো দুদক, এনবিআর, কাস্টমস, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে পাঠিয়ে দেবে বলে হুমকী দেয়।

গত ২৩/০১/২১ ইংরেজি তারিখে বডি বিল্ডার্স হারুন আমাদের অফিসের কর্মকর্তাকে ডেকে বলে যে, নোমান গ্রুপের চেয়ারম্যান যদি তার কাছ থেকে ৯৩ লাখ টাকা ফেরৎ চায় তাহলে নোমান গ্রুপের অনেক বড় রকমের ক্ষতি সাধনসহ ব্যবসা বন্ধ করার যাবতীয় ব্যবস্থা এবং নোমান গ্রুপের চেয়ারম্যান, পরিচালক ও কর্মকর্তাদেরকে অপহরণ, খুন ও গুম ইত্যাদি করিবে মর্মে হুমকি দিয়ে চলে যায়। বডি বিল্ডার্স হারুনের হুমকির প্রেক্ষিতে নোমান গ্রুপের চেয়ারম্যানের পক্ষে ইং ২৪/০১/২০২১ তারিখে জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে মতিঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়। বিগত ২৫/০১/২০২১ ইংরেজী তারিখে হারুন পুনরায় নোমান গ্রুপের অফিসের নীচে এসে গ্রুপের জনসংযোগ কর্মকর্তাকে ডেকে ২ কোটি টাকা চাঁদা দাবী ও নোমান গ্রুপের চেয়ারম্যানের পাওনা ৯৩ লাখ টাকা ফেরৎ দেবে না বলে সরাসরি হুমকি প্রদান করায় সন্ধ্যায় মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় হারুনের বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য না দিতে, মামলা প্রত্যাহার করা এবং হিউম্যান রাইটস পিস ফর বাংলাদেশকে ম্যানেজ করতে ২ কোটি টাকা চাঁদা লাগবে হারুনের এই অনৈতিক দাবীর কথা আদালতে না বলার জন্য হারুনের ভাইগণ যথাক্রমে আনোয়ার হোসেন, হেলাল উদ্দিন এবং দেলোয়ার হোসেন হুমকি প্রদান করলে তাদের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় নন-এফআইআর নং - ১৭/২১, ২২/২১ ও ২৫/২১ মামলা দায়ের করা হয় এবং এ সকল মামলায় তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জ গঠন করা হয়েছে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২১/০৬/২১ ইং তারিখে মতিঝিল থানার মামলা নং ৩৩(০১)২১ এর চার্জশীট প্রদান করা হয়। বিগত ৩০/১২/২০২১ ইং তারিখে ৩৩/২১ নং মামলায় হারুনকে ৪ (চার) বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদেয় ৩(তিন) মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয় । 

হারুন ও তার ভাই আনোয়ারের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন, গ্রুপের চেয়ারম্যানে পাওনা ৯৩ লক্ষ টাকা ফেরৎ চাওয়ায় এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা করায় তারা ক্ষুব্ধ হয় এবং বিভিন্ন অনিয়ম-চুরির দায়ে নোমান গ্রুপ থেকে বিভিন্ন সময়ে চাকুরিচ্যুত কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারী, হলুদ সাংবাদিক, অখ্যাত পত্রিকা, কথিত মানবাধিকার সংগঠনের যোগসাজশে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে দরখাস্ত দিয়ে এবং হলুদ সাংবিদকতার জন্য কুখ্যাত পত্রিকায় মিথ্যা, ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রকাশ করে সম্পূর্ণ ব্যাক্তিগত আক্রোশে নোমান গ্রুপকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে হারুনের ভাই আনোয়ার মহামান্য হাইকোর্টে দুটি ভিত্তিহীন পিআইএল (রিট পিটিশন নং-১০৭১৬/২০২২ ও ১০৭১৭/২০২২) মামলা ফাইল করেছে। যাহার দায়ের করার জন্য পিটিশনার অর্থাৎ আনোয়ারের কোন  Locus Standi নেই। কারণ মামলা দুটি পি.এল.আই হিসেবে দায়ের করা হলেও জনস্বার্থে এ মামলাগুলো করা হয়নি। ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে নিজেদের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য রিট পিটিশন দু’টি ফাইল করা হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, সম্পূর্ণ হয়রানি করার উদ্দেশ্যে নোমান গ্রুপের বিরুদ্ধে পি.আই.এল রিট পিটিশন দু’টি ১০৭১৬/২২, ১০৭১৭/২২ ফাইল করলেও আদালতে নোমান গ্রুপকে অসাধু উদ্দেশ্যে বিবাদী করে নি। পরবর্তীতে রিট পিটিশন ১০৭১৬/২২ এ মাননীয় চেম্বার আদালত নোমান গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জাবের এন্ড জুবায়ের ফেব্রিক্স লি. পক্ষক্তূক্ত হয় এবং সি.এম.পি ৭২০/২২ দায়ের করে এবং চেম্বার কোর্ট হাইকোর্টের আদেশের উপর Status que  (স্থিতাবস্থা) জারি করে সুপ্রীম কোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য প্রেরণ করে। বর্তমানে উক্ত মামলাটি সি.পি ২৮৩৪/২২ হিসেবে স্থিতাবস্থা বহাল রেখে মহামান্য সুপ্রীম কোর্টে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি শেষে Status que  (স্থিতাবস্থা) ব্যাকেট করে হাইকোর্টে রুল শুনানির অপেক্ষায় আছে। অপর রিট পিটিশন নং ১০৭১৭/২২ এ নোমান গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জাবের এন্ড জুবায়ের ফেব্রিক্স লি. পক্ষভূক্ত হয়ে এফিডেভিট ইন অপজিশন দাখিল করে এবং রিট পিটিশনটি হাইকোর্টে শুনানির জন্য আছে। বিগত ০৯/১১/২০২৫ ইং তারিখে মো. কাজল সরকারের প্রত্যক্ষ প্ররোচনায় মো. আনোয়ার হোসেন সম্পূর্ণ ব্যাক্তিগত আক্রোশে মহামান্য হাইকোর্টে আরেকটি রীট পিটিশন দায়ের করেন যার নং ১৮৫৪৩/২০২৫ এবং কাজল সরকার নিজে বাদী হয়ে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জর্জ আদালত, গাজীপুরে দেওয়ানী মোকদ্দমা ১০/২০২৬ দায়ের করেন। উক্ত মামলা চলমান থাকাবস্থায় মামলার রায় এর অপেক্ষা না করে অপপ্রচার ও ব্ল্যাকমেইলিং এর মাধ্যমে নোমান গ্রুপের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে একের পর এক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দরখাস্ত দিয়ে যাচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে দাখিলকৃত উক্ত দরখাস্তের নিস্পত্তি চেয়ে মহামান্য হাইকোর্টে নতুন একটি রীট পিটিশন দায়ের করেছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি যার নং ১১৩১৮/২০২৬। এ ছাড়াও মো. কাজল সরকার বাদী হয়ে গ্রুপের চেয়ারম্যান, পরিচালক এবং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে মোকাম বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, গাজীপুরে ফৌজদারী কার্যবিধি ১০৭ ধারায় মামলা দায়ের করেন যার নং-৯৯৫/২০২৬। মামলার শুনানি ধার্য ৩১/০৮/২০২৬ ইং তারিখে বাদী (১ম পক্ষ) কাজল সরকার আদালতে হাজির হইয়া মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন, ৪ ও ৫ নং বিবাদী (২য় পক্ষ) মুরাদুল ইসলাম ও আমিরুজ্জামান রকি স্বেচ্ছায় লিখিত জবাব দাখিল করেছেন। বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী তার মামলায় বর্ণিত ঘটনা প্রমাণ করতে না পারায় ও ২য় পক্ষের লিখিত বক্তব্য সন্তোষজনক হওয়ায় ২য় পক্ষকে মামলার দায় হইতে অব্যাহতি প্রদান করেছেন এবং মামলা নিস্পত্তির আদেশ দিয়েছেন। এতে প্রতীয়মান হয় যে, কাজল সরকার এবং তার সংঘবদ্ধ চক্রের অপরাপর সদস্যরা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দরখাস্ত সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে দাখিল করে প্রত্রিকায় প্রকাশ করত: ব্ল্যাক মেইলিংর মাধ্যমে গ্রুপ এবং নোমান গ্রুপ কর্তৃপক্ষকে হয়রানি ও মানহানি করে যাচ্ছে।

স্বার্থানেষী সংঘবদ্ধ অসাধু চক্রের এই দলটি দীর্ঘদিন যাবৎ প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন পেশাজীবিসহ প্রতিষ্ঠিত ব্যাক্তিদের টার্গেট করে ব্ল্যাক-মেইলিং এর মাধ্যমে অর্থ আত্বসাতের অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে, এর ধারাবাহিকতায় সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত আক্রোশের বশঃবর্তী হয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ স্বনামধন্য রপ্তানীমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান নোমান গ্রুপ ও এর চেয়ারম্যান এবং পরিচালকবৃন্দদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে। কতিপয় প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের প্ররোচনায় বিভিন্ন মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, ভিত্তিহীন মিথ্যা দরখাস্ত সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে দিয়ে এবং পত্রিকায় ক্রমাগত মিথ্যা, ভিত্তিহীন প্রতিবেদন ছাপিয়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে যাচ্ছে। নাম সর্বস্ব কিছু পত্রিকায় অসত্য, মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের দায়ে দৈনিক সকালের সময় দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক ও রিপোর্টারের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি (২ হাজার কোটি টাকা করে) মানহানি মামলা সি আর মামলা নং-৩৮৫/২২ এবং ৪২৭/২২ করা হয়েছে। তম্মধ্যে দৈনিক সকালের সময় এর সম্পাদক ও প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে দৈনিক সকালের সময় এর সম্পাদক (সিআর মামলার ৩৮৫/২২) চার্জ গঠনের পর লিখিতভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং মিথ্যা, ভিত্তিহীন প্রতিবেদন প্রকাশ করার দায়ে প্রতিবেদক সাজেদা হককে বরখাস্ত করেছে। এ ছাড়াও দৈনিক ইনকিলাব ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, মনগড়া, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর প্রতিবেদন প্রকাশ করায় পত্রিকার সম্পাদক ও প্রতিবেদক এর বিরুদ্ধে ৫ হাজার কোটি টাকা করে মোট ১০ হাজার কোটি টাকার আলাদা ২টি অর্থ মোকদ্দমা মামলা যথাক্রমে ৬৬/২০২৪ ও ৭৫/২০২৪  ৫ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে নোমান গ্রুপের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইহা ছাড়া সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দরখাস্ত দাখিল করে নোমান গ্রুপের সুনাম ক্ষুন্ন এবং মানহানি করায় মো. কাজল সরকারের বিরুদ্ধে নোমান গ্রুপের পক্ষ থেকে ঢাকার সিএমএম আদালতে সি আর মামলা নং-৪৩৪/২০২৬ দায়ের করা হয়েছে। 

উপরোক্ত হারুন গং চক্রের অন্যতম সদস্য হচ্ছে মো. কাজল সরকার, মোবাইল-০১৬২০১০১৯৯৮ পিতা ইয়ারিছ সরকার, গ্রাম-হাসননগর, ডাক-জীবননগর বাজার ৩৪১৬, বাঞ্চারামপুর, ব্রাম্মনবাড়িয়া মূলত: একজন কুচক্রী দলের সক্রিয় সদস্য। সম্প্রতি সে উপরোক্ত হারুন ও তার ভাইদের পরামর্শে প্রত্যক্ষ মদদে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে যথা বাংলাদেশ ব্যাংক, বিভিন্ন সিডিউল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে, এনবিআর, দুদক, তিতাস গ্যাস অফিসে একের পর এক অসত্য, বানোয়াট, কাল্পনিক, ভিত্তিহীন অভিযোগ করে যাচ্ছে। যার বিন্দুমাত্র সত্যতা ও ভিত্তি নেই। সম্পূর্ণ অসৎ উদ্দেশে উক্ত কাজল সরকার গং আমাদের বিশ্ববিখ্যাত আন্তর্জাতিক ক্রেতা যথাক্রমে 1) Wallmart-USA, (2) Ikea-Sweden, (3) H&M-Sweden, (4) K-Mart-Australia, (5) Target-USA, (6) Lidl-Germany এর বাংলাদেশ কার্যালয়ে স্বশরীরে গিয়ে মনগড়া, ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়ের করে। উক্ত ক্রেতাদের কাছে নোমান গ্রুপের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন করেছে এবং ক্রেতাদের সরাসরি ইমেইলের মাধ্যমে অনুরোধ করেছে যাতে নোমান গ্রুপকে কোন অর্ডার না দেওয়া হয়। ফলে ক্রেতারা আমাদের কিছু ক্রয়-আদেশ বাতিল/স্থগিত করেছে এবং আরো শত শত কোটি টাকার ক্রয় আদেশ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। এতে করে দেশের অর্থনীতিতে মারাত্মক বিরুপ প্রভাব পড়বে এবং আমাদের কারখানসমূহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিচ্ছে। এহেন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে ৮০,০০০ শ্রমিক কর্মচারী বেকার হয়ে যাবে এবং দেশে অরাজকতা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। নোমান গ্রুপের বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণ নিয়ে টাকা আত্মসাৎ এবং জমি দখল করে কারখানা নির্মাণের যে অভিযোগ উত্থাপন করেছে তাও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। জমি সংক্রান্ত যে ভিত্তিহীন অভিযোগগুলো করা হয়েছে সে ব্যাপারে দেওয়ানী আদালতে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকা স্বত্বেও শুধুমাত্র হয়রানি, সুনাম নষ্ট, ব্ল্যাক মেইলিং এবং ব্যবসা ধ্বংস করার অসৎ উদ্দেশ্যে উক্ত চক্রটি এই ঘৃণ্য কার্যকলাপ করে যাচ্ছে উক্ত সংঘবব্ধ চক্রের অন্যতম সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন এবং হেলাল উদ্দিনও মিথ্যা তথ্য দিয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এর অধীনস্থ সিডিউল ব্যাংক, দুদক, এনবিআরসহ আমাদের আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের বাংলাদেশ অফিসে গিয়ে মনগড়া, ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়ের করে চলেছে যার প্রভাবে নোমান গ্রুপের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে, ফলে ব্যবসায়ে নেতিবচক প্রভাব পড়েছে।

দন্ডিত আসামী হারুন অর রসিদ ওরফে বডি বিল্ডার্স হারুন, মো. কাজল সরকার, মো. হেলাল উদ্দিন, মো. দেলোয়ার হোসেন এবং আনোয়ার হোসেন গং তাদের অসাধু সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে নোমান গ্রুপ ও এর চেয়ারম্যানকে ব্ল্যাক মেইলিং এর উদ্দেশ্যে ক্রমাগত হয়রানি ও মানহানি করে চলেছে। কিছু হলুদ সাংবাদিক, নামসর্বস্ব পত্রিকা, মানবাধিকার সংগঠন, চুরি ও অনিয়মের দায়ে বিভিন্ন সময়ে নোমান গ্রুপ থেকে বিতাড়িত কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী, সুবিধাভোগী এবং হারুন গংদের সমন্বয়ে গঠিত সংঘবদ্ধ চক্রের দল সম্পূর্ণ প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে অনবরত সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে ও ব্যাংকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ও মানহানিকর দরখাস্তের মাধ্যমে অভিযোগ দিয়ে নামসর্বস্ব হলুদ পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। ফলে দেশে-বিদেশে অবস্থিত ব্যবসায়ী মহলে এবং দেশের তফসিল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমুহে নোমান গ্রুপ ও এর চেয়ারম্যানের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন একই সাথে শ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আস্থাহীনতার সৃষ্টি হচ্ছে। মূলত: এই সংঘবদ্ধ অসাধু চক্রটি নোমান গ্রুপ থেকে অবৈধ উপায়ে ব্ল্যাকমেইলিং এর মাধ্যমে টাকা আদায় করার জন্য এবং বর্তমানে চলমান মামলায় মহামান্য উচ্চ আদালতকে বিভ্রান্ত করার জন্য জাল-জালিয়াতি করে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভুয়া কাগজপত্র সৃজন করে অতপর: কোর্টে জমা দিয়ে ন্যায় বিচার কাজে ব্যাহত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। 
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, এই প্রতারক চক্রটি আইনের প্রতি মোটেও শ্রদ্ধাশীল নয়। মহামান্য সুপ্রিম কোর্টকে গরংষবধফ বা বিভ্রান্ত করার অসৎ উদ্দেশ্যে তারা সিপি নম্বর-২৮৩৪/২০২২ (যাহা সিএমপি-৭২০/২০২২ হইতে উদ্ভবকৃত এবং সিএমপি ৭২০/২০২২ রীট পিটিশন নং-১০৭১৬/২০২২ হইতে উদ্ভবকৃত) মহামান্য আপিল বিভাগে বিভিন্ন পেপারবুক এ একাধিক সৃজনকৃত জাল ডকুমেন্টস দাখিল করিয়াছে। যার মধ্যে ব্যাংকের ভড়ৎমবফ ডিপোজিট স্লিপও রহিয়াছে। প্রকৃতপক্ষে, মো. কাজল সরকার, আনোয়ার হোসেন, হেলাল উদ্দিন, মো. দেলোয়ার হোসেন, হারুন গং এবং অপরাপর সদস্যদের নির্দিষ্ট কোন বৈধ পেশা নেই। শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন পেশাজীবিসহ প্রতিষ্ঠিত ব্যাক্তিদের টার্গেট করে ব্ল্যাক-মেইলিং এর মাধ্যমে অর্থ আত্বসাৎ করাই তাদের পেশা এবং ব্যবসা। নোমান গ্রুপ এর বিরুদ্ধে উপরোক্ত কুচক্রীমহলের ক্রমাগত ঘৃন্য ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রমে দেশে-বিদেশে আমাদের সম্মানিত ক্রেতা সাধারনের কাছে গ্রুপের সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে ফলে ক্রেতারা বিভিন্ন কমপ্লাইন্স ইস্যুতে আমাদের ক্রয়াদেশ কমিয়ে দিচ্ছে এবং ব্যবসায়িকভাবে আমাদের ইতোমধ্যে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে। নোমান গ্রুপে কর্মরত ৮০ হাজার শ্রমিক, কর্মকর্তা, কর্মচারী জীবন জীবিকা গ্রুপের স্বাভাবিক গতিশীলতার উপর নির্ভর করে। উক্ত সংঘবদ্ধ চক্রটির ধারাবাহিক চক্রান্তমূলক অপকর্ম বন্ধে সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দৃঢ় পদক্ষেপ না নিলে নিকট ভবিষ্যতে নোমান গ্রুপ অর্থনৈতিকভাবে আরো বড় ক্ষতির স্বীকার হবে এবং গ্রুপ এর ৮০ হাজার বেতনভুক্ত কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিকদের পরিবারের জীবন-জীবিকা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে, বেকার সমাস্যা প্রকট আকার ধারন করবে। ফলে দেশে খুন খারাপি বৃদ্ধি পাবে এবং আইন শৃংখলার অবনতি ঘটার সমুহ সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বোপরি দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক খাতে এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
উক্ত সংঘবদ্ধ চক্রের চক্রান্তের ফল: দেশে-বিদেশে নোমান গ্রুপসহ টেক্সটাইল শিল্পের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে ফলে ব্যবসা বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। উক্ত সুনাম ক্ষুন্নের ফলে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এল/সি সুবিধায় হেয়ার কাট করা হচ্ছে ফলে কাঁচামালে সংকট দেখা দিচ্ছে।  মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচারের ফলে আর্ন্তজাতিক ক্রেতারা আমাদের কার্যাদেশ কমিয়ে দিচ্ছে ফলে রপ্তানী কমে যাচ্ছে। কর্মসংস্থান ক্রমাগত সংকোচিত হয়ে আসছে, গ্রুপের প্রায় ৮০ হাজার লোকের জীবিকা হুমকির মুখে। দেশ মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং চক্রান্ত বন্ধ করতে না পারলে ভবিষ্যতে আরো হবে।
এ ব্যাপারে কাজল সরকারের সেল ফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি সকালের সময়কে জানান, নোমান গ্রুপ আমার জায়গা জমি দখল করে কারখানা নির্মাণ করেছে। সে বিষয়ে মামলা করেছি। ১০/২৬ নম্বর মামলা আমার পক্ষে রায় হয়েছে। খুব শিগগিরই মামলাটি দুদকে যাবে। আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ করা হয়েছে, সে সব মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। কোম্পানি সরকারের চোরাই গ্যাস লাইন ব্যবহার করছে। এবিষয়ে অভিযোগ করেছি। যা অভিযান চালালে তার প্রমাণ পাওয়া যাবে বলেও তিনি জানিয়েছে।
এছাড়া, মো. হারুন অর রশিদ ওরফে বডি বিল্ডার হারুন (৩৭), মো. আনোয়ার হোসেন (২৭), মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. হেলাল উদ্দিন এবং মো. বেলাল উদ্দিন এর সেল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এমএসএম / এমএসএম

নোমান গ্রুপের সুনাম নষ্ট ও ক্ষতি করতে সংঘবদ্ধ চক্র মাঠে

বন্ধ হচ্ছে না রেললাইন নির্মাণ

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

পাটের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম

নেত্রীর পাশে আঠারো বছর: একজন শিমুল বিশ্বাসের আস্থা ও আনুগত্যের গল্প

দুবাই, কুয়েত, বাহরাইন, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব থেকে স্বর্ণ পাচারে কাজ করছে ৫০ মাফিয়া

চাকুরীর বয়স শেষ তবুও প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া গণপূর্তের আবুল খায়ের!

বাণিজ্যিক চাষে কাজু-কফির সম্ভাবনা

মাসে দেড়শ' কোটি টাকা যাচ্ছে অমুক্তিযোদ্ধার পেটে

সরকারি চাকরিজীবীদের স্বস্তি, জনজীবনে দুঃখের বোঝা

রেলওয়ের মেগা প্রকল্পে হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ

দুধ-মাংস-ডিমে বদলাবে চরবাসীর জীবন

মেট্রোরেলে টেন্ডার ছাড়াই নতুন চুক্তি