ক্ষুদ্র উদ্যোগ থেকে শিল্পের পথে উদ্যোক্তারা
মাশরুম চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন
জমি ছাড়াই অল্প জায়গায় চাষ, স্বল্প পুঁজি, পুষ্টিগুণ ও ঔষধিগুণ-সব মিলিয়ে দেশে মাশরুম চাষের সম্ভাবনা দিন দিন বাড়ছে। বেকারত্ব কমানো, গ্রামীণ নারীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, পুষ্টির ঘাটতি পূরণ এবং দরিদ্রতা হ্রাসে মাশরুমকে সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্য হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। আর সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রশিক্ষণ নিয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা থেকে বাণিজ্যিক ও শিল্প পর্যায়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নারী-পুরুষ
উদ্যোক্তারা। 'মাশরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ' প্রকল্পের আওতায় সাভারের মাশরুম সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১০ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ। গত ২১ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া এ প্রশিক্ষণে দেশের বিভিন্ন জেলা এবং পার্বত্য অঞ্চল থেকে নারী-পুরুষ উদ্যোক্তারা অংশ নেন। এটি ছিল প্রকল্পটির সর্বশেষ ব্যাচ। প্রশিক্ষণে মোট ৩০ জন উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেন। সম্প্রতি 'সকালের সময়'-এর প্রতিবেদক প্রকল্প পরিচালক ড. আখতার জাহান কাঁকনের আমন্ত্রণে সাভারের মাশরুম সেন্টারে সরেজমিনে
গিয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। সেখানে নবীন ও প্রবীণ উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা শুধু মাশরুম চাষ নয়, বীজ উৎপাদন, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের বাস্তব জ্ঞানও অর্জন করেছেন। অনেক উদ্যোক্তার লক্ষ্য এখন নিজস্ব খামার বড় করার পাশাপাশি অন্যদের
কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা। জিরো থেকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পর্যায়ে যাওয়ার ধারণা
পেয়েছি: কেরানীগঞ্জ থেকে প্রশিক্ষণে আসা নারী উদ্যোক্তা লাবনী আক্তার বলেন, মাশরুম সেন্টারের ১০ দিনের প্রশিক্ষণ তার কাছে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে।
তিনি বলেন, জিরো থেকে মেশিন পর্যন্ত-মাশরুম চাষকে কীভাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায় থেকে শিল্প পর্যায়ে নেওয়া যায়, সেই ধারণা পেয়েছি। আগে বাটন মাশরুম, ঋষি মাশরুমসহ বিভিন্ন জাত সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই ধারণা ছিল না। এখানে তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
প্রশিক্ষণের বিশেষ দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, কোনো বিষয় ভুলে গেলে প্রশিক্ষকরা বারবার বুঝিয়ে দিয়েছেন। প্রাথমিক পর্যায়ে কী করতে হবে, মাঝারি পর্যায়ে কীভাবে উৎপাদন বাড়াতে হবে এবং সফল হওয়ার পর কীভাবে বড় পরিসরে যেতে হবে-এসব বিষয়ও শেখানো হয়েছে। লাবনী বলেন, আমি
ভেবেছিলাম ১০ দিনের প্রশিক্ষণে হয়তো অল্প কিছু শিখতে পারব। কিন্তু বাজারজাতকরণ থেকে শুরু করে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পর্যায়ে মাশরুম উৎপাদনের বিষয়গুলো জানতে পেরেছি। প্রশিক্ষকরা অত্যন্ত আন্তরিক ছিলেন। মাশরুম একটি টেকনিক্যাল চাষ হওয়ায় প্র্যাকটিক্যালের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।"
মাশরুম দিয়ে তৈরি হচ্ছে মিষ্টি, চানাচুর, বালাচাউ: গাজীপুর থেকে আসা নারী
উদ্যোক্তা সালমা আক্তার ইতোমধ্যে মাশরুমকে কেন্দ্র করে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য তৈরি করছেন। তিনি বলেন, মাশরুমের পুষ্টিগুণ ও ঔষধিগুণ সম্পর্কে জানার পর এর সম্ভাবনা নিয়ে আগ্রহী হন।
তিনি বলেন, "অনেক সময় কাঁচা মাশরুম বিক্রি করা সম্ভব হয় না। তখন মাশ-রুম শুকিয়ে পাউডার করে বিভিন্ন খাবার তৈরি করে বাজারজাত করা যায়।
আগে আমি ঘরে তৈরি খাবার বিক্রি করতাম। পরে মাশরুম দিয়ে মিষ্টি, চানাচুর, বালাচাউ, কাবাবসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি শুরু করি।" তার তৈরি পণ্যগুলোর মধ্যে বালাচাউ ও মিষ্টির চাহিদা বেশি বলে জানান তিনি। তার ভাষায়, "ছোট ব্যবসা থেকে এটাকে আরও বড় করার চিন্তা থেকেই মাশরুম চাষ শুরু করেছি। এই ১০ দিনের প্রশিক্ষণে অনেক অজানা বিষয় জানতে পেরেছি, যা আমার ব্যবসায় কাজে লাগবে।"
স্বল্প পুঁজিতে উদ্যোগের স্বপ্ন নওগাঁর সিয়ামের নওগাঁ সদর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়ন থেকে আসা উদ্যোক্তা সিয়াম হোসেন মাশরুমকে দেখছেন স্বল্প পুঁজিতে উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ হিসেবে। তিনি বলেন, "দেশের জন্য কিছু করার আগ্রহ থেকেই মাশরুম নিয়ে কাজ করার চিন্তা করি। অন্য অনেক ব্যবসায় বেশি পুঁজি প্রয়োজন হয়, যা আমার সাধ্যের বাইরে। মাশরুম তুলনামূলকভাবে স্বল্প জায়গা ও স্বল্প পুঁজিতে উৎপাদনের সুযোগ দেয়। ভবিষ্যতে এটিকে বাণিজ্যিকভাবে বড় করার পাশাপাশি রপ্তানির সম্ভাবনাও দেখছি।"
উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের সুযোগ পান জানিয়ে তিনি বলেন, ১০ দিনের প্রশিক্ষণে তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি মাশরুমের পিওর কালচার, মাস্টার মাদার তৈরি এবং বাণিজ্যিক স্পন উৎপাদনের বিষয়ে হাতে-কলমে শেখানো হয়েছে।
পাহাড়েও বাড়ছে মাশরুম চাষের আগ্রহ: খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলা থেকে আসা উদ্যোক্তা সাইদুল হক বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে মাশরুম খাওয়ার প্রচলন থাকলেও নিরাপদ মাশরুম সম্পর্কে মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিন নানা ভুল ধারণা ছিল। তিনি বলেন, "আগে অনেকে মনে করতেন মাশরুম খাওয়া নিরাপদ নয়। কেউ কেউ এটাকে 'ব্যাঙের ছাতা' বলতেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, সঠিক পদ্ধতিতে নিরাপদভাবে মাশরুম উৎপাদন করা যায় এবং এর পুষ্টিগুণ ও ঔষধিগুণ রয়েছে।" প্রশিক্ষণ শেষে নিজ এলাকায় ফিরে মাশরুম চাষ শুরু করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, "এই ১০ দিনে যা শিখেছি, তা কাজে লাগিয়ে ভালো কিছু করতে চাই।"
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলা থেকে আসা রাজীব চাকমা বলেন, পাহাড়ি এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো মাশরুম সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ থাকলেও নিরাপদ উৎপাদন পদ্ধতি সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান ছিল না।
তিনি বলেন, "এখানে এসে নিরাপদ মাশরুম চাষ, মাস্টার মাদার, পিওর কালচার, বীজ উৎপাদনসহ বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে শিখেছি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-নিরাপদ মাশরুম উৎপাদনের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব এবং এর মাধ্যমে বেকারত্ব কমানোর সুযোগ রয়েছে।" দেড় বছর চাষ করেও যে ঘাটতি ছিল, প্রশিক্ষণে মিলল সমাধান
বান্দরবান সদর উপজেলা থেকে আসা উদ্যোক্তা ঊষাং মারমা প্রায় দেড় বছর ধরে মাশরুম চাষ করছেন। বর্তমানে তার খামারে কয়েক হাজার স্পন রয়েছে। তবে উৎপাদন বাড়াতে গিয়ে পিওর কালচার ও মাস্টার মাদার তৈরিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমস্যায় পড়ছিলেন তিনি।
ঊষাং মারমা বলেন, "বান্দরবানে পিওর কালচার ও মাস্টার মাদার পাওয়া কঠিন ছিল। ফলে উৎপাদন বড় পরিসরে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা ছিল। প্রকল্প পরিচালক ড. আখতার জাহান কাঁকন আমার খামার পরিদর্শন করে আমাকে ১০ দিনের প্রশিক্ষণে আসার পরামর্শ দেন।"
প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, "এখানে এসে হাতে-কলমে অনেক কিছু শিখেছি। মাস্টার মাদার ও মাদার কালচার তৈরির বিষয়ে ধারণা পরিষ্কার হয়েছে। গরম ও শীতের সময়ে কোন জাত কীভাবে চাষ করতে হয়, সেটিও শিখেছি। শীত মৌসুমে আরও বেশি উৎপাদনে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি।" পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতার পরও নতুন করে শেখার সুযোগ
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলা থেকে আসা জ্ঞানজ্যোতি চাকমা প্রায় পাঁচ বছর ধরে মাশরুম চাষের সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও প্রযুক্তিগত অনেক বিষয়ে তার ঘাটতি ছিল।
তিনি বলেন, "পাঁচ বছর ধরে মাশরুম চাষ সম্পর্কে ধারণা থাকলেও পুরোপুরি স্বয়ংসম্পূর্ণ ছিলাম না। কেউ মাশরুম সম্পর্কে প্রযুক্তিগত কোনো প্রশ্ন করলে সবসময় উত্তর দিতে পারতাম না।"
উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে সাভারের মাশরুম সেন্টারে প্রশিক্ষণের সুযোগ পাওয়ার পর তিনি বলেন, "মাত্র ১০ দিনের প্রশিক্ষণে প্রযুক্তিগতভাবে অনেক কিছু শিখেছি। কীভাবে উৎপাদন বাড়ানো যায়, কীভাবে অর্থনৈতিকভাবে সফল হওয়া যায় এবং মাশরুম চাষের মাধ্যমে আরও বেকার নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যায়-সেই ধারণা পেয়েছি।"
জমি ছাড়াই উৎপাদন, তাই বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময়: সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে মাশরুমের সম্ভাবনা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রচলিত ফসল উৎপাদনের জন্য যেখানে উর্বর জমির প্রয়োজন হয়, মাশরুম চাষে তেমন উর্বর জমির প্রয়োজন নেই। ঘরের ভেতর বা সীমিত জায়গায় তাক ব্যবহার করে উল্লম্বভাবে মাশরুম উৎপাদন করা সম্ভব।
দেশে জমির স্বল্পতা, বেকারত্ব, পুষ্টির ঘাটতি, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, গ্রামীণ নারীদের আত্মকর্মসংস্থান এবং দারিদ্র্য হ্রাসের মতো বিষয় বিবেচনায় মাশরুমকে সম্ভাবনাময় কৃষি উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন উদ্যোক্তারা।
প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য উৎপাদন থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত দক্ষতা তৈরি: প্রকল্প পরিচালক ড. আখতার জাহান কাঁকন বলেন, মাশরুম পুষ্টিকর ও ঔষধিগুণসম্পন্ন খাদ্য হওয়ায় দেশে এর উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাশরুমের চাহিদা থাকায় ভবিষ্যতে রপ্তানিরও সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, "বর্তমানে মাশরুম চাষে মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। বেকার যুবক-যুবতীসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ এমনকি প্রতিবন্ধীরাও মাশরুম চাষকে জীবিকা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। এজন্য মানুষকে মাশরুম উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের বিষয়ে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ করে তোলা জরুরি।"
প্রশিক্ষণের বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক বলেন, "এ প্রশিক্ষণে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাশরুম চাষের প্রয়োজনীয়তা, বিভিন্ন জাতের পরিচিতি, বীজ উৎপাদন, উৎপাদন কৌশল, ব্যবস্থাপনা, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণন কৌশল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১০ দিনের এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা মাশরুম উৎপাদন ও ব্যবহার বিষয়ে বাস্তব জ্ঞান অর্জন করে নিজেদের উদ্যোগকে আরও সম্প্রসারণ করতে পারবেন বলে আমরা আশা করি।"
'ক্ষুদ্র থেকে শিল্প পর্যায়ে যেতে চাই': প্রশিক্ষণের শেষ দিনে দেশের বিভিন্ন জেলা ও পার্বত্য অঞ্চল থেকে আসা উদ্যোক্তাদের মধ্যে ছিল আত্মবিশ্বাসের ছাপ। তাদের প্রত্যাশা-প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান নিজ নিজ এলাকায় কাজে লাগিয়ে মাশ-রুম উৎপাদন বাড়ানো, প্রক্রিয়াজাত পণ্য তৈরি, বাজার সম্প্রসারণ এবং অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।
উদ্যোক্তারা বলেন, "মাশরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়েছি। এখান থেকে পাওয়া জ্ঞান কাজে লাগিয়ে আমরা স্বাবলম্বী হতে চাই। আমাদের লক্ষ্য শুধু ছোট পরিসরে চাষ করা নয়; ধীরে ধীরে ক্ষুদ্র উদ্যোগকে বাণিজ্যিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া এবং ভবিষ্যতে শিল্প পর্যায়ে মাশরুম উৎপাদন করা।"
তাদের মতে, সঠিক প্রশিক্ষণ, মানসম্মত স্পন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা, উৎপাদিত মাশরুমের নিশ্চিত বাজার এবং প্রক্রিয়াজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ করা গেলে মাশরুম চাষ দেশের নতুন উদ্যোক্তা তৈরির পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও পুষ্টি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এমএসএম / এমএসএম
মাশরুম চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন
কৃষি ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছে ২০ হাজার উদ্যোক্তা
বিআরটিএর দুর্নীতিবাজ সুব্রত দেবনাথের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দায়ের
নোমান গ্রুপের সুনাম নষ্ট ও ক্ষতি করতে সংঘবদ্ধ চক্র মাঠে
বন্ধ হচ্ছে না রেললাইন নির্মাণ
রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ
পাটের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম
নেত্রীর পাশে আঠারো বছর: একজন শিমুল বিশ্বাসের আস্থা ও আনুগত্যের গল্প
দুবাই, কুয়েত, বাহরাইন, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব থেকে স্বর্ণ পাচারে কাজ করছে ৫০ মাফিয়া
চাকুরীর বয়স শেষ তবুও প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া গণপূর্তের আবুল খায়ের!
বাণিজ্যিক চাষে কাজু-কফির সম্ভাবনা
মাসে দেড়শ' কোটি টাকা যাচ্ছে অমুক্তিযোদ্ধার পেটে