ঢাকা বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

ধানমন্ডির অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পুরাতন ঢাকা ক্যাম্পাস শিশু শিক্ষার্থীকে শারীরিক নির্যাতন করার অভিযোগ


আব্দুল লতিফ রানা photo আব্দুল লতিফ রানা
প্রকাশিত: ৬-১০-২০২৬ দুপুর ৪:১

রাজধানীর ধানমন্ডির অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পুরাতন ঢাকা ক্যাম্পাসের এক শিশু শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতনে ট্রমাটাইজ করার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানায় শিশুর মা মিসেস আফরিন হাসনাত মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষিকা তাসনিম আজাদ সুপ্তি পলাতক রয়েছেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করেছেন এবং তারা ইতিমধ্যে ওই শিক্ষিকাকে বরখাস্ত করেছেন। গেন্ডারিয়া থানায় দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঘটনাটি গত ৩০ আগস্ট ঘটেছিল। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও দুই-তিনজনকেও সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহানুর রহমান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গত ১২ সেপ্টেম্বর মামলার নথিপত্র আদালতে পৌঁছানো হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাত আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে পুলিশকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহানের সামনে শিশুটি ঘটনার বিবরণ দেয়। তবে পুলিশ এ মামলায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
গেন্ডারিয়া থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিপাশা কুণ্ডু জানান, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তাতে নির্যাতনের দৃশ্য দেখা গেছে। তিনি বলেন, আমরা সিসিটিভি ফুটেজ পেয়েছি, যেখানে নির্যাতনের দৃশ্যও দেখা যাচ্ছে। অভিযুক্ত শিক্ষিকা পলাতক রয়েছেন এবং তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আমরা এসআরবি এর কাছেও একটি অনুরোধপত্র পাঠিয়েছি। আশা করছি শীঘ্রই তাকে গ্রেফতার করতে পারব।
জানা গেছে, রাজধানীর ধানমন্ডি অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অধীনস্থ পুরাতন ঢাকার ক্যাম্পাসের শিশু শিক্ষার্থী জাদওয়া আয়াত কায়নাত উক্ত প্রতিষ্ঠানে নার্সারি শ্রেণিতে ভর্তি করেন। শিশুটি শিক্ষাজীবনের শুরু থেকে অদ্যাবধি মেধা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার মাধ্যমে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা সহ প্রতিষ্ঠানের আয়োজিত বিভিন্ন সহ শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে তার মেধা ও প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে। এখন শিশু জাদওয়া আয়াত কায়নাত স্ট্যান্ডার্ড টু-তে অধ্যয়নরত এবং সর্বশেষ পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে। সে উক্ত স্কুলের জুপিটার শাখায় রোল নং-১ অধিকার করে আছে। তার স্টুডেন্ট আইডি নং ১০০৬২৫০০১৫।
শিশুটির মা মিসেস আফরিন হাসনাত জানান, আমার মেয়ে স্কুলের একজন শিক্ষিকা কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এঘটনার পর স্কুল কতৃপক্ষের দ্বায়িত্তহীনতা ও দোষী শিক্ষিকাকে হেফাজতের কারণে অত্যন্ত দুঃখজনক, অপমানজনক একটি ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন। গত ৩০ আগস্ট আনুমানিক দুপুর ১২ টা ২০ মিনিট হতে বেলা ১ টা ১০ মিনিট পর্যন্ত, লিটারেচার ক্লাস এ শিক্ষিকা মিস তাসনিম আজাদ ওরফে সুপ্তি কর্তৃক তার মেয়ে নির্যাতন ও মানসিক টর্চারের শিকার হন। 
স্কুলের শিক্ষিকা মিস তাসনিম আজাদ ওরফে সুপ্তি উল্লেখিত সময়ে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন। এরপর বোর্ডে কয়েকটি শব্দের অর্থ লিখে শিক্ষার্থীদের তা খাতায় লেখার নির্দেশ দেন। অন্যান্য শিক্ষার্থীদের ন্যায় আমার মেয়ে জাদওয়া আয়াত কায়নাত তার খাতা বের করে লেখা শুরু করে। এর কিছুক্ষণ পরই আমার কন্যা মনোযোগ সহকারে লিখারত অবস্থায় উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে উক্ত শিক্ষিকা আমার মেয়েকে দাঁড়াতে বলেন এবং তার খাতাটি জব্দ করেন। পরবর্তীতে আমার মেয়ে অন্য একটি খাতা বের করে লেখা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে শিক্ষিকা মিস সুপ্তি তাকে লেখা বন্ধ করে খাতাটি ব্যাগে রাখতে নির্দেশ দেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ে অত্যন্ত নিয়মতান্ত্রিক ও শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত। আবার পেশাগত ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও আমিই ব্যক্তিগতভাবে তার পড়াশোনা ও শিক্ষা কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করে আসছি। আমার কন্যা আয়াত জানত যে, তাকে সেদিন রাতে তার মাকে ক্লাসের পড়া দেখাতে হবে। এই কারণে তার কাছে থাকা একটি বইয়ের সাদা পাতায় গোপনে সে শ্রেণীর কাজ লিখতে চেষ্টা  করেন।
আমার কন্যা আয়াতকে লিখতে দেখেই মিস সুপ্তি আক্রমণাত্মক আচরণ করতে শুরু করেন। তিনি অন্যান্য শিশু শিক্ষার্থীদের শ্রেণীকক্ষের বাইরে পাঠিয়ে দিয়ে আমার মেয়েকে ভয়ভীতি ও হুমকিমূলকভাবে বলেন, “তোকে এমন শাস্তি দেব যে, তুই আর লেখাপড়া করার যোগ্যতা রাখবি না। একপরযায়ে শিক্ষিকা সুপ্তি আমার মেয়ে আয়াতের ডান পায়ে পা দিয়ে চেপে দেন। এতে ব্যাথা পেলে আমার মেয়ে আয়াতের চিৎকারের শব্দে ৫শ্রনীর শিক্ষার্থী ও তার ক্লাসমেটরা দরজার ফাকা দিয়ে দেখতে পায়, সুপ্তি বলে, তোর তো খুব লেখার শখ, তাই না? আমি তোর হাত মটকিয়ে দেব, যাতে তুই সারাজীবন আর লিখতে না পারিস। দেখি তুই কিভাবে লিখিস। লেখ, লেখ—দেখ আমি কি করতে পারি। এতে জাদওয়া আয়াত কায়নাত অত্যন্ত ভীত হয়ে কান্না করে থাকে। তা সত্ত্বেও আমার কন্যা তার লেখা চালিয়ে যায় এবং শেষ করে। পরবর্তীতে শিক্ষিকা মিস সুপ্তি আমার মেয়ে আয়াতের হাত থেকে তার লেখা কাগজটি নিয়ে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় শ্রেণিকক্ষে ডেকে আনেন। 
এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের সামনে বলেন, এটা আয়াত লিখেছে- লেখাটা ছিল ওর ক্ষমতা।  এখন দেখ আমি এটা দিয়ে কি করতে পারি! আমার ক্ষমতা দেখ। সবাই শিক্ষা নেবে আমি কি করতে পারি। এরপর তিনি কাগজটি টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে ফেলে দেন। তথাপিও আয়াত মিস সুপ্তির নিকট হাত জোর করে বার বার ক্ষমা চেয়ে তার খাতাটি ফেরত চায় এবং খাতাটি পাওয়ার পর পুনরায় বোর্ড থেকে শ্রেণীর কাজ খাতায় লেখা শুরু করে। কিছুক্ষন পর স্কুল ছুটি হলে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের লেখা অসম্পন্ন থাকা সত্ত্বেও মিস সুপ্তি তাদের ক্লাস ত্যাগের নির্দেশ দেন। তবে আয়াত কে আটকে রেখে শাস্তি ও হুমকি দিতে থাকেন। অত্যন্ত ভীত ও কান্নারত অবস্থায় আয়াত শ্রেণীকক্ষ ত্যাগ করে। 
একপর্যায়ে শ্রেনিকক্ষের নিচতলায় থাকা ভাইস প্রিন্সিপালকে নির্যাতনের বিষয়টি জানাবে  বললে শিক্ষিকা সুপ্তি তাকে বলেন, আমার নামে কমপ্লেইন করবি!  তোর চোখই তুলে নিবো, তারপর কেমনে লিখবি, হুমকি দিয়েই আক্রমনাত্মক হয়ে তার হাতে থাকা একটি সূচালো পেন্সিল দিয়ে আমার মেয়েকে আয়াতের চোখ তুলে ফেলতে গেলে ডান চোখে রক্তাক্ত জখম হয় এবং ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে আত্মরক্ষায় সুপ্তিকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দৌড়ে নিচে নেমে ভিপি কে না পেয়ে কয়েকজন পরিচিত অভিভাবক ও স্কুল প্রশাসনের সদস্য মিস ইশানাকে ঘটনাটি অবহিত করে।
শিশু শিক্ষার্থীর মা অভিযোগ করে সকালের সময়কে বলেন, আমি পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাসায় ফিরে মেয়েকে চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাই এবং অত্যন্ত আতঙ্কিত হই। পরে আমার মেয়ের কাছ থেকে ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ জানতে পেরে স্কুলের এডমিন ইশানার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে সহ অধ্যক্ষ রুহুল ইসলামকে কল করে বিষয়টি জানালে তিনি এমন কোন ঘটনা এডমিন তাকে বলেননি বলে জানান। পরের দিন আমি উক্ত স্কুলে গিয়ে  এডমিন ইশানা, অধ্যক্ষ রুহুল ইসলাম, সিসিও সপ্না সহ কয়েকজনের উপস্থিতিতে ২ বার ঘটনাটি নিয়ে আলোচনায় তাদের মিথ্যা এবং দ্বায়িত্বহীনতার বক্তব্যে,  সিসিটিভি’র ফুটেজ দেখাতে অনুরোধ করি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের পরিবর্তে ভাইস-প্রিন্সিপাল শিক্ষকের অসদাচরণকে লঘু করে দেখার চেষ্টা করেন এবং বলেন যে, “এটা তেমন কিছু নয়। 
এরপর আমি কতিপয় শিক্ষকের উপস্থিতিতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে স্পষ্টভাবে দেখা যায় যে, ঘটনার সময় আমার কন্যা কান্নারত, অত্যন্ত ভীত এবং আতঙ্কে কাঁপছিল। শুধু তাই নয়, আমার মেয়ে ভয়ে প্রশ্রাব করে দিয়েছে। আমার মেয়ে কানের ইনফেকশনে অসুস্থ ছিল, ভয়ে আর্ট এ্যাটাকের দূর্ঘটনাও তো ঘটতে পারতো! এটি সর্বজনস্বীকৃত যে, একজন অভিভাবক তার সন্তানের বাসার বাইরের সবচেয়ে নিরাপদ স্থানগুলোর অন্যতম হিসেবে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বিবেচনা করা হয়। কোনো শিশুর প্রতি উচ্চস্বরে কথা বলা, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য বা অসম্মানজনক ভাষা ব্যবহার, শারীরিক নির্যাতন, অপমানজনক শাস্তি প্রদান, মৌখিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি প্রদান অথবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো শিক্ষার্থীকে হয়রানি করা গুরুতর অসদাচরণ। আর বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, বিশেষত শিশু আইন, ২০১৩-এর প্রাসঙ্গিক বিধান অনুযায়ী, শাস্তিযোগ্য অপরাধের অন্তর্ভুক্ত।  
এটি অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, একটি স্বনামধন্য ও উচ্চ বেতনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে আমার অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের সঙ্গে এধরনের আচরণ করা হয়েছে। শিশুদের শিক্ষা ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষকের দায়িত্ব পালনের পূর্বে শিশু মনোবিজ্ঞান এবং শিশু সুরক্ষা নীতিমালা সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান ও সচেতনতা থাকা অপরিহার্য। উক্ত প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিশুদের নিরাপত্তা ও মানসিক সুস্থতার বিষয়টি অবিলম্বে ও অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। এটি সর্বজনস্বীকৃত যে, শৈশবে ভয়, অপমান, নিরাপত্তাহীনতা ও সহিংসতার অভিজ্ঞতা একটি শিশুর মানসিক বিকাশে দীর্ঘস্থায়ী বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকের জন্য শিশুদের প্রতি সর্বোচ্চ সতর্কতা, সংবেদনশীলতা ও দায়িত্বশীল আচরণ না করে আমার শিশু সন্তানকে নির্যাতন করা হয়েছে।
শিশুর মা আরো বলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষের দ্বায়িত্বহীনতা ও বর্বরতায় বাধ্য হয়ে ধানমন্ডি ক্যাম্পাসের অধ্যক্ষ বরাবর লিগ্যাল নোটিশ প্রেরন করা হয়েছে। এরপর নোটিশে প্রদত্ত সময়ের শেষে এজাহার ও মামলা করতে বাধ্য হয়েছি। উক্ত মামলাটি কোর্টে প্রেরনের পর আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট আমার মেয়ে আয়াতের ২২ ধারায় গত ২২ সেপ্টেম্বর জবানবন্দি ও লিপিবদ্ধ করেন। অথচ থানা পুলিশ ও সি আই ডি উক্ত মামলার আসামীকে সনাক্ত বা গ্রেফতার  করতে ব্যর্থ হয়েছেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ উক্ত শিক্ষিকার বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে কোন তথ্য দিচ্ছেন। অক্সফোর্ডের মত এমন একটি উচ্চ বেতনের স্কুল কর্তৃপক্ষ কোন রকম আইডি প্রুফ ছাড়াই কি  একজন শিক্ষিকা নিয়োগ দিয়েছেন। এ বিষয়ে উক্ত শিশু শিক্ষার্থীর শ্রেণিকক্ষের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনার মাধ্য তদন্তপূর্বক দোষী শিক্ষিকা ও স্কুল কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি করেছেন মামলা বাদি শিশু শিক্ষার্থীর মা মিসেস আফরিন হাসনাত। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষিকার সেলফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে স্কুল কর্র্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এমএসএম / এমএসএম

ধানমন্ডির অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পুরাতন ঢাকা ক্যাম্পাস শিশু শিক্ষার্থীকে শারীরিক নির্যাতন করার অভিযোগ

দূর্যোগে ঘুরে দাঁড়াবে কৃষি

মাশরুম চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন

কৃষি ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছে ২০ হাজার উদ্যোক্তা

বিআরটিএর দুর্নীতিবাজ সুব্রত দেবনাথের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দায়ের

নোমান গ্রুপের সুনাম নষ্ট ও ক্ষতি করতে সংঘবদ্ধ চক্র মাঠে

বন্ধ হচ্ছে না রেললাইন নির্মাণ

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

পাটের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম

নেত্রীর পাশে আঠারো বছর: একজন শিমুল বিশ্বাসের আস্থা ও আনুগত্যের গল্প

দুবাই, কুয়েত, বাহরাইন, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব থেকে স্বর্ণ পাচারে কাজ করছে ৫০ মাফিয়া

চাকুরীর বয়স শেষ তবুও প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া গণপূর্তের আবুল খায়ের!

বাণিজ্যিক চাষে কাজু-কফির সম্ভাবনা