ঢাকা মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬

দূর্যোগে ঘুরে দাঁড়াবে কৃষি


টি আই এস বিউটি photo টি আই এস বিউটি
প্রকাশিত: ৫-১০-২০২৬ দুপুর ১:৩৭

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ, আকস্মিক বন্যা ও কৃষি উৎপাদনের ঝুঁকি মোকাবিলায় পূর্বাঞ্চলের কৃষিকে আরও সক্ষম ও সহনশীল করে গড়ে তুলতে বাস্তবায়ন হচ্ছে বাংলাদেশ সাস্টেইনেবল রিকভারি, ইমার্জেন্সি প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স (B-STRONG) প্রকল্প। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন এবং বাংলাদেশ সরকারের ম্যাচিং

গ্রান্টে পরিচালিত এ প্রকল্পের আওতায় বন্যাদুর্গত এলাকার কৃষি ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি জলবায়ু সহনশীল প্রযুক্তি, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, উন্নত বীজ উৎপাদন এবং পানি সাশ্রয়ী সেচ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় পূর্বাঞ্চলের পাঁচ জেলার ৪০টি উপজেলায় প্রায় ৬৫ হাজার কৃষককে প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে গত
অর্থবছরে ৬ হাজার ৭৪০টি প্রদর্শনী (ডেমো) বাস্তবায়ন করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে আরও ১০ হাজার ডেমো বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। একই সঙ্গে কৃষকের বাড়ির আঙিনা, অনাবাদি জমি, পুকুরপাড়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জায়গা এবং রাস্তার পাশে পরিত্যক্ত জমিকে উৎপাদনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মালচিং পদ্ধতিতে মরিচ চাষ: কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার মন্তলী গ্রামের কৃ ষক মো. হাসান বলেন, আগে বর্ষা মৌসুমে মরিচ চাষ করার কথা চিন্তাই করতাম না। অতিরিক্ত বৃষ্টি ও পানি জমে গেলে মরিচগাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় ছিল। কিন্তু বি-স্ট্রং প্রকল্পের সহায়তায় এবার প্রথমবারের মতো মালচিং পদ্ধতিতে মরিচ চাষ করেছি। শুরুতে কিছুটা ভয় থাকলেও কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের পরামর্শ মেনে বেড তৈরি করে তার ওপর মালচিং শিট বিছিয়ে চারা রোপণ করি। এতে জমিতে অতিরিক্ত পানি সরিয়ে নেওয়া সহজ হয়েছে, মাটির আর্দ্রতাও ধরে রাখা গেছে এবং আগাছার সমস্যা অনেক কমেছে।

ফসলের পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে ফেরোমন ফাঁদ ও হলুদ আঠালো ফাঁদ ব্যবহার করেছি। কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা নিয়মিত জমি পরিদর্শন করে সার প্রয়োগ, সেচ, রোগবালাই ও পোকামাকড় দমনের বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন। ফলে বর্ষার মধ্যেও গাছ ভালো রয়েছে এবং কয়েক দফায় মরিচ তুলতে পেরেছি।

৩৩ শতাংশ জমি থেকে প্রথম দফায় ২০০ কেজি এবং দ্বিতীয় দফায় ২৯০ কেজি-মোট প্রায় ৪৯০ কেজি মরিচ বিক্রি করেছি। প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি করে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকা পেয়েছি। আমার মোট খরচ হয়েছে প্রায় ২৪ হাজার টাকা। গাছে এখনও মরিচ রয়েছে। সব মিলিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার মরিচ বিক্রি করতে পারব বলে আশা করছি। মালচিং পদ্ধতিতে অসময়েও লাভজনক মরিচ চাষ করা সম্ভব-এটি আমার নিজের জমিতে চাষ করে বুঝতে পেরেছি।

সকালের সময়কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে 'বি-স্ট্রং' প্রকল্পের পরিচালক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, দুর্যোগের পর কৃষি ব্যবস্থা দ্রুত পুনরুদ্ধার করাই শুধু আমাদের লক্ষ্য নয়; ভবিষ্যতে যাতে কৃষক একই ধরনের দুর্যোগে কম ক্ষতিগ্রস্ত হন, সে সক্ষমতা তৈরি করাও প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালে দেশের পূর্বাঞ্চলে, বিশেষ করে ফেনী, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যায় কৃষিখাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ওই ক্ষতি কাটিয়ে কৃষিকে পুনরুদ্ধার এবং ভবিষ্যৎ দুর্যোগ মোকাবিলায় কৃষকদের প্রস্তুত করার প্রয়োজন থেকেই প্রকল্পটির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাঁচ জেলায় ৪০ উপজেলা: 'বি-স্ট্রং' প্রকল্পের কৃষি ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলার মোট ৪০টি উপজেলায়। প্রকল্পের কাগজে-কলমে মেয়াদ এপ্রিল ২০২৫ থেকে জুন ২০২৮ পর্যন্ত। মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম শুরু হয় ২০২৫ সালের জুলাই থেকে। প্রকল্পটির আওতায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর লিড এজেন্সি হিসেবে এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন কো-লিড হিসেবে কাজ করছে। এর পাশাপাশি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট সংস্থা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনসহ একাধিক সরকারি সংস্থা কার্যক্রম বাস্তবায়নে যুক্ত রয়েছে।

উৎপাদন বাড়াতে প্রযুক্তির ব্যবহার: প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে প্রযুক্তি গ্রহণ ও কৃষি যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বাড়ানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি কমানো। পাশাপাশি কৃষি ব্যবস্থায় নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পে ৩০ শতাংশ নারী এবং ২০ শতাংশ তরুণ (১৮-৩৫ বছর) অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্য রয়েছে। প্রকল্প পরিচালক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আমরা শুধু প্রচলিত পদ্ধতিতে

চাষাবাদে সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না। কম পানি, কম সময় ও কম খরচে বেশি উৎপাদনের জন্য কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। বন্যার পর বীজের সংকট কমাতে উদ্যোগ: প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর কৃষকের অন্যতম বড় সংকট হয়ে দাঁড়ায় মানসম্মত বীজের প্রাপ্যতা। এ সমস্যা মোকাবি-লায় কৃষক পর্যায়ে ধান, গম, ডাল, তেল ও মসলা-এই পাঁচ শ্রেণির ফসলের উন্নত প্রযুক্তি ও বীজ উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে বীজ সংরক্ষণ ক্ষমতা বাড়ানো, বিএডিসির মাধ্যমে গুদামজাতকরণ সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে বীজ উৎপাদনের ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ রয়েছে। এর ফলে দুর্যোগের পর দূরবর্তী এলাকা থেকে বীজ আনার ক্ষেত্রে সময়ক্ষেপণ এবং সরবরাহ সংকট কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডাল-তেলবীজ থেকে পেঁয়াজ-মরিচ: প্রকল্পের আওতায় এলাকার মাটি ও পরিবেশ অনুযায়ী খেসারি, মাষকলাই, মসুর, সরিষা, সূর্যমুখী ও সয়াবিনের মতো ফসলের চাষ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি গমের উন্নত জাতের প্রদর্শনীও করা হচ্ছে। নোয়াখালীতে পরীক্ষামূলকভাবে পেঁয়াজ চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সীমিত পরিসরে মরিচসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদনেও কৃষকদের সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। উচ্চমূল্যের ফসল উৎপাদনে মালচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। উঁচু বেড তৈরি করে বর্ষাকালেও টমেটো, মরিচ ও করলার মতো উদ্যান ফসল চাষের প্রদর্শনী করা হচ্ছে। পানি দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য জমি ও গাছের গোড়া উঁচু রাখার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ৫০ হাজার জিও ব্যাগে আদা-মরিচ: বসতবাড়ির খালি বা পরিত্যক্ত জায়গাকে উৎপাদনের আওতায় আনতে কৃষকদের মধ্যে ৫০ হাজার জিও ব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে। এসব বস্তায় আদা ও মরিচ চাষের মাধ্যমে স্বল্প জায়গায় উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক বলেন, "কৃষকের বাড়ির আশপাশে পড়ে থাকা জায়গাটুকুও যদি উৎপাদনে আনা যায়, তাহলে পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাড়তি আয়ও সম্ভব।

আমন কাটার আগেই সরিষা, চাষ ছাড়াই উৎপাদন: প্রকল্পের আওতায় জিরো টিলেজ বা চাষ ছাড়াই সরিষা উৎপাদন প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। আমন ধান কাটার প্রায় ১০ দিন আগে জমিতে সরিষার বীজ ছিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে জমি পুনরায় চাষের প্রয়োজন হচ্ছে না। ফলে সময়, পানি ও সার-তিন ক্ষেত্রেই সাশ্রয় হচ্ছে।

একই জমিতে একই ফসল বারবার চাষ না করে স্বল্পমেয়াদি সরিষা বা খেসারির মতো ফসল অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে মাটির স্বাস্থ্য ও উর্বরতা ধরে রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পানি সাশ্রয়ে অডউ ও সৌরচালিত সেচ: ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে ধান

চাষে অলটারনেট ওয়েটিং অ্যান্ড ড্রাইং পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষকদের বিনামূল্যে লো লিফট পাম্প সরবরাহ এবং সেচ চ্যানেল তৈরি ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ফলবাগানে সৌরশক্তিচালিত ড্রিপ ইরিগেশন বা ফোঁটা সেচ ব্যবস্থারও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এতে কম পানি ব্যবহার করে গাছের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি সরবরাহ সম্ভব হবে।

অনাবাদি জমিতে কমিউনিটি গার্ডেন: অনাবাদি জমিকে উৎপাদনে আনার ক্ষেত্রেও নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। পুকুরপাড় ও পতিত জমিতে মাচা তৈরি করে ফসল উৎপাদন, রাস্তার পাশে পরিত্যক্ত জমিতে তিনজন কৃষক মিলে কমিউনিটি গার্ডেনিং এবং স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার অব্যবহৃত জায়গায় চাষাবাদ করা হচ্ছে।

মাটির গুণাগুণ রক্ষায় ভার্মি কম্পোস্ট ও ট্রাইকো কম্পোস্ট উৎপাদনেও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ট্রাইকো কম্পোস্ট মাটির স্বাস্থ্য রক্ষার পাশাপাশি ছত্রাকজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ রয়েছে। শেড ছাড়াই গ্রীষ্মকালীন টমেটো: উৎপাদন খরচ কমাতে শেড ছাড়াই গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের ডেমো করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষক নির্বাচন ও কারিগরি প্রস্তুতি নিশ্চিত করে ভবিষ্যতে পলিশেড প্রযুক্তি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, মাঠে নিয়মিত নজরদারি: বিশ্বব্যাংক ও সরকারি অর্থায়নে

পরিচালিত প্রকল্প হওয়ায় ক্রয়, আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সরকার এবং বিশ্বব্যাংক-উভয় পক্ষের অনুমোদন ও ছাড়পত্রের প্রয়োজন হয়। ফলে বিভিন্ন পর্যায়ে সমন্বয়, সভা ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার কারণে বাস্তবায়নে সময় ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়।

তবে প্রকল্পের পুরো টিম গত কয়েক মাস ধরে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত কাজ করছে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক। তাঁর ভাষায়, শুরু থেকেই মাঠ সফরকে গুরুত্ব দিয়েছি। কারণ শুধু কাগজে-কলমে পরিকল্পনা করলে প্রকল্পের বাস্তব চিত্র বোঝা যায় না। কৃষকের মাঠে গিয়ে কাজটি কতটা কার্যকর হচ্ছে, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

নির্ধারিত সময়েই লক্ষ্য অর্জনের প্রত্যয়: প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়াকে নিজের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সাবিনা ইয়াসমিন।
তাঁর লক্ষ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পন্ন করে সরকারের নির্ধারিত উদ্দেশ্য অর্জন করা।

তিনি বলেন, প্রকল্পটি তৈরির শুরু থেকেই এর সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। ফলে এর উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা ও মাঠপর্যায়ের প্রয়োজনীয়তাগুলো খুব কাছ থেকে জানা আছে। এখন মূল লক্ষ্য হচ্ছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে কৃষকের কাছে এর সুফল পৌঁছে দেওয়া।

বিশেষজ্ঞদের মতে, 'বি-স্ট্রং' প্রকল্পের কার্যক্রম শুধু দুর্যোগ-পরবর্তী কৃষি পুনর্বাসনে সীমাবদ্ধ না রেখে স্থানীয় পর্যায়ে বীজ উৎপাদন, পানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি, জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও অনাবাদি জমির ব্যবহার বাড়াতে পারলে পূর্বাঞ্চলের কৃষিতে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব তৈরি হতে পারে।

এমএসএম / এমএসএম

দূর্যোগে ঘুরে দাঁড়াবে কৃষি

মাশরুম চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন

কৃষি ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছে ২০ হাজার উদ্যোক্তা

বিআরটিএর দুর্নীতিবাজ সুব্রত দেবনাথের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দায়ের

নোমান গ্রুপের সুনাম নষ্ট ও ক্ষতি করতে সংঘবদ্ধ চক্র মাঠে

বন্ধ হচ্ছে না রেললাইন নির্মাণ

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

পাটের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম

নেত্রীর পাশে আঠারো বছর: একজন শিমুল বিশ্বাসের আস্থা ও আনুগত্যের গল্প

দুবাই, কুয়েত, বাহরাইন, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব থেকে স্বর্ণ পাচারে কাজ করছে ৫০ মাফিয়া

চাকুরীর বয়স শেষ তবুও প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া গণপূর্তের আবুল খায়ের!

বাণিজ্যিক চাষে কাজু-কফির সম্ভাবনা

মাসে দেড়শ' কোটি টাকা যাচ্ছে অমুক্তিযোদ্ধার পেটে