ঢাকা মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

নিষেধাজ্ঞা শেষে উপকূলে শুরু হচ্ছে ইলিশ শিকার


মোরশেদ আলম, পটিয়া photo মোরশেদ আলম, পটিয়া
প্রকাশিত: ২৫-১০-২০২১ বিকাল ৬:৩
তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় অলস বসে থাকার পর আবারো ব্যস্ততা বেড়েছে আনোয়ারা উপজেলার উপকূলের জেলে পরিবারগুলোতে। হাসি ফুটেছে প্রায় ১০হাজার জেলের মুখে। এখন শুধু রুপালি মাছের খোঁজে নদীতে নৌকা ভাসানোর অপেক্ষা।
 
২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সোমবার রাত ১২টা থেকে শুরু হচ্ছে ইলিশ শিকার। ফলে, মঙ্গলবার থেকে বাজারে আবার মিলবে ইলিশ। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় এরই মধ্যে সাগরে মাছ শিকারের প্রস্তুতি শেষ করছে জেলেরা। মাছ কেনার প্রস্তুতি নিয়েছেন মৎস্যঘাটের আড়তদাররাও। এবার নদীতে সফল অভিযান হয়েছে বলে দাবি মৎস্য কর্মকর্তাদের।এত দিন কর্মহীন থেকে ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে পড়েছেন অনেক জেলে। এছাড়া মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার কারণে জেলেদের যে প্রণোদনার চাল বিতরণে নিয়ম করেছে সরকার তা নিয়েও দেখা দেয় অসন্তোষ।
আর শুধু চাল দিয়ে কি সংসার চালোনো যায়। চালের পাশাপাশি যদি সরকার কিছু অর্থও সহায়তা দিতো তাহলে আরো ভালো হতো, এমন মন্তব্য করেন জেলেরা।
 
এদিকে মৎস্য সংরক্ষণে প্রশাসন, পুলিশ, কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযান সফল হওয়ায় এবার ইলিশের উৎপাদন বেশি হবে বলে আশা মৎস্য কর্মকর্তার।
 
অপরদিকে নদীতে মাছ শিকারে প্রস্তুত উপজেলার প্রায় ১০ হাজার জেলে। জাল বোনা, ট্রলার মেরামতে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই নদী ও সাগরের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়বেন জেলেরা।
এর  মধ্যে জেলেরা মাছ শিকারের জন্য সাগরে ৭/৮ দিন অবস্থান করবেন বলে পরিবারের জন্য চাল, ডালসহ মুদি মালামাল কেনার জন্য ভিড় জমিয়েছেন আশে-পাশের দোকান গুলোতে।
 
মাছ ধরা শুরুর প্রস্তুতিতে উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে রায়পুরের সরেঙ্গা, পূর্ব গহিরা, ফকিরহাট, গলাকাটা ঘাট, বাতিঘর, ধলঘাট, বার আউলিয়া, উঠান মাঝির ঘাট, দোভাষী ঘাট ও ছিপাতলী ঘাট, জুঁইদণ্ডী সাপমারা খালের মুখ এবং বারশতের পারকী বাজারসহ ১২টির অধিক ঘাট। আশানুরুপ ইলিশ পেলে ২২ দিনের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া সম্ভব, বলছে জেলেরা।
বোট মালিক সমিতির নেতারা জানান, ২২দিন সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় মৎস্য ঘাট ও জেলে পল্লিগুলো নীরব ছিল। বন্ধ ছিল উপকূলীয় মৎস্য আহরণ কেন্দ্রগুলো। কয়েক হাজার মৎস্য ব্যবসায়ী ও শ্রমিক দীর্ঘ সময় বেকার ছিলেন। এ সময় তালিকাভুক্ত জেলেরা খাদ্যসহায়তা পেয়েছেন। তবে তালিকার বাইরের কয়েক হাজার জেলে সরকারি কোনো সহযোগিতা না পেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে দিন কাটিয়েছেন।
 
আনোয়ারা উপজেলা মৎস্য কার্যালয় জানায়,এ বছর মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের অংশ হিসেবে এবার ২৫ টি অভিযান চালানো হয়েছে। এতে  ৩০ কেজি জাটকা ইলিশ জব্দ, ১ হাজার টাকা জরিমানা ও আনুমানিক ৩৪ হাজার ৫০০ মিটার অবৈধ জাল আটক করা হয়েছে। উপকূলের বিভিন্ন ঘাটে ছয় শতাধিক মাছ ধরার নৌকা আছে। যার মধ্যে ১১টি ইউনিয়নে ২৪০০ জন নিবন্ধিত জেলে পরিবারের মাঝে  ২০ কেজি করে ৪৮ মেট্রিক টন চাল  বিতরণ করা হয়েছে।
 
আনোয়ারা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা  মো. রাশিদুল হক  বলেন, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সোমবার মধ্যরাতে সেই নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে। এরপর ইলিশ ধরায় কোনো বাধা থাকবে না।
 
উল্লেখ্য, জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে গত ৪ অক্টোবর ইলিশসহ সব ধরণের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

এমএসএম / এমএসএম

চট্টগ্রাম বন একাডেমির পরিচালক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

ভূরুঙ্গামারীতে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

নাচোলে ১৭১তম ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালিত

উলিপুরে কৃষি প্রণোদনার বীজ ও সার বিতরণ

৭০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার

সুনামগঞ্জে সিয়ামের চুরি হওয়া সিএনজি ১ মাসেও উদ্ধার হয়নি, পরিবারে হতাশা

বোদা পৌরসভার ৮১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

পাঁচবিবিতে মাদক নির্মূলে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি

রাজশাহীতে ‘Run for Padma’র সংবাদ সম্মেলন

কুড়িগ্রামে ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের ওপর হামলার অভিযোগ

বিলাইছড়ি উপজেলায় নবাগত ইউএনও'র যোগদান

কিংবদন্তী জননেতা সালাহউদ্দিন আহমদ এর জন্মদিনে চলচ্চিত্রকার মাহমুদ দিদারের লেখা

সুন্দরবন থেকে ভেসে আসা বনজ বীজ সংগ্রহ বন্ধে শ্যামনগরে লংমার্চ ফর ফরেস্ট কর্মসুচি পালন