ঢাকা সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

তানোরে তিনটি অ্যাম্বুলেন্সের চালক একজন


সোহানুল হক পারভেজ, তানোর photo সোহানুল হক পারভেজ, তানোর
প্রকাশিত: ১৮-১১-২০২১ দুপুর ১২:৪০

তিনটি অ্যাম্বুলেন্স চলছে মাত্র একজন চালক দিয়ে। এরমধ্যে দুটি নতুন ‍এবং একটি পুরনো। চালকের অভাবে প্রতিনিয়ত পড়ে থাকছে দুটি অ্যাম্বুলেন্স। দীর্ঘদিন ধরে চালক সংকটে রয়েছে রাজশাহীর তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এ কারণে সময়মতো চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলার সাড়ে তিন লাখেরও অধিক মানুষ। জরুরি সেবা না পেয়ে বাধ্য হয়ে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহনে রোগী নিয়ে যাচ্ছেন তাদের স্বজনরা। এতে বাড়তি ভাড়া গোনার পাশাপাশি চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন উপজেলাবাসী। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কয়েক বছর আগেও তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছিল ৩১ শয্যাবিশিষ্ট। তখন হাসপাতালে ছিল মাত্র একটি অ্যাম্বুলেন্স। পরে ওই অ্যাম্বুলেন্সটি দুর্ঘটনাকবলিত হওয়ার পর নতুন করে আরেকটি অ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আর দুর্ঘটনায় ভেঙেচুরে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্সটি সারানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগ না নেয়ায় হাসপাতাল চত্বরে পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে গেছে। হারিয়ে গেছে পড়ে থাকা অ্যাম্বুলেন্সের মূল্যবান যন্ত্রাংশ। 

এরপর হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হওয়ার পর ২০২০ সালে উপজেলা পরিষদের বিশেষ বরাদ্দে একটি ও ২০২১ সালে কোনো পদ সৃষ্টি না করেই বিশেষ সুযোগ-সুবিধাযুক্ত আরেকটি নতুন অ্যাম্বুলেন্স তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বরাদ্দ দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ওই সময় উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ও ইউএনও পংকজ চন্দ্র দেবনাথ আনুষ্ঠানিকভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে নতুন অ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর করেন। 

বর্তমানে হাসপাতালে আব্দুল সালাম নামে একমাত্র চালক রয়েছেন। তিনি একটি নতুন অ্যাম্বুলেন্স চালান। রোগীর চাপ থাকলেও শুধু চালকের অভাবে পড়ে থাকছে আরো একটি নতুন ও একটি পুরনো অ্যাম্বুলেন্স। এতে রোগীদের দুর্ভোগের পাশাপাশি সরকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্থানান্তরিত রোগীদের পরিবহনের জন্য স্বজনদের ছুটতে হচ্ছে প্রাইভেট গাড়ির কাছে। আর সুযোগ বুঝে প্রাইভেট গাড়িগুলো সরকারি ভাড়ার তুলনায় অনেক বেশি অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে রোগীদের কাছ থেকে। 

যেখানে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে বিনামূল্যে অক্সিজেন সুবিধা পাওয়া যায়, সেখানে বাইরের অ্যাম্বুলেন্সগুলোতে বেশি ভাড়া দেয়ার পাশাপাশি অক্সিজেনের জন্য অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয় রোগীদের। বিপদে পড়ে বাধ্য বেশি টাকা দিয়েই উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়মিত রোগী পরিবহন করছেন রোগীর স্বজনরা। খোদ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ও হাসপাতাল চত্বরেই দাঁড় করে রাখা হচ্ছে বেসরকারি মালিকদের অ্যাম্বুলেন্স। অথচ গ্যারেজে পড়ে থাকছে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স। 

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. বাঁনাবাস হাসদাক সকালের সময়কে বলেন, একটি পুরনো ও দুটি নতুন মিলিয়ে হাসপাতালে মোট অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে তিনটি। কিন্তু চালকের পদ রয়েছে একজন। তবে হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ড্রাইভার নিয়োগ দিলে অ্যাম্বুলেন্সগুলো চালানো সম্ভব হতো। পাশাপাশি কম খরচে স্থানান্তরিত রোগীরা ভালো সেবা পেতেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এমএসএম / জামান

ধামইরহাটে কালজয়ী লেখক জহির রায়হানের ‘আরেক ফাল্গুন’ গ্রন্থপাঠ প্রতিযোগিতা

ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ নিহত-২

ক্ষেতলালে স্কুল বন্ধের আড়ালে চলছে কোচিং বাণিজ্য

দীর্ঘ ১৯ মাস পর মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় পতাকা উত্তোলন

নন্দীগ্রামে ছাত্রদল কর্মীকে হত্যার ঘটনায় আসামীদের গ্রেফতারে চব্বিশ ঘন্টা আল্টিমেটাম

সন্দ্বীপের নব-নির্বাচিত এমপি মোস্তফা কামাল পাশার সাথে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময়

নড়াইল-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি বিশ^াস জাহাঙ্গীর আলমকে সংবর্ধনা

মহম্মদপুরে মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় আরিশা নাওয়ার প্রথম ও জান্নাত দ্বিতীয়

তানোরে গরুর বদলে ঘোড়া দিয়ে বোরো জমিতে হালচাষ

সুন্দরবন দস্যুমুক্ত করতে যৌথ বাহীনির অভিযান শুরু করা হবে পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম

প্রথম কর্মসূচিতে শ্রীমঙ্গল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন, রোগীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও দুধ বিতরণ

বগুড়ায় পায়ে মাড়িয়ে তৈরি হচ্ছিল সেমাই: ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

মুকসুদপুরে ভেকু দিয়ে মাটি কাটার অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালত ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন