ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

ফরিদপুরে শিশুকে বাঁচাতে অসহায় পরিবারের আকুতি


এহসান রানা, ফরিদপুর photo এহসান রানা, ফরিদপুর
প্রকাশিত: ২২-১১-২০২১ দুপুর ৩:৪৩
রিকসাচালক শাকিল হাসানের স্ত্রীর আগের দুটি বাচ্চা পেটে থাকতে পরিণত হওয়ার আগেই নষ্ট হয়ে গেছে। এবারের বাচ্চা নিয়ে তাই দরিদ্র এই পরিবার উচ্ছ্বসিত ছিল একটু বেশিই। কিন্তু সন্তান জন্ম নেয়ার পরে দরিদ্রতার সাথে সাথে অসহায় হয়ে পড়েছে পুরো পরিবার। সোমবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে কান্নাজড়িত কণ্ডে নিজেদের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন এই প্রতিবেদকের কাছে। দেশবাসীর কাছে আকুতি জানান বাচ্চাটিকে বাঁচাতে সহায়তা করার। 
 
গত শুক্রবার রাতে ফরিদপুর সদর উপজেলার শিবরামপুর এলাকার নানাবাড়িতে রিকসাচালক শাকিল হাসান ও আমেনা বেগমের ঔরসে জন্ম নেয় একটি ফুটফুটে শিশু। বাড়িতে স্বাভাবিকভাবেই জন্ম নেয় বাচ্চাটি। কিন্তু জন্মের পরে বাচ্চাকে দেখে শিউরে ওঠেন সবাই। প্রথমত বাচ্চাটির দুটি পা-ই বাঁকা। দ্বিতীয়ত বাচ্চাটির প্রসাব-পায়খানা রাস্তা নেই। পরদিন শনিবার বাচ্চাটিকে নিয়ে তার মা ও নানা আসেন ফরিদপুর শিশু হাসপাতালে। সেখানে বাচ্চাকে ভর্তি না নিয়ে পাঠানো হয় ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে। সেখানে একদিন রেখে বাচ্চার যথাযথ চিকিৎসা সেখানে নেই জানিয়ে ঢাকা শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন সেখানকার চিকিৎসকরা। 
 
অর্থাভাবে ঢাকা নিতে না পেরে বাচ্চাটিকে নানা বাড়িতে নিয়ে যায় পরিবার। কোনোভাবে টাকা ম্যানেজ করতে না পেরে দেশবাসীর কাছে বাচ্চাকে বাঁচানোর আকুতি জানাতে বাচ্চাকে নিয়ে মা আমেনা বেগম আসেন ফরিদপুর প্রেসক্লাবে।
 
পরীক্ষা করে দেখা গেছে, বাচ্চাটির প্রসাব পায়খানার রাস্তা নেই, পিঠে একটা টিউমারের মত আছে। নাভী দিয়ে মাঝে মাঝে রক্ত ঝড়ছে। দুটি পা বাঁকা। ফরিদপুর সদর উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহফুজুর রহমান ভুলু জানান, ‘সব শুনে মনে হচ্ছে বাচ্চাটির অনেক গুলো সমস্যা আছে, সেক্ষেত্রে বিশেষায়িত কোন হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা দিতে হবে। এধরনের চিকিৎসা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়(পিজি) ও ঢাকা শিশুতে হয়ে থাকে। শিশু সার্জারি চিকিৎসকগনই ভাল বলতে পারবেন, তবে আমার জানা মতে প্রসাব পায়খানার রাস্তা না থাকলে বেশ কয়েকটি সার্জারি করতে হবে, এই চিকিৎসা বেশ ব্যয়বহুলও বটে। 
 
শিশুটির নানা আবু তালেব জানান, তার জামাই রিক্সা চালায়। এই দিয়ে যা আয় হয় তাতে কোন রকম সংসার চলে। আমিও দরিদ্র মানুষ। ঠিকমত খাওয়া দাওয়াই চলে না এই শিশুর চিকিৎসা করাবো কিভাবে? আমাদের পক্ষে এই শিশুর চিকিৎসা করানো সম্ভব না। দেশের দশ জন যদি সাহায্য করে তাহলে হয়ত আমার নাতিটার চিকিৎসা হবে। আমি দেশের মানুষের কাছে নাতিটাকে বাচানোর জন্য আবেদন জানাচ্ছি। শিশুটির মা কান্নজাড়িত কন্ঠে বলেন, আপনাদের দুয়ারে আসছি, বাচা মরা আল্লাহর হাতে, আমার বাচ্চাটার চিকিৎসা যাতে করাতে পারি সেই ব্যবস্থাটা আপানারা দশজনে করে দেন। 
 
বিষয়টি ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকারকে জানানো হলে তিনি তাৎক্ষনিক ৫ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। জেলা প্রশাসক জানান, পরবর্তীতে প্রয়োজন হলে জেলা প্রশাসন থেকে আরো সহায়তা করা হবে।পরিবারের সদস্যদের কোন বিকাশ নম্বর বা ব্যাংক এ্যাকাউন্ট নেই। তাই কোন সহৃদবান ব্যাক্তি সহায়তা করতে চাইলে এই প্রতিবেদকের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা শিশুটির নানা আবু তালেব ০১৭২৭৯৫৭৩৫৪, আত্মীয় সোনিয়া আক্তার ০১৭২৭৮২৯৯০৯ (বিকাশ) নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। 

এমএসএম / জামান

বেনাপোল বন্দরে কাস্টমসের নেই নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা

লোহাগড়ায় সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, যুবলীগ নেতার নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ

টাঙ্গাইলে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

শরণখোলায় আমগাছে মিললো দিনমজুরের ঝুলন্ত লাশ

বিশ্ব দৃষ্টি দিবসে অভয়নগরে চক্ষু চিকিৎসাসেবা ও সচেতনতামূলক র‍্যালি

পল্লীবিদ্যুতের খুঁটি বাসনো নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ব্যক্তির মৃত্যু

ধামরাইয়ে দুই অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, দেড় লাখ টাকা জরিমানা

চাপাইনবাবগঞ্জে ৫ উপজেলায় বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন।

ভূমি ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের জরুরী হস্তক্ষেপ কামন। শ্যামনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, কর্তৃপক্ষ নীরব

‎দলীয় সমর্থনে জীবন বৃত্তান্ত জমা দিলেন রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশী ইসমাইল বিন মনির

কোনাবাড়ীতে বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

মেঘনায় মা ইলিশ শিকার করায় ১০ জেলে আটক, জাল ও ইলিশ জব্দ

রাজারহাটে পৃথক অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার