সোনারগাঁওয়ে নয়ন হত্যা মামলার আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ইউপি নির্বাচনী শত্রুতার জের ধরে নয়ন নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী। মঙ্গলবার বিকেলে সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন- নিহত নয়ন মিয়ার বাবা আলম মিয়া, মা রহিমা বেগম, স্ত্রী মানছুরা, ভাই ওমর ফারুকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে নিহতের বাবা আলম মিয়া তার বক্তব্যে বলেন, আমার ছেলে নয়নকে সনমান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের নির্বাচিত প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ও তার লোকজন হত্যা করে লাশ গত শনিবার সকালে সাজালেরকান্দী এলাকা ব্রিজের পাশে লাশ ফেলে যায়। দেলোয়ারের ঘর থেকে নয়নের রক্তমাখা লুঙ্গি উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে দেলোয়ারকে পুলিশ আটক করেছে। দেলোয়ার এসপি নাবিলার আত্মীয়। আটকের পর সোনারগাঁওয়ের জামপুর ইউনিয়নের মাঝেরচর এলাকার বাসিন্দা ও ঢাকা হেডকোয়ার্টারে কর্মরত এসপি (পুলিশ সুপার) নাবিলা পুলিশকে ফোন দিয়ে দোলোয়ারকে ছেড়ে দেয়ার জন্য নির্দেশ দেন। শুধু তাই নয়, বাদীর দায়ের করা অভিযোগে নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু রাত ৩টা পর্যন্ত বসিয়ে রেখে আমাদের বাড়ি চলে যেতে বলে। বাড়ি চলে আসার পর সকালে নারায়ণগঞ্জ আদালতে গিয়ে দেখি মামলার এজহারে কারো নাম অন্তর্ভুক্ত নেই। অজ্ঞাত হিসেবে মামলা রুজু হয়েছে। এসপি নাবিলার প্রভাবে সোনারগাঁও থানা পুলিশ দেলোয়ারকে বাঁচাতে এ এজহার পরিবর্তন করা হয়েছে। আমার ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শান্তি দাবি করছি।
নিহতের মা রহিমা বেগম বলেন, নির্বাচনের আগে থেকেই আমার দুই ছেলেকে দেলোয়ার ও তার লোকজন বাড়িতে গিয়ে খুঁজে হুমকি দিয়ে এসেছে। হত্যাকান্ডের আগের দিনও বাড়িতে খুঁজে এসেছে। পরদিন আমার ছেলের লাশ পাওয়া যায়।
মারুবদী গ্রামের ওমর ফারুক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেলোয়ার বাহিনী এ অঞ্চলে মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছে। এদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই হামলা ও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেয়। দেলোয়ারের বিরুদ্ধে সোনারগাঁও থানায় ৯টি মামলা ও দুটি জিডি রয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়ন পরিষদে ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে নির্বাচিত ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন ও সাবেক সদস্য মো. ফিরোজ আহমেদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নিহত নয়ন সনমান্দি ইউনিয়নের সাবেক সদসস্য মো. ফিরোজ আহমেদের সমর্থক ছিলেন। নির্বাচনে ফিরোজ আহমেদ পরাজিত হন। পরাজিত প্রার্থীর সমর্থক নয়নকে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র ও টেঁটাবিদ্ধ করে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের পর রাতের আঁধারে সনমান্দী ইউনিয়নের সাজালের কান্দী ফতেহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে নয়নের লাশ ফেলে রাখে। ১ জানুয়ারি সকালে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
সোনারগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, নয়ন হত্যা মামলা কারো প্রভাবে রুজু হয়নি। বাদীর দেয়া এজহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
শাফিন / জামান
বেনাপোল বন্দরে কাস্টমসের নেই নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা
লোহাগড়ায় সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, যুবলীগ নেতার নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ
টাঙ্গাইলে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
শরণখোলায় আমগাছে মিললো দিনমজুরের ঝুলন্ত লাশ
বিশ্ব দৃষ্টি দিবসে অভয়নগরে চক্ষু চিকিৎসাসেবা ও সচেতনতামূলক র্যালি
পল্লীবিদ্যুতের খুঁটি বাসনো নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ব্যক্তির মৃত্যু
ধামরাইয়ে দুই অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, দেড় লাখ টাকা জরিমানা
চাপাইনবাবগঞ্জে ৫ উপজেলায় বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন।
ভূমি ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের জরুরী হস্তক্ষেপ কামন। শ্যামনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, কর্তৃপক্ষ নীরব
দলীয় সমর্থনে জীবন বৃত্তান্ত জমা দিলেন রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশী ইসমাইল বিন মনির
কোনাবাড়ীতে বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ
মেঘনায় মা ইলিশ শিকার করায় ১০ জেলে আটক, জাল ও ইলিশ জব্দ