কুতুবদিয়ায় এহ্সান সোসাইটির প্রতারণার শিকার ২ হাজার গ্রাহক
কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় গ্রাহকদের পৌনে দুই কোটি টাকা মেরে লাপাত্তা হয়ে গেছে এহ্সান সোসাইটি নামে একটি এনজিও। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে এনজিওটির কোনো হদিস না থাকায় চরম আর্থিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অসহায় ও দরিদ্র প্রায় দুই হাজার গ্রাহক।
খবর নিয়ে জানা যায়, ২০০৩ সালের দিকে উপজেলার ধুরুংবাজারে একটি অফিস নিয়ে ব্যবসা শুরু করে এহ্সান সোসাইটি নামে ওই এনজিও। ইসলামকে পুঁজি করে সুদমুক্ত ঋণদান, অধিক মুনাফাসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সহজ-সরল মানুষকে গ্রাহক বানিয়ে আত্মসাৎ করে এ বিপুল পরিমাণ অর্থ। এতে সহযোগিতা করেন ২০ জন স্থানীয় মাঠকর্মী। তারা গ্রাহকদের কাছ থেকে বিভিন্ন প্রলোভনে ডিপিএস অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মাসিক কিস্তিতে এ টাকা জমা হাতিয়ে নেয়। শুরুতে সততা দেখিয়ে ধুরুং বাজার শাখাতেই তৈরি করে ৭০০ সংখ্যালঘুসহ ১ হাজার ৯২৯ জন গ্রাহক, যাদের বেশিরভাগই হতদরিদ্র।
অতি স্বল্প সময়ে এই এনজিওর অ্যাকাউন্টে জমা হয় দ্বীপের প্রায় ২ হাজার গ্রাহকের ১ কোটি ৭৩ লাখ ৪৪ হাজার ১৬৫ টাকা। পরবর্তীতে এই অর্থ থেকে গ্রাহকদের ঋণ দেয়া হয় ৫৯ লাখষ ৩১ হাজার ৮৩৯ টাকা।
এহসান সোসাইটির তৎকালীন ম্যানেজার মো. ওছমান গণি জানান, হিসাব অনুযায়ী ১৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা ঋণ অনাদায়ী রয়েছে মাঠে। এই শাখার অধীনে কক্সবাজারের খুরুস্কুল,পেকুয়া ও ধুরুং বাজারে রয়েছে ১০৫ শতক জমি। এরমধ্যে পেকুয়ার জমিটি তার (ম্যানেজার ওসমান গণি) নামে রেজিস্ট্রিকৃত।
এদিকে ২০১৬ সালের দিকে এহসান সোসাইটির প্রতারণা ও প্রধান অফিস নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় লেখালেখি হলে শাখা বন্ধ করে সটকে পড়েন কর্মকর্তারা। এ সময় জেলায় ৫-৬টি শাখা বন্ধ করে কর্মকর্তারা আত্মগোপনে চলে যান। এ সময় ধুরুং বাজার শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত অস্থায়ী ম্যানেজার অফিস ছেড়ে গ্রাহকদের ফাইল, জমির দলিল, আসবাবপত্র গোপনে সরাতে গেলে বাজারের গ্রাহকরা দেখে ফেলেন। পরে দক্ষিণ ধুরুং ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি জিনিসপত্র জব্দ করেন।
ওই এনজিওর গ্রাহক হোমিও চিকিৎসক আব্দুল হান্নান, সুনীল নাথ,বিধুবালা, মো. শওকত আলমসহ অনেকে জানান, এহসান সোসাইটির ধুরুং বাজার শাখায় প্রায় ২ হাজার গ্রাহক রয়েছেন। গ্রাহকদের কোটি টাকা জমা আছে ওই এনজিওতে। দীর্ঘ ৮ বছর পার হলেও এ পর্যন্ত ডিপিএস বাবদ জমা টাকা ফেরত পাননি কোনো গ্রাহক। গ্রাহকদের টাকায় কেনা এ শাখার অধীনে ১০৫ শতক জমির দলিল থাকলেও তা সংস্থা/কর্তৃপক্ষের লিখিত রেজুলেশন বা বিক্রির অনুমিত না থাকায় তা বিক্রি করাও সম্ভব হচ্ছে না। তারা জমাকৃত অর্থ ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে দক্ষিণ ধুরুং ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ছৈয়দ আহমদ চৌধুরী জানান, এহসান সোসাইটির গ্রাহকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ঢাকায় ওই এনজিওর প্রধান কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। অফিস তালাবদ্ধ পেয়েছেন। সংস্থার কোনো কর্মকর্তার দেখা পাননি। এমনকি কারো হদিস মেলেনি মোবাইলেও।
তিনি জানান, ধুরুং বাজার শাখার অধীনে ক্রয়কৃত ১০৫ শতক জমি বিক্রি করা গেলে গ্রাহকরা জমাকৃত অর্থের ৩০ ভাগ ফিরে পেতে পারেন। তিনি এহসান সোসাইটির তহবিল ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের তৎকালীন মহাব্যবস্থাপক মুফতি জুনাইদ আলীর সন্ধান করে গ্রাহকদের অর্থ ফেরত পেতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
এমএসএম / জামান
মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবায় পানছড়িতে সেনাবাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ
ধামইরহাটে ইসলামী ছাত্রশিবির কর্তৃক কৃতি শিক্ষার্থীদের এপ্লাস সংবর্ধনা প্রদান
বাগেরহাটে চাঞ্চল্যকর নারীসহ ৩ জন হত্যাকান্ডের মুল আসামী গ্রেফতার, রহস্য উৎঘাটন
কমলগঞ্জে অটোরিকশা থেকে চাঁদা আদায় নিয়ে হামলার অভিযোগ
টাঙ্গাইলে পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে ইটভাটা মালিকদের সাথে পরিবেশ অধিদপ্তরের মতবিনিময়
মিরসরাইয়ে গনমাধ্যমকর্মীর উপর হামলার প্রতিবাদে প্রতিবাদ ও মানবন্ধন
ফুলছড়ির চরাঞ্চলে কৃষকদের ভোগান্তি, বাড়তি সার মজুদের অভিযোগ
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে হিলিতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার
সবুজ বিলাইছড়ি গড়ার প্রত্যয়ে উপজেলা প্রশাসনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
কুড়িগ্রামে সার না পেয়ে কৃষকদের ক্ষোভ, ডিলারের গোডাউনে ভাঙচুর
অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ সার মজুত: শ্রীপুরে বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে ৩২৮ বস্তা সার উদ্ধার
বিলাইছড়িতে দুই ইউএনওকে ঘিরে বিদায় ও বরণ সংবর্ধনা