ঢাকা রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬

খুলনায় মায়ের মৃতদেহ আটকে রেখে দুই ছেলেকে পুলিশে দিলেন চিকিৎসকরা


এস এম জাহাঙ্গীর আলম, খুলনা photo এস এম জাহাঙ্গীর আলম, খুলনা
প্রকাশিত: ১০-৪-২০২২ দুপুর ১১:৪৩

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মায়ের মৃতদেহ আটকে রেখে দুই ছেলেকে পুলিশে দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। নগরীর দৌলতপুরের পাবলা কারিকরপাড়ার মাওলানা আব্দুর রাজ্জাকের (৬৭) স্ত্রী পিয়ারুন্নেছা (৫৫) শনিবার (৯ এপ্রিল) রাত ৩টার দিকে মৃত্যুকরণ করেন। চিকিৎসায় অবহেলার কারণে মায়ের মৃত্যু হয়েছে- এমন অভিযোগ এনে ইন্টার্ন চিকিৎসক কামরুল হাসানের সাথে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে মো. মোস্তাকিমের। এ ঘটনায় তার অপর দুই ভাইকে পুলিশে দেন চিকিৎসকরা।  

মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমার স্ত্রীর বুকে ব্যথা ও পায়খানা-প্রস্রাব না হওয়ায় শুক্রবার রাতে খুলনা মেডিকেল হাসপাতালের তৃতীয় তলায় ১১-১২নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। ওই রাতে চিকিৎসা করা হয়েছে। শনিবার রাতে আমার স্ত্রীর অবস্থা গুরুতর হলে আমার ছেলে ডাক্তার ডাকতে যায় কিন্তু কোনো ডাক্তার আসেনি। রোগীকে নিয়ে যেতে বলে। ছেলে বলে রোগীকে কী করে আনব, তিনি তো মোটা মানুষ, আনা সম্ভব নয়। ডাক্তার তখন কাগজপত্র আনতে বলেন। কাগজপত্র দেখে ইন্টার্ন চিকিৎসক বলেন, সব তো ঠিক আছে। রোগী দেখতে কেউ আসেননি। এরপর রাতে ছটফট করতে করতে আমার স্ত্রী মারা যায়। মায়ের এমন মৃত্যুতে আমার ছেলে মো. মোস্তাকিম গিয়ে ডাক্তারের কাছে জানতে চান তারা কেন দেখতে আসলেন না। এ নিয়ে আমার ছেলের সাথে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি হয় চিকিৎসকের। আমি যখন জানতে পারি গিয়ে হাত-পা ধরে মাফ চাই। বলি আপনারা তো বোঝেন মা মারা গেছে তাই ওদের মাথা ঠিক নেই, আপনারা মাফ করে দেন। এ সময় একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক আমার গায়েও আঘাত করেন। অপর দুই ছেলে মো. তরিকুল ইসলাম কাবির ও সাদ্দাম হোসেনকে পুলিশে দিয়ে দেন। তারা বর্তমানে সোনাডাঙ্গা থানায় আটক রয়েছে। আর আমার স্ত্রীর লাশও হাসপাতালে আটকে রাখা হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলর শামছুদ্দিন আহমাদ প্রিন্স ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এলেও তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

মাওলানা আব্দুর রাজ্জাকের ভাইয়ের ছেলে মামুন বলেন, আমার চাচির মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাচাতো ভাই মোস্তাকিমের সাথে ইন্টার্ন চিকিৎসক কামরুল হাসান ও তার সাথের লোকদের সাথে সামান্য হাতাহাতি হয়। এ ঘটনায় তারা অপর চাচাতো ভাই সাদ্দামকে মেরে জামা-কাপড় ছিঁড়ে ফেলে এবং মো. তরিকুল ইসলাম কাবিরকে গালাগালি দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেয়। আমরা স্বজনরা চাচির লাশের কাছে যেতে চাইলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বেলা ১১টা পর্যন্ত  আমাদের ভেতরে যেতে দিচ্ছে না।

এ বিষয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক কামরুল হাসানের সাথে তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তবে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, মানুষ মারা গেলে একটি প্রসিকিউট আছে। সে অনুযায়ী মৃতদেহ ছাড়তে হয়। লাশ আটকানোর তো কিছু নেই। পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য পুলিশ তাদের নিয়ে গেছে। আমরা কোনো জিডি বা মামলা করিনি তাদের বিরুদ্ধে।

এমএসএম / জামান

বেনাপোল বন্দরে কাস্টমসের নেই নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা

লোহাগড়ায় সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, যুবলীগ নেতার নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ

টাঙ্গাইলে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

শরণখোলায় আমগাছে মিললো দিনমজুরের ঝুলন্ত লাশ

বিশ্ব দৃষ্টি দিবসে অভয়নগরে চক্ষু চিকিৎসাসেবা ও সচেতনতামূলক র‍্যালি

পল্লীবিদ্যুতের খুঁটি বাসনো নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ব্যক্তির মৃত্যু

ধামরাইয়ে দুই অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, দেড় লাখ টাকা জরিমানা

চাপাইনবাবগঞ্জে ৫ উপজেলায় বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন।

ভূমি ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের জরুরী হস্তক্ষেপ কামন। শ্যামনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, কর্তৃপক্ষ নীরব

‎দলীয় সমর্থনে জীবন বৃত্তান্ত জমা দিলেন রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশী ইসমাইল বিন মনির

কোনাবাড়ীতে বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

মেঘনায় মা ইলিশ শিকার করায় ১০ জেলে আটক, জাল ও ইলিশ জব্দ

রাজারহাটে পৃথক অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার