জীবননগরে বৃষ্টির পানিতে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় এবার বোরো মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধান চাষে বাম্পার ফলন হলেও কৃষকের সেই স্বপ্নে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে টানা বৃষ্টি। আর এই টানা বৃষ্টির ফলে জীবননগর উপজেলার বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
গয়েশপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল কালাম জানান, তিনি এবছর তিন একর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছেন। চাষাবাদের শুরু থেকেই আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ধানের উৎপাদন ভালো হয়েছে।সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই ধান গোলায় তুলতে পারবেন, এমন স্বপ্ন দেখছেন তিনি। কিন্তু অসময়ের বৃষ্টি তার সর্বনাশ ডেকে এনেছে। তিন একর জমির ধানের মধ্যে এক একর জমির ধান বৃষ্টি শুরুর আগে কেটেছেন। বাকিগুলো কাটার সুযোগ পাননি। কিন্তু সোমবারের টানা বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধনের সম্ভাবনা রয়েছে।
রায়পুর ইউনিয়নের বোরো চাষী আব্দুল খালেক বলেন, সবেমাত্র পাকা ধান কেটে জমিতে রেখে দিয়েছি। ইচ্ছে ছিল জমিতে রেখেই মেশিনের মাধ্যমে ধান মাড়াই করব। এখান থেকে ধান বাড়িতে নিয়ে সিদ্ধ করে শুকাব এবং খড়গুলো শুকিয়ে সংরক্ষণ করব। কিন্তু আজকের টানা বৃষ্টির কারণে কেটে রাখা পাকা ধান বৃষ্টির পানিতে পড়ে আছে। এছাড়া বাকি যে এক একর জমির ধান কাটতে পারিনি, সেগুলো মাটিতে নুয়ে পড়েছে। ধান পাকা হওয়ায় অনেকগুলো মাটিতে ঝরে পড়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।
একই এলাকার কৃষক মো. আমজাদ হোসেন বলেন, এক একর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে ধানের গাছ ভেঙে শুয়ে পড়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সোমবার টানা বৃষ্টি হয়েছে। অসময়ের এ বৃষ্টির কারণে বোরো ধানের ক্ষেতসহ ফসলি জমিতে পানি জমে গেছে। এতে এখানকার শত শত কৃষক ক্ষেতে থাকা বোরো ধান নিয়ে দুচিন্তার মধ্যে পড়েছেন। ভালো ফলনে মুখে হাসি থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা শঙ্কার মধ্যে পড়েছেন। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হলে ক্ষেতের বাকি ধান ঘরে তোলা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তবে অনেকে বৃষ্টি শুরুর আগেই ধান কেটে ঘরে তুলতে সক্ষম হয়েছেন।
মনোহরপুর ইউনিয়নের ধান চাষি সফিকুল ইসলাম জানান, বৃষ্টির আগে ধান কেটে ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রেখেছি। বৃষ্টি শুরুর পর থেকে কাটা ধানগুলো ক্ষেতের মধ্যে পড়ে আছে। ধানের গাছ ভিজে থাকায় মাড়াই করা সম্ভব নয়। এছাড়াও সকালের সময় কে তিনি বলেন, আমাদের এলাকার বেশিরভাগ ক্ষেতের ধান শুয়ে পড়েছে। শুয়ে পড়া ধান কাটতে সময় বেশি লাগে। ফলে ধান কাটা খরচ বেড়ে যাবে।
এদিকে বৃষ্টিতে ধানের পাশাপাশি খড়ের ক্ষতিরও আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। অনেকে আগাম ধান কেটে খড়গুলো ক্ষেতের মধ্যে শুকাতে দিয়েছেন। তবে বৃষ্টির পানিতে ভিজে থাকার কারণে খড়গুলো পচে যাচ্ছে। ফলে এর প্রভাব পড়বে গোখাদ্যের ওপর।
এ বিষয়ের জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সোমবার টানা বৃষ্টির কারণে ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। জীবননগর উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর থেকে আমরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছি। সেই সাথে ক্ষতি যতটা কমানো যায় সে ব্যাপারে কৃষকদের সাথে পরামর্শ চলমান রেখেছি।
এমএসএম / জামান
তরুণরা চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হতে হবে, ইসমাইল জবিউল্লাহ
বরগুনায় জি,টিভির প্রাইভেটকারও ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত -২
পর্যটন ও পরিবেশ সুরক্ষায় কুয়াকাটায় তারুণ্যের উৎসব
পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নাই,চাল আসবাবপত্র সব পুড়ে ছাই
শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে শালিখা থানা পুলিশের মোটরসাইকেল মহড়া
চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন উন্নয়ন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের অধিগ্রহণের চেক বিতরণ
এসি বাস চালু হতেই ফের বাধা, বাঁশখালীতে আটকে দেওয়া হলো এসআর পরিবহনের দুই এসি বাস
কুমিল্লা কবি পরিষদের দাউদকান্দি শাখার সভাপতি আমিনুল হক, সাধারণ সম্পাদক শাকিল সরকার
সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান
গোপালগঞ্জে সাইফুর রহমান নান্টুর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
কক্সবাজার জেলা ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন
সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান
নড়াইলে প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণে নড়াগাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাথে বৈষম্যের অভিযোগ
Link Copied