পরিদর্শনে ক্লান্ত দৌলতগঞ্জ-মাঝদিয়া স্থলবন্দর, বাস্তবায়নের দাবি
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার দৌলতগঞ্জ-মাঝদিয়া স্থলবন্দরে উদ্বোধনের প্রায় এক দশক পার হলেও শুরু হয়নি আমদানি-রফতানি কার্যক্রম। এছাড়াও একের পর এক সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এই স্থলবন্দর পরিদর্শনের পরও দেখা মিলছে না কোনো আশার আলোর, যার ফলশ্রুতিতে অনেকটাই হতাশ এ অঞ্চলের মানুষ।
দৌলতগঞ্জ-মাঝদিয়া স্থলবন্দরটির ১৯৫৪ সাল থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত শুল্ক স্টেশনের কার্যক্রম চালু ছিল। তবে ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের সময় শুল্ক স্টেশনটি বন্ধ হয়ে যায়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে শুল্ক স্টেশনটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশে পুনরায় চালু হয়। ১৯৯৪ সালের ৩ নভেম্বর এসআরও ১৩৬-আইন/৯৪/১৫৬৮ শুল্ক নম্বর প্রজ্ঞাপন মোতাবেক সব ধরনের পণ্য আমদানি-রফতানির আদেশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ১৯৯৫ সালে শুল্ক স্টেশনটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। ২০০৯ সালের ১১ জুন প্রজ্ঞাপন নম্বর-২৬২/২০৮/শুল্কের মাধ্যমে সব ধরনের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে ১৯টি পণ্যের আমদানির অনুমতি দেয়া হয়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত ২০০৯ সালের শুল্ক এসআরও বুকলেট মোতাবেক দৌলতগঞ্জ-মাঝদিয়া স্থলবন্দর দেশের মধ্যে ১৪তম। বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালে ৩১ জুলাই দৌলতগঞ্জ-মাঝদিয়া পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে। কিন্তু বর্তমানে স্থলবন্দরটি উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্তের অপেক্ষাধীন থাকায় বন্দরটি এখন পর্যন্ত চালু হয়নি।
দৌলতগঞ্জ-মাঝদিয়া স্থলবন্দর বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু মো. আব্দুল লতিফ অমল বলেন, স্থলবন্দর চালুর জন্য যেসব অবকাঠামো প্রয়োজন, তার সবকিছু দৌলতগঞ্জ-মাঝদিয়া স্থলবন্দরে আছে। এখন শুধু বন্দর কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করলে এটি চালু হবে। সেই সাথে উন্নয়নের বাতিঘর দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবশ্যই সুনজর দেবেন বলে আমরা আশা করি।
জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেন, জীবননগরবাসীর প্রাণের দাবি এই স্থলবন্দরটি চালু হওয়া। বন্দরটি চালু হলে জীবননগর উপজেলার বেকারত্ব কমে যাবে, পাশাপাশি যে ব্যবসায়ীরা আছেন যারা ভারত থেকে মালামাল আমদানি-রপ্তানি করেন তাদের জন্য অনেক রাস্তা কম হবে এবং খরচ কমবে।
জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি গোলাম মর্তুজা বলেন, দৌলদগঞ্জ-মাঝদিয়া স্থলবন্দরটি উদ্বোধনের এক দশক পার হলেও কার্যক্রম চালু না হওয়ায় রীতিমতো হতাশ এলাকার সাধারণ মানুষ । সুতরাং বাংলাদেশের উন্নয়নের কাণ্ডারি দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের অর্থনৈতিক চাকাকে আরো সচল করতে এ বন্দর পুনরায় চালু করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে আমি মনে করি।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে ২৪ আগস্ট নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান আনুষ্ঠানিকভাবে দৌলতগঞ্জ-মাজদিয়া স্থলবন্দরটির উদ্বোধন করেন।
এমএসএম / জামান
তরুণরা চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হতে হবে, ইসমাইল জবিউল্লাহ
বরগুনায় জি,টিভির প্রাইভেটকারও ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত -২
পর্যটন ও পরিবেশ সুরক্ষায় কুয়াকাটায় তারুণ্যের উৎসব
পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নাই,চাল আসবাবপত্র সব পুড়ে ছাই
শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে শালিখা থানা পুলিশের মোটরসাইকেল মহড়া
চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন উন্নয়ন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের অধিগ্রহণের চেক বিতরণ
এসি বাস চালু হতেই ফের বাধা, বাঁশখালীতে আটকে দেওয়া হলো এসআর পরিবহনের দুই এসি বাস
কুমিল্লা কবি পরিষদের দাউদকান্দি শাখার সভাপতি আমিনুল হক, সাধারণ সম্পাদক শাকিল সরকার
সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান
গোপালগঞ্জে সাইফুর রহমান নান্টুর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
কক্সবাজার জেলা ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন
সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান
নড়াইলে প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণে নড়াগাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাথে বৈষম্যের অভিযোগ
Link Copied