দশ বছরেও সন্ধান মেলেনি স্কুল ছাত্র তোহেলের
চট্টগ্রামে দশ বছরেও স্কুল ছাত্র তোহেল আহমেদের (১৭) সন্ধান দিতে পারেনি পুলিশ। সে বেঁচে আছে কিনা তাও জানেনা পরিবার। তবে একদিন বাড়ি ফিরবে এমন আশায় এখনও তার পথ চেয়ে আছে মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা। ২০১২ সালের ২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন বহদ্দারহাট আবাসিক এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। এরপর গত দশ বছরেও তার খোঁজ মিলেনি। তোহেল চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়নের ব্রামোত্তর গ্রামের প্রবাসী কোব্বাত আহমেদের ছেলে।
স্কুল ছাত্র তোহেল নিখোঁজ নাকি অপহরণের শিকার হয়েছেন? এখনও বেঁচে আছে নাকি তাকে হত্যা কিংবা গুম করা হয়েছে তাও অজানা পরিবারের সদস্যদের কাছে।
নিখোঁজ তোহেল আহমেদের মা বেবী আকতার বলেন, ‘তোহেল নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন সানোয়ারা বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। নগরীর বহদ্দারহাট চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বি-ব্লকের ৪ নম্বর সড়কের ৬৫ নম্বর বাসায় চাচার সঙ্গে ভাড়া থাকত। ২০১২ সালের ২০ অক্টোবর বাসা থেকে সকাল সাড়ে ৮টায় স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। এরপর এখনও বাসায় ফিরেনি। এমন স্থান নেই যেখানে তোহেলকে খোঁজ করা হয়নি। এমন কোন বন্ধু-আত্মীয় স্বজন নেই যাদের বাসায় বাসায় গিয়ে আমরা খোঁজ করিনি। কোথাও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।’
বেবী আকতার আরও বলেন, অনেক খোঁজাখুজির পর না পেয়ে ২০১৩ সালের ৩১ জানুয়ারি চান্দগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। যার নম্বর ছিল-১৬৩৪। অনেক বার থানায় থানায় ঘুরেছি। থানা পুলিশ আমার ছেলের কোন খোঁজ দিতে পারেনি। তোহেল একদিন আমার বুকে ফিরে আসবে, আমাকে মা বলে ডাকবে সে আশায় আমি এখনও বুকে বেঁধে আছি।’
তিনি আরও বলেন, আমার সঙ্গে তো কারও শত্রুতা ছিল না। আমার ছেলেও স্কুলে পড়ছিল। সেজন্য তাকে কেউ মেরে ফেলে গুম করবে এ ধরনের কোন কথা ভাবতে পারছি না।
তোহেল আহমেদের পিতা প্রবাসী কোব্বাত আহমেদ বলেন, ‘আমি দুবাইয়ে থাকি। ঘটনার সময়ও আমি প্রবাসে ছিলাম। এসে দেখি ছেলে নেই। আমার জীবনটাই যেন খালী খালী লাগে। আমার এক ছেলে ও দুই মেয়ে। একমাত্র ছেলেটি এখন নেই। আমার ছেলে কার কি ক্ষতি করেছে বুঝতে পারছি না। তাকে যদি কেউ মেরে গুম করে থাকে তাহলে কারা করেছে? কেন করেছে? জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন হওয়া জরুরি। ঘটনার পর আমার স্ত্রী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিল। পুলিশ কোন সন্ধান দিতে পারেনি।
চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুর রহমান বলেন, ‘২০১৩ সালে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি হলে নিশ্চই পুলিশ সে সময় তদন্ত করেছিল। হয়তো পাওয়া যায়নি। এখন কি করার আছে তা বুঝা যাচ্ছে না। হয়তো অভিভাবকরা মনে করেন তারা এখন মামলা কিংবা আইনগত অন্য কোন ব্যবস্থা নেবেন সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ নিতে পারেন।
এমএসএম / এমএসএম
গরুর হাটে গিয়ে খোয়ালেন ১লাখ টাকা; সংশ্লিষ্টদের নজরদারি নিয়ে ক্ষোভ
হিলিতে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের অন্যতম সদস্য 'চুষনি' আটক
হাতিয়ায় ৩৮ লক্ষ টাকা মূল্যের সামুদ্রিক মাছ সহ ৪৫ জন জেলে কে আটক করেছে কোস্টগার্ড
সুন্দরবনে বনরক্ষী-দস্যু গোলাগুলি: ৪ অপহৃত জেলে উদ্ধার, অস্ত্র জব্দ
দখলমুক্ত হলো সরকারি ১ একর ৬৪ শতক জমি
বাঙ্গরা বাজার থানায় মাদকবিরোধী অভিযানে বিদেশি মদ ও ইয়াবাসহ আটক ২
গোপালগঞ্জে উন্নয়ন প্রচারে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে প্রেস ব্রিফিং
ব্যবসায়ী হত্যার প্রতিবাদে নওয়াপাড়া নৌবন্দরে হরতাল, বন্ধ সকল বাণিজ্যিক কার্যক্রম
রাণীনগরে দোকান চুরি ঘটনা নিয়ে ধোঁয়াশা নেপথ্যে কি অন্য কোনো রহস্য?
নন্দীগ্রামে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা
রাঙামাটির বিলাইছড়ি- রাজস্থলী সড়কে জীপ উল্টে বৃদ্ধের মৃত্যু
আত্রাইয়ে বান্দাইখাড়া ডিগ্রি কলেজে বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত