ঢাকা সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দশ বছরেও সন্ধান মেলেনি স্কুল ছাত্র তোহেলের


চট্টগ্রাম ব্যুরো photo চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ২৪-৮-২০২২ দুপুর ২:২৬

চট্টগ্রামে দশ বছরেও স্কুল ছাত্র তোহেল আহমেদের (১৭) সন্ধান দিতে পারেনি পুলিশ। সে বেঁচে আছে কিনা তাও জানেনা পরিবার। তবে একদিন বাড়ি ফিরবে এমন আশায় এখনও তার পথ চেয়ে আছে মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যরা। ২০১২ সালের ২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন বহদ্দারহাট আবাসিক এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। এরপর গত দশ বছরেও তার খোঁজ মিলেনি। তোহেল চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়নের ব্রামোত্তর গ্রামের প্রবাসী কোব্বাত আহমেদের ছেলে।
স্কুল ছাত্র তোহেল নিখোঁজ নাকি অপহরণের শিকার হয়েছেন? এখনও বেঁচে আছে নাকি তাকে হত্যা কিংবা গুম করা হয়েছে তাও অজানা পরিবারের সদস্যদের কাছে।
নিখোঁজ তোহেল আহমেদের মা বেবী আকতার বলেন, ‘তোহেল নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন সানোয়ারা বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। নগরীর বহদ্দারহাট চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বি-ব্লকের ৪ নম্বর সড়কের ৬৫ নম্বর বাসায় চাচার সঙ্গে ভাড়া থাকত। ২০১২ সালের ২০ অক্টোবর বাসা থেকে সকাল সাড়ে ৮টায় স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। এরপর এখনও বাসায় ফিরেনি। এমন স্থান নেই যেখানে তোহেলকে খোঁজ করা হয়নি। এমন কোন বন্ধু-আত্মীয় স্বজন নেই যাদের বাসায় বাসায় গিয়ে আমরা খোঁজ করিনি। কোথাও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।’
বেবী আকতার আরও বলেন, অনেক খোঁজাখুজির পর না পেয়ে ২০১৩ সালের ৩১ জানুয়ারি চান্দগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। যার নম্বর ছিল-১৬৩৪। অনেক বার থানায় থানায় ঘুরেছি। থানা পুলিশ আমার ছেলের কোন খোঁজ দিতে পারেনি। তোহেল একদিন আমার বুকে ফিরে আসবে, আমাকে মা বলে ডাকবে সে আশায় আমি এখনও বুকে বেঁধে আছি।’
তিনি আরও বলেন, আমার সঙ্গে তো কারও শত্রুতা ছিল না। আমার ছেলেও স্কুলে পড়ছিল। সেজন্য তাকে কেউ মেরে ফেলে গুম করবে এ ধরনের কোন কথা ভাবতে পারছি না।
তোহেল আহমেদের পিতা প্রবাসী কোব্বাত আহমেদ বলেন, ‘আমি দুবাইয়ে থাকি। ঘটনার সময়ও আমি প্রবাসে ছিলাম। এসে দেখি ছেলে নেই। আমার জীবনটাই যেন খালী খালী লাগে। আমার এক ছেলে ও দুই মেয়ে। একমাত্র ছেলেটি এখন নেই। আমার ছেলে কার কি ক্ষতি করেছে বুঝতে পারছি না। তাকে যদি কেউ মেরে গুম করে থাকে তাহলে কারা করেছে? কেন করেছে? জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন হওয়া জরুরি। ঘটনার পর আমার স্ত্রী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিল। পুলিশ কোন সন্ধান দিতে পারেনি।  
চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈনুর রহমান বলেন, ‘২০১৩ সালে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি হলে নিশ্চই পুলিশ সে সময় তদন্ত করেছিল। হয়তো পাওয়া যায়নি। এখন কি করার আছে তা বুঝা যাচ্ছে না। হয়তো অভিভাবকরা মনে করেন তারা এখন মামলা কিংবা আইনগত অন্য কোন ব্যবস্থা নেবেন সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ নিতে পারেন।

এমএসএম / এমএসএম

চাঁদপুরে পচা ইলিশ বিক্রির দায়ে ২ মাছ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

বঙ্গবন্ধুর পর এবার মন্ত্রী এ্যানির ছবি ব্যবহার করে কুয়াকাটায় জমি দখলের অভিযোগ

পটুয়াখালীতে জেলা পর্যায়ে ২ দিনব্যাপি ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমপানি ও পুরস্কার বিতরণ

টাঙ্গাইল পৌরসভার ৫ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের প্রাক্কলন ফাঁসের অভিযোগ

চাঁদপুরে ৫০ মেধাবী শিক্ষার্থীকে ৫ লাখ টাকা শিক্ষা অনুদান

জুড়ীতে আইনশৃঙ্খলা সভায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা, এমপি বললেন ‘সরকারি নির্দেশনা’, হুইপের ‘না’

হাতিয়ায় সাত দিনের ব্যবধানে ফের ক্লাসরুমে ২১ শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

২৪ ঘন্টা আল্টিমেটামের মধ্যেই পাবনার সেই ডিবি পুলিশের ওসি অবশেষে প্রত্যাহার

ঘিওরে বয়স্ক-বিধবা-প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীদের মাঝে গাছের চারা ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

নগরকান্দায় কাইচাইল ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

তিন বিচারক প্রত্যাহারের দাবিতে চাঁদপুরে আইনজীবীদের মানববন্ধন

২০ বছরের রাস্তা বন্ধ করতে ইটের প্রাচীর প্রতিবেশীর, ৭ টি পরিবার অবরুদ্ধ

অগ্রণী ব্যাংকের বাগেরহাটের কচুয়ায় ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে ক্যাম্পেইন কর্মসুচী