কর্ণফুলী ড্রাই ডকের নদী দখল ও বন বিভাগের গাছ কর্তনে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের পরিদর্শন
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার মেরিন একাডেমি সংলগ্ন বদল পুরা এলাকায় কর্ণফুলী নদী উপকূলে কর্ণফুলী ড্রাই ডক কর্তৃপক্ষের বন উজাড়ের ঘটনায় উষ্মা প্রকাশ করেছেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের কর্মকর্তারা। এসময় ড্রাই ডক কর্তৃপক্ষের নানা অনিয়ম ও অসংগতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেন তারা।
গত মঙ্গলবার (০৮) নভেম্বর সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের কর্মকর্তারা।
এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী বলেন, বালুচর নদীর অংশ, নদীর জমি বিক্রি করা যাবে না। এমনকি কাউকে লিজ দেওয়াও যাবে না। ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। নদী জনঅধিকার সম্পত্তি। এখানে সকলের সমান অধিকার থাকবে। সকলের অধিকার নিশ্চিত করা না গেলে সরকার এর স্বত্ব নিজের কাছে রেখে দিবে। ডিসি, এসি ল্যান্ডসহ সংশ্লিষ্ট সকলের দায়িত্ব হচ্ছে নদীর জমি রক্ষা করা।এই গাছ তারা (কর্ণফুলী ড্রাই ডক) কাটতে পারে না।
তিনি আরও বলেন,বনবিভাগও গাছ কাটার অনুমতি দিতে পারে না। জীববৈচিত্র্য রক্ষার্থে বনবিভাগ গাছ লাগাতে পারে।নদীর জমির গাছ কাটার অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার বনবিভাগ রাখেনা। ইউএনও'র এসব প্রোপার্টির কাস্টোডিয়ান।তারা অনুমতি ছাড়া তো কোনভাবেই গাছ কাটা সম্ভব না।আজ আমরা নদীর যে চিত্র দেখলাম তা অত্যন্ত ভয়াবহ। আগামীকাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণে একটি বৈঠক করবো।
এই নদীটি ৩ কি. মি. প্রসস্থ ছিল, কিন্তু বর্তমানে উভয় পাশে ১ কি. মি. করে দখল করা হয়েছে। আর নদীর জমির মধ্যে কন্টেইনার টার্মিনাল হতে পারে না। টার্মিনাল হবে নদীর পাড়ে। প্রয়োজনে জেটি করা যেতে পারে কিন্তু এর ফলে নদীর গতিপথ বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। বন্দর আইন ১৯০৮ এ জেটি নির্মাণের নির্দেশনাও দেওয়া আছে। নিজের ইচ্ছেমতো জেটি তো করা যাবে না। এতে বন্দর কর্তৃপক্ষের নেভিগেশন নষ্ট হয়ে যাবে।’
এবিষয়ে আমরা এসি ল্যান্ড এবং ইউএনও'র সাথে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতি জানার চেষ্টা করেছি। তারা আমাদের অনেক তথ্য দিয়েছেন। যার প্রেক্ষিতে আমরা সরেজমিনে এসেছি। হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্ণফুলীসহ দেশের সকল নদী জীবন্ত স্বত্তা। নদীর সাথে অন্যায় অবিচার হলে আইনত অভিভাবক হিসেবে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন মামলা করতে পারে। এই নদীর সকল ধরনের অধিকার নিশ্চিত করতেই আজ এখানে এসেছি।
এদিকে সরেজমিন পরিদর্শনকালে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরীর প্রশ্নবাণে অনেকটা নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করতে দেখা যায় ড্রাই ডক কর্তৃপক্ষের কর্তাদের। প্রশ্নের জবাব দেওয়ার পরিবর্তে নদী রক্ষা কমিশনের কর্মকর্তাদের আপ্যায়নের দিকেই তাগাদা দেখা যায় তাদের। প্রশ্নের সদুত্তর দিতে না পারলেও নিজেদের অসংগতি আড়াল করতে বুড়িগঙ্গা নদীর তীর দখলের উদাহরণ দিতে থাকেন ড্রাউ ডক সংশ্লিষ্টরা।
এমএসএম / এমএসএম
এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়
শালিখায় ইটভাটার দেয়াল ধসে এক শ্রমিকের মৃত্যু
টাঙ্গাইলে জামায়াতের নারী কর্মী লাঞ্ছিত: রাজপথে বিশাল বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
আক্কেলপুরে দেশীয় খেলার উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত
চাঁদপুরে অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা সৈয়দ গ্রেপ্তার
প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের ষড়যন্ত্র ও মানহানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
ফরিদপুর ১ আসনে মুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারের সদস্যরা ধানের শীষের প্রার্থী নাসিরকে সমর্থন
মোহনগঞ্জে সাধারণ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন
২২ বছর পর ময়মনসিংহে তারেক রহমান: জনসমুদ্রে নির্বাচনি অঙ্গীকারে মুখর সার্কিট হাউজ মাঠ
জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে যুবকদেরকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা হবে
টাঙ্গাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যা, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট