ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

আখাউড়ায় মরদেহ নিয়ে শ্মশাণে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ


প্রবীর চৌধূরী রিপন photo প্রবীর চৌধূরী রিপন
প্রকাশিত: ২৮-১১-২০২২ দুপুর ৩:১০

মরদেহ নিয়ে শ্মশাণে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া অভিযোগ পাওয়া গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার মোগড়া গ্রামে।আজ সোমবার সকালে সুধীর পাল(৮৫) নামে এক ব্যক্তি মারা গেলে  মরদেহ নিয়ে আসার পর রাস্তা বন্ধ দেখতে পেয়ে লোকজন অপেক্ষা করতে থাকে। 

সকাল ১০টায় লোকজন মরদেহ নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন।পরে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন। মোগড়ার বাসিন্দা রতন পাল জানান,ওনার কাকা মারা গেলে সকাল সাড়ে আটটার দিকে মরদেহ নিয় মোগড়ার কালীতলা শ্মশাণে যান। 

এ সময় দেখতে পান শ্মশাণে যাওয়ার রাস্তাটি টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। রাস্তা বন্ধ করে রাখায় আরো ২৫টি পরিবার সমস্যায় আছেন।

তিনি জানান, রাস্তা নিয়ে আগে থেকে সমস্যা করছিলো আলমগীর নামে এক ব্যক্তি। তিনি শ্মশাণে যাওয়ার রাস্তায় বেড়া দিয়ে দেন।  উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও ইউপি চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে তিনি বেড়া সরিয়ে নেন। পরে স্থানীয় সালিসে রাস্তাটি শ্মশাণে যাওয়ার প্রমাণিত হলে আলমগীর এতে সায় দেন। 

সালিসের রায় অমান্য করে আলমগীর আবার বেড়া দিয়ে দেন।শিউলী আক্তার নামে এক নারী জানান, সকাল থেকে লাশ নিয়ে বসে আছে। রাস্তা বন্ধ থাকায় আমাদের মতো ২৫টি পরিবার বন্দি অবস্থায় আছে।মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন জানান, আমি সালিসের রায় দিয়েছি। ওরা রায় মানেনি। লাশ নিয়ে বসে থাকার কথা আমাকে জানানো হয়েছে।

প্রীতি / প্রীতি

বারহাট্টায় মাদক নিয়ন্ত্রণে করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত

লাকসামে রথযাত্রা উৎসব উদযাপন

চট্টগ্রামে ভবন নির্মাণে বাড়ছে আইন ভাঙার প্রবণতা

ট্রেনের দরজা থেকে ছিটকে পড়ে যুবকের মৃত্যু

তিস্তার পানি নামতেই রাজারহাটে তীব্র নদীভাঙ্গন বিলীন ২৫ ঘরবাড়ি

বিলাইছড়িতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু

পাঁচবিবি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৫শ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার

চন্দনাইশে অধ্যাপক মরহুম ইসহাক উদ্দিন চৌধুরীর স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আড়ানী পৌর বিএনপি কার্যালয়ে পেট্রোল বোমা হামলা

বারহাট্টায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে প্রাণ নাশের হুমকি

খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে কচি তালুকদারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

রক্তমাখা স্মৃতিতে বেঁচে আছেন জিহাদের মা