ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

আক্কেলপুর হানাদার মুক্ত দিবস ১৩ ডিসেম্বর


শাদমান হাফিজ শুভ, আক্কেলপুর photo শাদমান হাফিজ শুভ, আক্কেলপুর
প্রকাশিত: ১২-১২-২০২২ দুপুর ৪:৩২

 মহান মুক্তিযুদ্ধে দীর্ঘ নয় মাস মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণে ক্ষতবিক্ষত হয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বিজয়ের তিন দিন আগে ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে আক্কেলপুর ছেড়ে চলে যায়।প্রতিবছর এ দিনটি ঘিরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে মুক্তিযোদ্ধারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আক্কেলপুরবাসী শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ স্বাধীনতাকামীদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। 

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নবীবুর রাহমান জানান, আক্কেলপুর উপজেলা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের শক্ত ঘাঁটি ছিল। পাকিস্তানি সেনা বাহিনী এবং এ দেশীয় দোসর রাজাকার বাহিনীর সদস্যরা মিলিত ভাবে মার্চ মাসের শুরু থেকেই গ্রামে গ্রামে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটসহ নির্বিচার হত্যাকান্ড চালায়। একাত্তরের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমান পাকিস্তানিদের কবল থেকে দেশমুক্ত করার জন্য আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। পাক জান্তারা আক্কেলপুর রেলস্টেশন, সিনিয়র মাদ্রাসাসহ কয়েক জায়গায় ক্যাম্প তৈরি করে।

৯ মাসের যুদ্ধের পর হানাদার বাহিনী আক্কেলপুরের হলহলিয়া ব্রীজ এলাকা থেকে জয়পুরহাট অভিমুখে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং যাচ্ছিল। এই খবর পেয়ে পশ্চিম দিক থেকে মুক্তিযোদ্ধারা কাজী ফরমুজুল হক পান্নার নেতৃত্বে কয়েকটি গেরিলা গ্রুপ একত্রিত হয়ে তাদের প্রতিরোধ করে ১৩ ডিসেম্বর সকালে আক্কেলপুর সিনিয়র মাদ্রাসায় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে। পরে নবীবুর রহমানের নেতৃত্বে কয়েকটি গ্রুপ মিলে দূর্গা প্রসাদ আগরওয়ালার বাড়িতে তৎকালীন থানা ক্যাম্পে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। ওই দিন চার জন পাক সেনা এবং আট জন রাজাকার নিহত হয়। অন্যান্য দালাল, রাজাকাররা আত্মগোপন করে। এ দিন বিকেলে আক্কেলপুরে প্রবেশ করেন শত শত মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীন হয় আক্কেলপুর। উড়ানো হয় স্বাধীন বাংলার লাল-সবুজ পতাকা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দ্বায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘দিবসটিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে আক্কেলপুর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলণ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন, মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে পদযাত্রা, র‌্যালী ও আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নতুন প্রজন্মকে উজ্জীবিত করতে বিনা টিকিটে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ২ টি চলচিত্র “গেরিলা” এবং “ওরা এগারো জন” সিনেমা প্রদর্শন করানো হবে।’

এমএসএম / এমএসএম

বারহাট্টায় মাদক নিয়ন্ত্রণে করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত

লাকসামে রথযাত্রা উৎসব উদযাপন

চট্টগ্রামে ভবন নির্মাণে বাড়ছে আইন ভাঙার প্রবণতা

ট্রেনের দরজা থেকে ছিটকে পড়ে যুবকের মৃত্যু

তিস্তার পানি নামতেই রাজারহাটে তীব্র নদীভাঙ্গন বিলীন ২৫ ঘরবাড়ি

বিলাইছড়িতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু

পাঁচবিবি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৫শ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার

চন্দনাইশে অধ্যাপক মরহুম ইসহাক উদ্দিন চৌধুরীর স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আড়ানী পৌর বিএনপি কার্যালয়ে পেট্রোল বোমা হামলা

বারহাট্টায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে প্রাণ নাশের হুমকি

খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে কচি তালুকদারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

রক্তমাখা স্মৃতিতে বেঁচে আছেন জিহাদের মা