বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সূর্যমুখীর হাসি
পটুয়াখালীর কলাপাড়া ও কুয়াকাটায় ৬'শ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ,চারদিকে হলুদ রঙের ফুলের বাহার। দূর থেকে দেখলে মনে হয় বিশাল আকারের হলুদ গালিচা বিছিয়ে রাখা হয়েছে।কাছে গেলেই দেখা মিলে হাজার হাজার সূর্যমুখী ফুলের হাসি।সূর্যমুখী ফুলের মনমাতানো পাগল করা ঘ্রাণ বাতাসে সৌরভ ছড়াচ্ছে।মৌমাছিরাও ছুটছেন মধু আহরণে এক ফুল থেকে অন্য ফুলে।
সূর্যমুখী বাগানে না গেলে বোঝাই যাবে না, কী অপরূপ মনোমুগ্ধকর দৃশ্য মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে।এমন সুন্দর দৃশ্য দেখা যায়,পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ইউনিয়ন গুলো ও পৌর এলাকার বিভিন্ন জমিতে। কলাপাড়ায় সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে ভালো।এক একটি সূর্যমুখী বাগানের সৌন্দর্য যে নজর কাড়বে। প্রতিদিন এসব সূর্যমুখী বাগানে দুর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন প্রকৃতিপ্রেমীসহ পর্যটকরা।এ-সব সূর্যমুখী বাগানে নানা বয়সী মানুষের মিলন মেলায় পরিণত হয়।বাগানে কেউ ছবি, সেলফি তুলছে,বেস্ত সময় পার করছেন সেই ছবি সেলফি সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করছেন।আবার কেউ পরিবার পরিজন নিয়ে বাগানে এসে সৌন্দর্য উপভোগ করেন।
এ-সব বাগান প্রতিদিন ভীড় বাড়ছে দর্শনার্থীদের। কৃষক দীনেশচন্দ্র জানান মহিপুরের বিলে প্রায় ৩'শ একর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে। তবে পানি সংকটে অনেক জায়গায় ফুল বড় হয়নি। খাল খনন করা হলে কৃষিতে আরও লাভবান হওয়া সম্ভব । কৃষি কর্মকর্তারা প্রায় সময় এই ক্ষেত পরিদর্শন করে পরামর্শ দেয়। তাদের সহযোগিতায় কৃষি কাজে আরো বেশি উৎসাহ পাচ্ছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এম সাইফুল্লাহ জানান, কলাপাড়ায় সূর্যমুখী ফুলের তেল স্বাস্থ্যসম্মত ও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। আমরা কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ,সার ও প্রয়োজনীয় কিটনাশক দিয়ে সহযোগিতা করেছি। কৃষকরা সূর্যমুখী চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। গত বছর চাষ হয়েছে ৪৯২ হেক্টর জমিতে এবছর বেড়ে প্রায় ৬'শ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। আগামীতে ১ হাজার হেক্টর জমি সূর্যমুখী চাষাবাদের আওতায় আনা হবে । কৃষি প্রণোদনার আওতায় ১৬'শ কৃষককে ১০ কেজি করে তিন প্রকারের সার দিয়েছি এছাড়া সূর্যমুখির বীজ দিয়েছি। আমরা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে যেয়ে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছি। তিনি আরও বলেন, সূর্যমুখী থেকে তেল ও মৌমাছি থেকে মধু দুটোই আমরা লাভবান। আমাদের ভোজ্য তেল বেশির ভাগ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়, দেশে যদি এই সূর্যমুখী প্রকল্প সফলতা পায় তা হলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও আমরা এই তেল রপ্তানি করতে পারব।
উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌর এলাকার বিভিন্ন ক্ষেত জুড়ে সূর্যমুখীর চাষ বাড়ছে ।এরমধ্যে বেশি হয়েছে মহিপুর লতাচাপলী,নীলগন্জ এবছর সবচেয়ে বেশি সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য মহিব্বুর রহমান (মহিব) বলেন ভোজ্য তেলে দাম বেড়ে গেলে এলাকার চাহিদা পূরণে কৃষকদের অনুপ্রাণিত করেছেন সূর্যমুখী ও সরিষা চাষে। তার অনুপ্রেরণায় ও কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় প্রতি বছর চাষ বাড়ছে।তিনি আরো জানান, এ বছর সূর্যমুখীর বীজ বিভিন্ন প্রকার বীজ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সূর্যমুখী তেলের উপকারিতা সম্পর্কে মানুষের জানার কারণে চাষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে কৃষকদের ফুল ও বাগান নষ্ট না করে বাগানের সৌন্দর্য উপভোগের অনুরোধ করে তিনি
এমএসএম / এমএসএম
গজারিয়া ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান এর জন্মদিন উপলক্ষে গজারিয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষচারা বিতরণ
সান্তহার পৌরসভার উদ্যোগে গাছের চারা ও অর্থ বিতরণ
ভোলার দৌলতখানে আজহার আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ফুটবলে নবম শ্রেণি চ্যাম্পিয়ন
দুই বন্ধুর দ্বন্দ্ব মেটাতে গ্রাম্য শালিশ, রায় নিয়ে দ্বিমত করায় মারধর
গোবিপ্রবির নতুন ভিসি হিসেবে অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসানের যোগদান
রুপগঞ্জে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ৩জন গ্রেফতার
র্যাগিং-নির্যাতনে জিরো টলারেন্স: পবিপ্রবির ১৩ শিক্ষার্থীকে শাস্তি
পিরোজপুরে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক, রচনা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
হাতিয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৮৬ শিক্ষার্থীকে ছাত্রদলের সংবর্ধনা
কুতুবদিয়ায় পানিতে ডুবে পাঁচ বছরের শিশুর মৃত্যু
পরিবেশ রক্ষায় কুয়াকাটায় নারী-কৃষকদের মাঝে ৩ হাজার গাছের চারা বিতরণ
রাজশাহীতে "একটি শিশু একটি গাছ" কর্মসূচির উদ্বোধন
ফরিদপুর মধুখালীর সন্তান শফিক সাগরের পরিচালনায় নির্মিত হচ্ছে নাটক বেদের মেয়ে জোসনা
Link Copied