মণিরামপুরে বিদ্যালয়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের পায়তারা
সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং অফিসের আশে-পাশে গুন্ডা-পান্ডা দিয়ে পাহারায় বসিয়ে মনোয়ন কিনতে বাঁধা দেয়া হয়েছে। কেউ কিনলেও জমা দিতে দেয়া হয়নি। এরপর এককভাবে নিজেদের খেয়াল-খুশি মতো বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভাপতিও বানানো হয়েছে নিজেদের পছন্দ মতো। সত্যতা যাচাইয়ে উপজেলা চত্ত্বরের সিসি ক্যামেরায় ধারনকৃত ভিডিও ফুটেজ দেখলেই গুন্ডা-পান্ডাদের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যাবে।
যশোরের মণিরামপুর উপজেলা হরিণা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেই কমিটি এখন প্রায় অর্ধকোটি টাকার বিনিময়ে তিন কর্মচারী নিয়োগে মরিয়া হয়ে উঠেছে। কমিটি গঠনে অনিয়ম, বাঁধাসহ নানা অভিযোগ এনে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগের পরও কোন সুরহা মেলেনি। আদালতের দ্বারস্থ হলে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। শুক্রবার মনিরামপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসি ও অভিভাবকরা এসব অভিযোগ করেন।
জানাযায়, ২০২২ সালের ১৬ জুন বিদ্যায়ের ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হলে একই বছরের ২১ অক্টোবর ফের কমিটি গঠনে নির্বাচনী তফসিল ঘোষনা করা হয়। বর্ণিত তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় হতে একটি পক্ষ ছাড়া বাকিদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহে বাঁধা প্রদান করা হয়। ইচ্ছুক অন্য কেউ যেন মনোনয়নপত্র গ্রহন না করতে পারে এ কারনে গুন্ডা-পান্ডা দিয়ে পাহারা বসানো হয়। এসময় মনোনয়ন কিনতে না পারা অনেকেই বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসের সামনেসহ উপজেলা চত্ত্বরে রক্ষিত সিসি ক্যমারোয় ধারনকৃত ওই দিনের ভিডিও ফুটেজ দেখলেই সত্যতা মিলবে। বিদ্যালয়ের মমতাজ সরকার নামের এক শিক্ষিকা বলেন, তিনি মনোনয়নপত্র কিনতে গেলে বাধা দেয়া হয়।
স্থানীয় মেঘনাথ বিশ^াস বলেন, মনোনয়পত্র কিনতে না দেয়ায় ২০২২ সালের ৩ নভেম্বর জেলা প্রশাসক, নির্ধারিত ৫ হাজার ৬ টাকা ফি জমা দিয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং একই বছরের ১৫ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করা হলেও কোন ফল মেলেনি। বাধ্য হয়ে পুনরায় তফসিল ঘোষনা পূর্বক নির্বাচনের দাবিতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। এরমধ্যে তড়িঘড়ি করে তিন কর্মচারী নিয়োগ দিতে ২০২৩ সালের ৩ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ২১ জুলাই নিয়োগ বোর্ড সম্পাদনে প্রার্থীদের প্রবেশপত্র প্রদান করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে অফিস সহকারি কাম হিসাব সহকারি পদে সুবজ রায়, অফিস সহায়ক পদে নিত্য বিশ^াস ও নিরাপত্তা প্রহরী পদে সুমন বিশ^াসকে নিয়োগ দিতে সব ধরনের আয়োজন করেছেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি দীপংকর কুমার রায়। এদের কাছ থেকে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিহির বিশ^াস বলেন, কাকে নিয়োগ দিচ্ছে, কত টাকা নেয়া হচ্ছে, সব কিছু সভাপতি বলতে পারবেন।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের সভাপতি দীপংকর কুমার রায় বলেন, তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো হচ্ছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বিকাশ চন্দ্র সরকার বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞায় নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করা হয়েছে।
এমএসএম / এমএসএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ কেজি ৬৯৫ গ্রাম হেরোইন সহ একই পরিবারের ৪ জন আটক
ভোলার সমাজসেবা অফিসে ওপেন সিক্রেট: চাহিদা মতো বকশিস না দিলে ফাইলবন্দি এতিমখানার অনুদান
আদমদীঘিতে মদ ও গাঁজাসহ আটক তিনজনের জেল-জরিমানা
ত্রিশালে আড়াইফুট উচ্চতার শফিকুলকে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য সামগ্রী দিলেন ইউএনও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পুকুর-খাল-জলাশয় রক্ষায় ঢেউ'র ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নে কর্মসূচি
উত্তাল সমুদ্রে বিচ্ছিন্ন হাতিয়ায় বন্ধ নৌ চলাচল
১৭ বছরে পুলিশকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহার করা হয়েছে,এসপি শামীমা পারভীন
মনপুরায় অন্ধ বাবার পরিবার এখনো ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে, নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য প্রয়োজন আরও ৮ হাজার টাকা
ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকসহ নারী গ্রেপ্তার
বোয়ালমারীতে বহিস্কৃত বি এন পি নেতার বিরুদ্ধে মাদ্রাসার জমি দখলের অভিযোগ
গুরুদাসপুরে ইসলাম ধর্ম অবমাননা করে হিন্দু যুবকের ফেসবুক পোস্ট, গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ
মাদারীপুরে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান