মারা গেলেন মুক্তিযুদ্ধের গবেষক শফিউদ্দিন
মুক্তিযুদ্ধের গবেষক মো. শফিউদ্দিন তালুকদার (৫৪) আর নেই (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। বুধবার (৪ আগস্ট) সকাল সকাল ৬টার দিকে টাঙ্গাইল সদর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্ট্রোকজনিত কারণে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। শফিউদ্দিন তালুকদার টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল শমশের ফকির ডিগ্রি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক শফিউদ্দিন তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। একপর্যায়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে টাঙ্গাইল সদর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বুধবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। শিক্ষক শফিউদ্দিনের নিজ কর্মস্থল নিকরাইল শমসের ফকির ডিগ্রি কলেজ মাঠে দুপুরে প্রথম জানাজা এবং ভূঞাপুর পাইলট সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আসরের নামাজের পর দ্বিতীয় জানাজা শেষে ছাব্বিশাস্থ ভূঞাপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, মুক্তিযুদ্ধ সংগঠন, শিক্ষক, সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শোক প্রকাশ করেছে।
জানা যায়, শিক্ষক শফিউদ্দিন ১৯৬৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার গ্রামের বাড়ি উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের যমুনাপাড়ের জুঙ্গীপুরে। ভূঞাপুর পৌরসভার ফসলান্দী এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন তিনি। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। মুক্তিযুদ্ধের গবেষক মানুষটি নদীর সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে ওঠা বিচিত্র অভিজ্ঞতায় সংগ্রামমুখর ঋদ্ধ জীবন। তিনি বাংলা একাডেমি, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদ ও এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ ইতিহাস একাডেমির সদস্য।
অধ্যাপক শফিউদ্দিন কবিতার মধ্যদিয়ে সাহিত্যের জগতে যাত্রা শুরু করেন। শফিউদ্দিন তালুকদার স্থানীয় ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, ফোকলো ও আদিবাসী গবেষক হিসেবে ইতোমধ্যে দেশে-বিদেশে বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন। তিনি ছিলেন শতভাগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মানুষ, একজন খাঁটি ছাত্রলীগ, একজন পরিশুদ্ধ আওয়ামী লীগ ও একজন আওয়ামী বুদ্ধিজীবী। শুধু তাই নয়, সহজ-সরল ও হাস্যোজ্জল ব্যক্তিও। ছিলেন একজন গুণী সংগঠক। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ছিল সমান পদচারো।
মহান মুক্তিযুদ্ধের গবেষক শফিউদ্দিন ছিলেন দৃঢ় ও সাহসী। তার প্রমাণ রেখে গেছেন তার প্রতিটি লেখা ও কাজে। যে সময় বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলাই ছিল অপরাধ; সেই সময়ে তিনি তার লেখায় একের পর এক তুলে ধরেছেন পাকিস্তানি বাহিনী ও তার দোসর রাজাকারদের নৃশংসতা। তুলে ধরেছেন একের পর এক নির্মম গণহত্যার কথা। সরকারিভাবে বইয়ের পাতায় লিপিবদ্ধ করে গেছেন গণহত্যায় রাজাকারদের নাম ও ভূমিকা।
এমএসএম / জামান
জয়পুরহাটে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু মেলা-২০২৬ উদ্বোধন
সাভারে ওএমএস অনিয়ম অনুসন্ধানে গিয়ে হামলার শিকার ৪ সাংবাদিক, মিথ্যা মামলায় জেলের অভিযোগ
আদমদীঘিতে বিভিন্ন মামলায় নারীসহ তিনজন গ্রেফতার
পটুয়াখালীতে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ২১ টন ভারতীয় জিরাসহ কার্গো বোট জব্দ
সখীপুরে স্বামী ও দেবরের নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর সংবাদ সম্মেলন
সুনামগঞ্জে শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী ও শিশু সপ্তাহ উদযাপিত: প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী ভাষণ উপভোগ
ধুনটে ঔষধ সেবনের পর মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু
ধামইরহাটে আদালতের রায় অমান্য করে বসতবাড়িতে হামলা ও হয়রানীর বিরুদ্ধে ভুক্তভুগির সংবাদ সম্মেলন
পটিয়ার চক্রশালা কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ের আইসিটি ল্যাবে চুরি
মোহনগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৬ জনের কারাদণ্ড
নওগাঁয় ড্রিল মেশিন দিয়ে মাথা ফুটো করে হত্যা, আসামির যাবজ্জীবন
কালিহাতীতে চীন থেকে আমদানিকৃত ব্যতিক্রমী পণ্যের সমাহার নিয়ে ‘নিও চায়না মার্ট’