ঢাকা রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

রায়গঞ্জে পাটের দামে হতাশ কৃষকেরা


সাইদুল ইসলাম আবির, রায়গঞ্জ photo সাইদুল ইসলাম আবির, রায়গঞ্জ
প্রকাশিত: ২৪-৮-২০২৩ দুপুর ১১:২৫

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে চলতি মৌসুমে পাটের ভালো ফলন হলেও দাম নিয়ে হতাশ এ অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষকেরা। পাট জাগ ও দাম নিয়ে চিন্তার ভাঁজ দেখা দিয়েছে কৃষকের কপালে। এ ছাড়া শ্রমিক ও পানির অভাবে জাগ দিতে না পারায় অনেক কৃষকের পাট এখনও অনেক ক্ষেতেই রয়ে গেছে। উপজেলার পাট চাষী কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক মণ পাট ঘরে তুলতে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমান বাজারে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২'শত টাকা দরে পাট বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছু কৃষক শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করতে লোকসানেই পাট বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। 

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ অঞ্চলের কৃষকেরা ধান চাষের পাশি দেশের অর্থকরী সোনালী  ফসল পাট চাষ করেন। গত দুই বছরে কাঙ্ক্ষিত দাম পেয়ে এবার অধিক জমিতে পাট চাষ করেছেন কৃষকরা। চলতি মৌসুমে রায়গঞ্জে প্রায় ৮শত ৯২ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে।গত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে ১১২ হেক্টর জমিতে বেশি পাট চাষ করেছে কৃষকেরা। প্রতি বিঘায় ফলন হয়েছে ১০ থেকে ১২ মণ পর্যন্ত ফলন। নদী তীরবর্তী ও বিল অঞ্চলের আশপাশের কৃষকরা পাট কেটে জাগ দিতে পারলেও উপজেলার বেশির ভাগ কৃষক এখনও পাট কেটে ক্ষেতেই রেখে দিয়েছেন।সাধারণত পাটের মৌসুম শেষ হলে কৃষকরা জমিতে ধান আবাদ করে থাকেন। কিন্তু জাগ দেওয়ার সমস্যা, শ্রমিক সংকট ও বাজারে প্রত্যাশিত দাম না থাকায় অনেকে পাট বিক্রি করতে পারছেন না। ফলে বীজতলা প্রস্তুত থাকলেও চাষিদের অনেকে এখনও ধান রোপণ করতে পারেননি। এতে কৃষকদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। চান্দাইকোনা  ইউনিয়নের পশ্চিম লক্ষিকোলা গ্রামের কৃষক আবু সুফিয়ান তালুকদার বলেন, গত দুই বছরে পাটের দাম ভালো থাকায় এ বছর তিনি দুই বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। বীজ রোপণ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত প্রতিমণ পাট ঘরে তুলতে প্রায় ২৪-২৫শ টাকা খরচ হয়েছে। সে পাট এখন বাজারে বিক্রি হচ্ছে মণপ্রতি ১,৮০০-২,২০০ টাকায়। লোকসান দিয়েই পাট বিক্রি করতে হচ্ছে কৃষকদের।
 
পাঙ্গাসী  ইউনিয়নের দেলমুড়া পাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলাম জানান, দাম কম থাকায় এ বছর ক্ষেত থেকে পাট কাটতে ইচ্ছে করছে না তাঁর। তিনি জানান, একজন শ্রমিককে রোজ ৬০০-৭০০ টাকা দিয়ে পাট কাটতে হচ্ছে। খেতের আশপাশে পানি না থাকায় দূরে নিয়ে জাগ দিতে হচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয় বাবদ আঁটি প্রতি ৩-৪ টাকা খরচ হচ্ছে। অনেকে পুকুর ভাড়া করে পাট জাগ দিচ্ছেন।  সব মিলিয়ে এ বছর পাট চাষে কৃষকদের কোনো লাভ হবে না।

নলকা ইউনিয়নের এরান্দহ  গ্রামের শহিদুল ইসলাম বলেন, কয়েক বছরের তুলনায় এ বছরই পাটের দাম অনেক কম। পানি না থাকায় পাট জাগ দেওয়া অনেক কষ্টের ব্যাপার। এসব কষ্ট সুখে পরিণত হতো, যদি পাটের ভালো দাম পাওয়া যেত। এখন তো পাট গলার ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। পাটের দাম বৃদ্ধি করা না হলে অনেক কৃষককে পথে বসতে হবে।                                            
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জানান, গত দুই বছর দাম ভালো হওয়ায় এ বছর সে আশায় কৃষকরা পাট চাষ করেছেন। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। পানির অভাবে কৃষকদের পাট জাগ দিতে সমস্যা হচ্ছে। তবে কয়েক দিন ভারী বৃষ্টি হলে এ সমস্যা থাকবে না। পাটের দাম কিছু দিনের মধ্যে বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

এমএসএম / এমএসএম

বারহাট্টা উপজেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত

রৌমারীতে ভিটেমাটি ফিরে পেতে চায় উচ্ছেদ হওয়া, রাস্তায় দিনাতিপাত পরিবার

ধামইরহাটে দাতা সদস্যদের বঞ্চিত করে কমিটি গঠন ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

সিংগাইরে জমে থাকা ময়লার ভাগাড় পরিষ্কারে নেমেছে একদল সেচ্ছাসেবক

চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগ ঠিকাদার কল্যান সমিতির কমিটি গঠন

কালাই প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্ব: সভাপতি ডলার, সম্পাদক পাভেল

হাজীগঞ্জে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

গাজীপুরে সাংবাদিকদের কর্মশালা: পেশাদারিত্ব ও আপসহীন সত্যের আহ্বান

চট্টগ্রাম প্রেস ও র‌্যাব-৭ এর মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

নওগাঁয় কাঁচা মরিচের ঝাঁজে দিশেহারা সাধারণ ক্রেতা

পটুয়াখালীতে প্রতি মাসে কোটি টাকার সাপের বিষের সম্ভাবনা, তবু সংকটে দেশের একমাত্র স্নেক ভেনম ফার্ম

নদী গর্ভে বসতভিটা বিলিন হওয়ার ভয়ে সঞ্চয়কৃত টাকায় জমি কিনে বিপাকে জেলে পরিবার

আদালতে আত্মসমর্পণের পর জামিন নামঞ্জুর: কারাগারে গেলেন ছাত্রলীগ নেতা তোহা